ঢাকা ১০:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo শিশুদের ক্যান্সার হাসপাতাল নির্মাণে মেসির ৩৬ কোটি টাকা অনুদান Logo অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে আসামিদের পক্ষে লড়বেন না কোনো আইনজীবী Logo বকেয়া বেতনের দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ Logo ক্যাম্পাস ও কর্পোরেটের সংযোগে ৫৪ বিশ্ববিদ্যলয়ের ৬৬ শিক্ষার্থী Logo বুলডোজার চালাতে গিয়ে মিলল ৯ কেজির বিশাল সোনার পিণ্ড Logo মাদ্রাসাছাত্রের মরদেহ উদ্ধার, বাবার বিরুদ্ধেই হত্যার অভিযোগ Logo নোবিপ্রবিতে বিদ্যালয় ইন্টার্নশিপ বিষয়ক মতবিনিময় ও শিক্ষোপকরণ প্রদর্শনী Logo রাবির আরবি ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাবে ৩১ শিক্ষার্থীকে সার্টিফিকেট প্রদান Logo পঞ্চাশ বছর পর ইরানের আকাশে ফের রহস্যময় উড়ন্ত বস্তু, বাড়ছে কৌতূহল Logo কুড়িগ্রামে সারের দাবিতে সড়ক অবরোধ, পরে বিতরণ

খুলনায় গুলিবিদ্ধের ৩২ দিন পর যুবকের মৃত্যু

খুলনার রূপসা উপজেলায় প্রতিপক্ষের গুলিতে গুরুতর আহত হওয়া মো দীর্ঘ ৩২ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে শেষ পর্যন্ত না ফেরার দেশে চলে গেছেন। নিহত এই যুবকের নাম মো. মামুন মীর, যার বয়স হয়েছিল ৩৫ বছর। দীর্ঘ এক মাসেরও বেশি সময় ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর তার এই মৃত্যুতে এলাকায় নতুন করে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। চিকিৎসকদের শতচেষ্টা সত্ত্বেও তার জীবন রক্ষা করা সম্ভব হয়নি বলে হাসপাতাল সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।

ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, কিছুদিন আগে রূপসা এলাকায় পূর্ব শত্রুতা কিংবা অন্য কোনো বিরোধের জেরে মামুন মীরের ওপর প্রাণঘাতী হামলা চালায় অস্ত্রধারীরা। ওই সময় হামলাকারীরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে তিনি গুরুতর জখম হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয় লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যান, যেখানে চিকিৎসকরা তার শরীরে অপারেশনসহ দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকেই তার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন ছিল এবং চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই তার মৃত্যু হয়।

এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের পরিবার এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্বজনদের অভিযোগ, যারা এই কাপুরুষোচিত হামলা চালিয়ে মামুনকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে, পুলিশ যেন দ্রুত তাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনে। ঘটনার পর থেকেই অপরাধীরা পলাতক রয়েছে বলে জানা গেছে, তবে তাদের গ্রেফতারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর যথাযথ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

এদিকে, এই মর্মান্তিক মৃত্যুর পর রূপসা এলাকার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অপরাধচক্রের দৌরাত্ম্য বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন এবং এলাকায় পুলিশি টহল বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহল আশা প্রকাশ করছে যে, খুব দ্রুতই এই ঘটনার আসল রহস্য উদঘাটিত হবে এবং দোষী ব্যক্তিরা কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হবে।

জনপ্রিয়

শিশুদের ক্যান্সার হাসপাতাল নির্মাণে মেসির ৩৬ কোটি টাকা অনুদান

খুলনায় গুলিবিদ্ধের ৩২ দিন পর যুবকের মৃত্যু

প্রকাশিত ০৯:৩১:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

খুলনার রূপসা উপজেলায় প্রতিপক্ষের গুলিতে গুরুতর আহত হওয়া মো দীর্ঘ ৩২ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে শেষ পর্যন্ত না ফেরার দেশে চলে গেছেন। নিহত এই যুবকের নাম মো. মামুন মীর, যার বয়স হয়েছিল ৩৫ বছর। দীর্ঘ এক মাসেরও বেশি সময় ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর তার এই মৃত্যুতে এলাকায় নতুন করে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। চিকিৎসকদের শতচেষ্টা সত্ত্বেও তার জীবন রক্ষা করা সম্ভব হয়নি বলে হাসপাতাল সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।

ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, কিছুদিন আগে রূপসা এলাকায় পূর্ব শত্রুতা কিংবা অন্য কোনো বিরোধের জেরে মামুন মীরের ওপর প্রাণঘাতী হামলা চালায় অস্ত্রধারীরা। ওই সময় হামলাকারীরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে তিনি গুরুতর জখম হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয় লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যান, যেখানে চিকিৎসকরা তার শরীরে অপারেশনসহ দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকেই তার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন ছিল এবং চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই তার মৃত্যু হয়।

এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের পরিবার এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্বজনদের অভিযোগ, যারা এই কাপুরুষোচিত হামলা চালিয়ে মামুনকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে, পুলিশ যেন দ্রুত তাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনে। ঘটনার পর থেকেই অপরাধীরা পলাতক রয়েছে বলে জানা গেছে, তবে তাদের গ্রেফতারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর যথাযথ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

এদিকে, এই মর্মান্তিক মৃত্যুর পর রূপসা এলাকার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অপরাধচক্রের দৌরাত্ম্য বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন এবং এলাকায় পুলিশি টহল বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহল আশা প্রকাশ করছে যে, খুব দ্রুতই এই ঘটনার আসল রহস্য উদঘাটিত হবে এবং দোষী ব্যক্তিরা কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হবে।