দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং যাত্রীদের অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন মন্ত্রী। তিনি পরিষ্কার ভাষায় উল্লেখ করেছেন যে, সরকারের নির্ধারিত চার্ট অনুযায়ী যাত্রীদের কাছ থেকে বেশি ভাড়া আদায় করার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট যানবাহনের রুট পারমিট অবিলম্বে বাতিল করা হবে। সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি ব্যয়ের চাপ কমাতে এবং পরিবহন খাতের অনিয়ম কঠোরহস্তে দমন করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্ব বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং এর সার্বিক প্রভাব নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মন্ত্রী জানান যে, বৈশ্বিক সংকটের কারণে সরকারকে এই কঠিন সিদ্ধান্তগুলো নিতে হয়েছে। দেশের বাজারে জ্বালানির মূল্য ও সার্বিক প্রাপ্যতা বিবেচনায় রেখে রাষ্ট্রকে বাধ্য হয়ে পরিস্থিতি অনুযায়ী বিভিন্ন ক্ষেত্রে সমন্বয় করতে হচ্ছে। বর্তমানের এই বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বাস্তবতাকে কোনোভাবেই অস্বীকার করার উপায় নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে সাধারণ নাগরিকদের দৈনন্দিন জীবনে যে বাড়তি কষ্ট ও দুর্ভোগ তৈরি হয়েছে, সে বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহানুভূতি প্রকাশ করা হয়েছে। মন্ত্রী স্বীকার করেছেন যে এই পরিস্থিতির কারণে সাধারণ মানুষের যাতায়াত খরচ বেড়ে গেছে এবং তাদের কিছুটা হলেও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তবে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্যই এই সাময়িক কষ্ট মেনে নিতে হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের প্রতি সরকারের পক্ষ থেকে কঠোর বার্তা দিয়ে বলা হয়েছে যে, কোনো অজুহাতে যেন যাত্রীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা না হয়। নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি নেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করা হবে এবং কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। সাধারণ যাত্রীদের যাতায়াত সহজ ও নিরাপদ করতে সরকারের পক্ষ থেকে নিয়মিত মনিটরিং বা তদারকি অব্যাহত থাকবে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়েছে।



































