ঢাকা ০৪:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করেই সরকারকে ক্ষমতা ছাড়তে হবে: মামুনুল হক Logo কেন্দ্রীয় মুরগি খামারে বাচ্চা উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর Logo অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে কুবি শিক্ষক সমিতির শোক, বিচারের দাবি Logo স্বর্ণের দোকানে বিক্রি হতো গাঁজা Logo যবিপ্রবিতে নানা আয়োজনে আন্তর্জাতিক অণুজীব দিবস Logo ‘আমরা যখন দেখেছি, তখন অপ্রতিমকে একটি শেয়াল কামড়াচ্ছিল’– প্রত্যক্ষদর্শী Logo পাবিপ্রবিতে ক্যারিয়ার অ্যান্ড অন্ট্রাপ্রেনারশিপ ক্লাবের উদ্যোগে ‘ক্র্যাক দ্য স্কলারশিপ’ শীর্ষক কর্মশালা Logo চলচ্চিত্র পরিচালক ইকবালের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ Logo আইফোন ছিনতাই নাকি অন্য উদ্দেশ্য, খতিয়ে দেখছে পুলিশ: কুমিল্লার এসপি Logo উন্মুক্ত হলো জুবিন গার্গের সঙ্গে রত্নার অপ্রকাশিত গান ‘ফেলে আসা’

১ অক্টোবর থেকে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন চলবে সৌর বিদ্যুতে

দেশের জ্বালানি খাতের ওপর চাপ কমাতে এবং পরিবেশবান্ধব শক্তির ব্যবহার বাড়াতে সরকারের পক্ষ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে আগামী পহেলা অক্টোবর থেকে দেশের প্রধান নির্বাহী অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনটি পুরোপুরি সৌর বিদ্যুতের সহায়তায় পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য ইতিমধ্যেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও অবকাঠামোগত কাজ প্রায় সম্পন্ন করে এনেছে।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে এই যুগান্তকারী পরিকল্পনার কথা গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন। তিনি জানান যে, প্রচলিত জ্বালানি বা বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে এটি একটি বড় দৃষ্টান্ত হবে। সরকারি এই বাসভবনে সোলার প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন ও পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার কাজ বর্তমানে শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট ও জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবেলায় সরকারের এমন উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে মনে করছেন পরিবেশবিদ ও বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, সরকারি উচ্চপর্যায়ের বাসভবনগুলোতে বিকল্প শক্তির ব্যবহার শুরু হলে তা সাধারণ মানুষকেও ছাদ বা প্রাঙ্গণে সোলার সিস্টেম ব্যবহারে উৎসাহিত করবে। এর মাধ্যমে শুধু গ্রিডের ওপর চাপ কমবে না, বরং দীর্ঘ মেয়াদে বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ সাশ্রয় করাও সম্ভব হবে।

নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী আগামী মাসের শুরু থেকেই এই গ্রিন এনার্জি সিস্টেম আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হওয়ার কথা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদরা আশা করছেন, কোনো ধরনের বিঘ্ন ছাড়াই এই সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা দৈনন্দিন কার্যক্রমে পুরোপুরি সফলভাবে যুক্ত হবে। এই পদক্ষেপটি ভবিষ্যতে দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনাতেও নবায়নযোগ্য জ্বালানি চালুর পথ আরও প্রশস্ত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয়

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করেই সরকারকে ক্ষমতা ছাড়তে হবে: মামুনুল হক

১ অক্টোবর থেকে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন চলবে সৌর বিদ্যুতে

প্রকাশিত ০৫:৪৬:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের জ্বালানি খাতের ওপর চাপ কমাতে এবং পরিবেশবান্ধব শক্তির ব্যবহার বাড়াতে সরকারের পক্ষ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে আগামী পহেলা অক্টোবর থেকে দেশের প্রধান নির্বাহী অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনটি পুরোপুরি সৌর বিদ্যুতের সহায়তায় পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য ইতিমধ্যেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও অবকাঠামোগত কাজ প্রায় সম্পন্ন করে এনেছে।

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে এই যুগান্তকারী পরিকল্পনার কথা গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন। তিনি জানান যে, প্রচলিত জ্বালানি বা বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে এটি একটি বড় দৃষ্টান্ত হবে। সরকারি এই বাসভবনে সোলার প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন ও পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার কাজ বর্তমানে শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট ও জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবেলায় সরকারের এমন উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে মনে করছেন পরিবেশবিদ ও বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, সরকারি উচ্চপর্যায়ের বাসভবনগুলোতে বিকল্প শক্তির ব্যবহার শুরু হলে তা সাধারণ মানুষকেও ছাদ বা প্রাঙ্গণে সোলার সিস্টেম ব্যবহারে উৎসাহিত করবে। এর মাধ্যমে শুধু গ্রিডের ওপর চাপ কমবে না, বরং দীর্ঘ মেয়াদে বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ সাশ্রয় করাও সম্ভব হবে।

নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী আগামী মাসের শুরু থেকেই এই গ্রিন এনার্জি সিস্টেম আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হওয়ার কথা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদরা আশা করছেন, কোনো ধরনের বিঘ্ন ছাড়াই এই সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা দৈনন্দিন কার্যক্রমে পুরোপুরি সফলভাবে যুক্ত হবে। এই পদক্ষেপটি ভবিষ্যতে দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনাতেও নবায়নযোগ্য জ্বালানি চালুর পথ আরও প্রশস্ত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।