পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় পরকীয়া সম্পর্কের অপবাদ দিয়ে গোপনে ভিডিও ধারণ করার চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। এই ভিডিও ফাঁসের ভয় দেখিয়ে ভুক্তভোগী ব্যক্তির কাছ থেকে মোটা অঙ্কের চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে এক যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ওই নেতার নাম আরিফুল ইসলাম এবং তিনি স্থানীয় বলদিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এ ধরনের অনৈতিক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে স্থানীয় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত আরিফুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় নানা ধরনের অপকর্মের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। সম্প্রতি তিনি পরকীয়ার মিথ্যা বা সত্য অভিযোগকে পুঁজি করে গোপনে একটি ভিডিও ধারণ করেন। এরপর সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিবার ও এলাকায় ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। এই ভয় দেখিয়ে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে জোরপূর্বক নগদ টাকা ও অন্যান্য সুবিধা আদায় করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
সাধারণ মানুষের মধ্যে এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর থেকেই এলাকায় তীব্র সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষকে ব্ল্যাকমেইল করার এমন ঘটনায় এলাকাবাসী উদ্বিগ্ন প্রকাশ করেছেন। অপরাধী যেই হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলে স্থানীয় সচেতন মহল দাবি জানিয়েছেন। এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু ওই যুবলীগ নেতার ব্যক্তিগত অপরাধ নয়, বরং সামগ্রিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী বলেও তারা মন্তব্য করেন।
অভিযোগের বিষয়ে প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়দের পক্ষ থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার জোরালো দাবি উঠেছে। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা সাপেক্ষে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।



































