ঢাকা ০২:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাহিদ মালেকসহ ১৩ জনের না‌মে ছয় মামলা কর‌বে দুদ‌ক

রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অর্থ আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকসহ মোট তেরোজন প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সম্প্রতি অনুসন্ধানে প্রাপ্ত অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রমাণ খতিয়ে দেখার পর সংস্থাটি এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, অভিযুক্তরা পরস্পরের সঙ্গে যোগসাজশ করে সরকারি তহবিল থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ অবৈধভাবে সরিয়ে নিয়েছেন।

দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে যে, এই চক্রটি নিজেদের পদমর্যাদা ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিভিন্ন দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিলেন। অপরাধমূলক অসদাচরণ এবং প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে তারা সরকারি খাতের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন আইনে মোট ছয়টি আলাদা মামলা দায়ের করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সরকারি কোষাগার থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার এই ঘটনায় দায়িত্বশীল মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে চলা নানা অনিয়মের বিষয়ে কমিশন বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করার পর এই কঠোর পদক্ষেপের কথা জানাল। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনীত এসব অভিযোগের বিষয়ে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের মাধ্যমে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে দুর্নীতি বিরোধী এই স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানটি।

দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এই বড় ধরনের মামলাগুলোর প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। খুব শীঘ্রই সংশ্লিষ্ট আদালতে এসব মামলা আনুষ্ঠানিকভাবে দায়ের করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া আরও গতিশীল হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জনপ্রিয়

মরিয়ম আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলা ডিবিতে

জাহিদ মালেকসহ ১৩ জনের না‌মে ছয় মামলা কর‌বে দুদ‌ক

প্রকাশিত ০২:০১:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অর্থ আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকসহ মোট তেরোজন প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সম্প্রতি অনুসন্ধানে প্রাপ্ত অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রমাণ খতিয়ে দেখার পর সংস্থাটি এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, অভিযুক্তরা পরস্পরের সঙ্গে যোগসাজশ করে সরকারি তহবিল থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ অবৈধভাবে সরিয়ে নিয়েছেন।

দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে যে, এই চক্রটি নিজেদের পদমর্যাদা ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিভিন্ন দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিলেন। অপরাধমূলক অসদাচরণ এবং প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে তারা সরকারি খাতের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন আইনে মোট ছয়টি আলাদা মামলা দায়ের করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সরকারি কোষাগার থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার এই ঘটনায় দায়িত্বশীল মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে চলা নানা অনিয়মের বিষয়ে কমিশন বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করার পর এই কঠোর পদক্ষেপের কথা জানাল। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনীত এসব অভিযোগের বিষয়ে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের মাধ্যমে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে দুর্নীতি বিরোধী এই স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানটি।

দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এই বড় ধরনের মামলাগুলোর প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। খুব শীঘ্রই সংশ্লিষ্ট আদালতে এসব মামলা আনুষ্ঠানিকভাবে দায়ের করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া আরও গতিশীল হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।