ঢাকা ০৫:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হামে আরো ২ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৩৪৩

দেশে স্বাস্থ্যখাতে নতুন উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে হামের সংক্রমণ। সম্প্রতি বিভিন্ন এলাকায় এই রোগটি আরও মারাত্মক রূপ ধারণ করেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত চব্বিশ ঘণ্টার ব্যবধানে হামের উপসর্গ নিয়ে সারাদেশে আরও দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর ফলে অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।

রোগতত্ত্ব ও স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শুধু প্রাণহানির ঘটনাই ঘটেনি, একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে আরও ১৩৪৩ জন শিশু। আক্রান্ত এই বিশাল সংখ্যক শিশুকে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ও চিকিৎসাকেন্দ্রে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসকরা বলছেন, হঠাৎ করে আক্রান্তের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পরিস্থিতিকে বেশ জটিল করে তুলেছে।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা মনে করছেন, শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকার কারণে হাম দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। অনেক ক্ষেত্রে সঠিক সময়ে টিকাদান সম্পন্ন না হওয়া বা সচেতনতার অভাবে শিশুরা এই মারাত্মক ভাইরাসের শিকার হচ্ছে। আক্রান্ত শিশুদের শারীরিক অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং চিকিৎসকরা তাদের সুস্থ করে তুলতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ শুরু করেছে। দেশজুড়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করার পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি চালুর ভাবনা চলছে। চিকিৎসকরা অভিভাবকদের পরামর্শ দিয়েছেন, শিশুদের শরীরে হামের কোনো উপসর্গ দেখা মাত্রই বিলম্ব না করে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

জনপ্রিয়

ট্রেনে উঠতে গিয়ে পা পিছলে প্রাণ গেল ব্যবসায়ীর

হামে আরো ২ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১৩৪৩

প্রকাশিত ০৪:৩১:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশে স্বাস্থ্যখাতে নতুন উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে হামের সংক্রমণ। সম্প্রতি বিভিন্ন এলাকায় এই রোগটি আরও মারাত্মক রূপ ধারণ করেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত চব্বিশ ঘণ্টার ব্যবধানে হামের উপসর্গ নিয়ে সারাদেশে আরও দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর ফলে অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।

রোগতত্ত্ব ও স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শুধু প্রাণহানির ঘটনাই ঘটেনি, একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে আরও ১৩৪৩ জন শিশু। আক্রান্ত এই বিশাল সংখ্যক শিশুকে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ও চিকিৎসাকেন্দ্রে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসকরা বলছেন, হঠাৎ করে আক্রান্তের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা পরিস্থিতিকে বেশ জটিল করে তুলেছে।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা মনে করছেন, শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকার কারণে হাম দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। অনেক ক্ষেত্রে সঠিক সময়ে টিকাদান সম্পন্ন না হওয়া বা সচেতনতার অভাবে শিশুরা এই মারাত্মক ভাইরাসের শিকার হচ্ছে। আক্রান্ত শিশুদের শারীরিক অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং চিকিৎসকরা তাদের সুস্থ করে তুলতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ শুরু করেছে। দেশজুড়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করার পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি চালুর ভাবনা চলছে। চিকিৎসকরা অভিভাবকদের পরামর্শ দিয়েছেন, শিশুদের শরীরে হামের কোনো উপসর্গ দেখা মাত্রই বিলম্ব না করে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।