ঢাকা ০৯:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ট্রাম্পের কাছে যে আবেদন করতে যাচ্ছেন মধ্যপ্রাচ্যের নেতারা

ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থাকে নির্মূল করার বিষয়টি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিবেচনাধীন রয়েছে বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। এমন একটি উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় আরব মিত্ররা মার্কিন নেতার সঙ্গে সরাসরি বৈঠকে মিলিত হতে যাচ্ছেন। নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠেয় এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে দুই পক্ষের মধ্যে আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক সংকট নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগেও এই আরব দেশগুলোর কূটনৈতিক মধ্যস্থতা এবং জোরালো পরামর্শের কারণে বড় ধরনের আঞ্চলিক সংঘাত বা সামরিক উত্তেজনা এড়ানো সম্ভব হয়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে তারা নতুন করে গভীর উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তাদের প্রধান আশঙ্কা হলো, ওয়াশিংটন যখন চলমান সংকটের বেড়াজাল থেকে নিজেদের কৌশলগত প্রস্থান বা উত্তরণের পথ খুঁজছে, তখন মিত্র হিসেবে তাদেরকেই হয়তো যুদ্ধের আরও বেশি গভীরে টেনে নেওয়া হতে পারে।

এই আসন্ন বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য হলো মার্কিন প্রশাসনকে বৃহত্তর যুদ্ধের ঝুঁকি থেকে দূরে রাখা এবং একটি কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজে বের করা। মধ্যপ্রাচ্যের এই নেতারা ট্রাম্পকে বোঝানোর চেষ্টা করবেন যে, ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো চরম সামরিক পদক্ষেপ সমগ্র অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে চিরতরে ধ্বংস করে দিতে পারে। বিশেষ করে অর্থনৈতিক ও জ্বালানি নিরাপত্তার স্বার্থে তারা এই অঞ্চলে কোনো দীর্ঘমেয়াদি বা সর্বাত্মক যুদ্ধ দেখতে চান না।

বিশ্লেষকদের মতে, হোয়াইট হাউসের নীতি নির্ধারণে প্রভাব ফেলতে এবং নিজেদের ভূ-রাজনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এই বৈঠকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এখন দেখার বিষয়, উপসাগরীয় মিত্রদের এই কূটনৈতিক আবেদন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভবিষ্যৎ কর্মপদ্ধতি ও নীতি নির্ধারণে কতটা প্রভাব ফেলতে সক্ষম হয়।

জনপ্রিয়

ব্রিজে রডের বদলে বাঁশ: ঠিকাদার গ্রেপ্তার

ট্রাম্পের কাছে যে আবেদন করতে যাচ্ছেন মধ্যপ্রাচ্যের নেতারা

প্রকাশিত ০৮:৩১:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থাকে নির্মূল করার বিষয়টি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিবেচনাধীন রয়েছে বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। এমন একটি উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় আরব মিত্ররা মার্কিন নেতার সঙ্গে সরাসরি বৈঠকে মিলিত হতে যাচ্ছেন। নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠেয় এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে দুই পক্ষের মধ্যে আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক সংকট নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগেও এই আরব দেশগুলোর কূটনৈতিক মধ্যস্থতা এবং জোরালো পরামর্শের কারণে বড় ধরনের আঞ্চলিক সংঘাত বা সামরিক উত্তেজনা এড়ানো সম্ভব হয়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে তারা নতুন করে গভীর উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তাদের প্রধান আশঙ্কা হলো, ওয়াশিংটন যখন চলমান সংকটের বেড়াজাল থেকে নিজেদের কৌশলগত প্রস্থান বা উত্তরণের পথ খুঁজছে, তখন মিত্র হিসেবে তাদেরকেই হয়তো যুদ্ধের আরও বেশি গভীরে টেনে নেওয়া হতে পারে।

এই আসন্ন বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য হলো মার্কিন প্রশাসনকে বৃহত্তর যুদ্ধের ঝুঁকি থেকে দূরে রাখা এবং একটি কূটনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজে বের করা। মধ্যপ্রাচ্যের এই নেতারা ট্রাম্পকে বোঝানোর চেষ্টা করবেন যে, ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো চরম সামরিক পদক্ষেপ সমগ্র অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে চিরতরে ধ্বংস করে দিতে পারে। বিশেষ করে অর্থনৈতিক ও জ্বালানি নিরাপত্তার স্বার্থে তারা এই অঞ্চলে কোনো দীর্ঘমেয়াদি বা সর্বাত্মক যুদ্ধ দেখতে চান না।

বিশ্লেষকদের মতে, হোয়াইট হাউসের নীতি নির্ধারণে প্রভাব ফেলতে এবং নিজেদের ভূ-রাজনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এই বৈঠকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এখন দেখার বিষয়, উপসাগরীয় মিত্রদের এই কূটনৈতিক আবেদন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভবিষ্যৎ কর্মপদ্ধতি ও নীতি নির্ধারণে কতটা প্রভাব ফেলতে সক্ষম হয়।