ঢাকা ০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শাহজালালে ৫ যাত্রীর ব্যাগে মিললো ২৪ লিটার মদ

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও বিদেশি মদ আটকের ঘটনা ঘটেছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা সম্প্রতি একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। এই অভিযানে মুম্বাই থেকে আসা একটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের পাঁচজন যাত্রীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ পানীয় জব্দ করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চালানো এই অভিযানে যাত্রীদের ব্যাগেজ তল্লাশি করে প্রায় ২৪ লিটার বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়। জব্দ করা এই নিষিদ্ধ পানীয়ের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় চার লাখ আশি হাজার টাকা বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই আটকের বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়েছে। জানা যায়, মুম্বাই থেকে ঢাকাগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটটি নির্দিষ্ট দিনে আনুমানিক সকাল ১০টা ৫৬ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এরপর সংশ্লিষ্ট যাত্রীরা ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে এবং ব্যাগেজ সংগ্রহ করে গ্রিন চ্যানেল অতিক্রম করার সময় গোয়েন্দাদের সন্দেহ হয়। পরবর্তীতে কাস্টমস বিধি অনুযায়ী কড়াকড়ি তল্লাশি চালিয়ে তাদের লাগেজ থেকে এই অবৈধ লিকারগুলো বের করা হয়।

অভিযানে আটক হওয়া যাত্রীদের ব্যাগেজ থেকে ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণে বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে কাশেমের ব্যাগ থেকে ৬ লিটার, এমডি মামুনের ব্যাগ থেকে ১২ লিটার এবং তপনের ব্যাগ থেকে ৩ লিটার মদ পাওয়া যায়। এছাড়াও ফয়সাল মিয়ার ব্যাগ থেকে ২ লিটার এবং সামসুল আলম পলাশের ব্যাগ থেকে ১ লিটার লিকার জব্দ করা হয়। কাস্টমস ও শুল্ক আইন লঙ্ঘন করে যাত্রাপথে নিষিদ্ধ পণ্য বহনের দায়ে তাদের বিরুদ্ধে নিয়ম অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

এদিকে একই রুট এবং একই এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে বারবার অবৈধভাবে লিকার উদ্ধار হওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ। এর আগে গত কয়েকদিন আগে একই এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইটে আসা অন্য যাত্রীদের কাছ থেকেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদেশি মদ আটক করা হয়েছিল। এত ঘনঘন একই কায়দায় অবৈধ পণ্য চোরাচালানের বিষয়টি নিবিড়ভাবে খতিয়ে দেখছে কাস্টমস গোয়েন্দা দল। এই ঘটনার নেপথ্যে কোনো সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয় রয়েছে কি না এবং নিরীহ যাত্রীদের ব্যবহার করা হচ্ছে কি না, তা উদঘাটনে ইতিমধ্যে একটি বিশেষ তদন্ত দল কাজ শুরু করেছে।

জনপ্রিয়

ভাব তরঙ্গ: বাউল গানে মুখরিত ময়মনসিংহের জয়নুল উদ্যান

শাহজালালে ৫ যাত্রীর ব্যাগে মিললো ২৪ লিটার মদ

প্রকাশিত ০৭:১৭:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও বিদেশি মদ আটকের ঘটনা ঘটেছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা সম্প্রতি একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। এই অভিযানে মুম্বাই থেকে আসা একটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের পাঁচজন যাত্রীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ পানীয় জব্দ করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চালানো এই অভিযানে যাত্রীদের ব্যাগেজ তল্লাশি করে প্রায় ২৪ লিটার বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়। জব্দ করা এই নিষিদ্ধ পানীয়ের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় চার লাখ আশি হাজার টাকা বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই আটকের বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়েছে। জানা যায়, মুম্বাই থেকে ঢাকাগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটটি নির্দিষ্ট দিনে আনুমানিক সকাল ১০টা ৫৬ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এরপর সংশ্লিষ্ট যাত্রীরা ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে এবং ব্যাগেজ সংগ্রহ করে গ্রিন চ্যানেল অতিক্রম করার সময় গোয়েন্দাদের সন্দেহ হয়। পরবর্তীতে কাস্টমস বিধি অনুযায়ী কড়াকড়ি তল্লাশি চালিয়ে তাদের লাগেজ থেকে এই অবৈধ লিকারগুলো বের করা হয়।

অভিযানে আটক হওয়া যাত্রীদের ব্যাগেজ থেকে ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণে বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে কাশেমের ব্যাগ থেকে ৬ লিটার, এমডি মামুনের ব্যাগ থেকে ১২ লিটার এবং তপনের ব্যাগ থেকে ৩ লিটার মদ পাওয়া যায়। এছাড়াও ফয়সাল মিয়ার ব্যাগ থেকে ২ লিটার এবং সামসুল আলম পলাশের ব্যাগ থেকে ১ লিটার লিকার জব্দ করা হয়। কাস্টমস ও শুল্ক আইন লঙ্ঘন করে যাত্রাপথে নিষিদ্ধ পণ্য বহনের দায়ে তাদের বিরুদ্ধে নিয়ম অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

এদিকে একই রুট এবং একই এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে বারবার অবৈধভাবে লিকার উদ্ধار হওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ। এর আগে গত কয়েকদিন আগে একই এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইটে আসা অন্য যাত্রীদের কাছ থেকেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদেশি মদ আটক করা হয়েছিল। এত ঘনঘন একই কায়দায় অবৈধ পণ্য চোরাচালানের বিষয়টি নিবিড়ভাবে খতিয়ে দেখছে কাস্টমস গোয়েন্দা দল। এই ঘটনার নেপথ্যে কোনো সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয় রয়েছে কি না এবং নিরীহ যাত্রীদের ব্যবহার করা হচ্ছে কি না, তা উদঘাটনে ইতিমধ্যে একটি বিশেষ তদন্ত দল কাজ শুরু করেছে।