ঢাকা ১২:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo দক্ষিণ আফ্রিকায় বন্দুক হামলায় নিহত ১৭ Logo ঘুমন্ত অবস্থায় সাপের ছোবলের শিকার রাবি শিক্ষার্থী Logo সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে যা ঘটেছে, মেনে নেওয়ার মতো নয়: সাদিয়া আয়মান Logo তরুণ উদ্যোক্তার খোঁজে বাকৃবিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতবিনিময় সভা Logo ‘পাশের জমির মালিকের জমি নিয়ে বিরোধের জেরে’ সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা, আটক ৩: পুলিশ Logo বাগেরহাটে পলিথিনে মোড়ানো শিশুর গলাকাটা মরদেহ, গ্রেপ্তার ৩ Logo ভারতের উত্তরপ্রদেশে প্রবল বৃষ্টি-বজ্রসহ ঝড়, নিহত ১০ Logo নড়াইলে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় কৃষককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ Logo নদীতে ভেসে যাওয়া ছোট্ট হাতিকে পৌঁছে দেওয়া হলো মা হাতির কাছে Logo নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের হল কমিটি গঠনের বিজ্ঞপ্তি, মধ্যরাতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ

ভারতের উত্তরপ্রদেশে প্রবল বৃষ্টি-বজ্রসহ ঝড়, নিহত ১০

ভারতের উত্তরপ্রদেশ রাজ্যে হঠাৎ করেই বয়ে যাওয়া প্রবল ঝড় ও ভারি বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন ধরনের দুর্ঘটনায় অন্তত ১০ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। একইসঙ্গে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের জেরে আহত হয়েছেন আরও ১৭ জন মানুষ। সম্প্রতি রাজ্যটির বিস্তীর্ণ এলাক জুড়েই এই মৌসুমী তাণ্ডব আঘাত হানে, যার ফলে স্বাভাবিক জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, আকস্মিক এই দুর্যোগে বহু ঘরবাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

দুর্যোগের ভয়াবহতার চিত্র তুলে ধরে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মূলত দেয়াল চাপা পড়া এবং গাছ ভেঙে পড়ার ঘটনাগুলোতেই হতাহতের সংখ্যা বেশি। এর মধ্যে মাটির দেয়াল ধসে পড়ে পাঁচজন এবং উপড়ে পড়া গাছের নিচে চাপা পড়ে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। কেবল গোরখপুর জেলাই গাছ পড়ার কারণে চারজন নিহত এবং ১৪ জন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। এছাড়া লক্ষ্ণৌসহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকার কাঁচা ঘরবাড়ি ও কৃষিজমিতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, রাজ্যের ৬৩টি জেলায় স্বাভাবিকের তুলনায় বহু গুণ বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। রাজধানী লক্ষ্ণৌয়ে ১২৫ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে এবং বান্দা ও ফতেহগড়ের মতো কিছু অঞ্চলে এই মাত্রা দুই শ মিলিমিটার ছাড়িয়ে গেছে। অতি বৃষ্টির কারণে অনেক নিচু এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে এবং প্রধান সড়কগুলোতে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। নেপাল সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় নদীর পানি বৃদ্ধির আশঙ্কা থাকায় বিশেষ সতর্কতাও জারি করা হয়েছে।

পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর পূর্ব ও মধ্য উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন অংশে আরও ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে। নদী তীরবর্তী অঞ্চলগুলোতে মাঝারি ধরনের আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি রয়েছে বলে সতর্ক করা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য সরকার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার স্কুলগুলো বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে এবং উদ্ধারকারী দলগুলোকে সর্বোচ্চ প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয়

দক্ষিণ আফ্রিকায় বন্দুক হামলায় নিহত ১৭

ভারতের উত্তরপ্রদেশে প্রবল বৃষ্টি-বজ্রসহ ঝড়, নিহত ১০

প্রকাশিত ১১:০০:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভারতের উত্তরপ্রদেশ রাজ্যে হঠাৎ করেই বয়ে যাওয়া প্রবল ঝড় ও ভারি বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন ধরনের দুর্ঘটনায় অন্তত ১০ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। একইসঙ্গে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের জেরে আহত হয়েছেন আরও ১৭ জন মানুষ। সম্প্রতি রাজ্যটির বিস্তীর্ণ এলাক জুড়েই এই মৌসুমী তাণ্ডব আঘাত হানে, যার ফলে স্বাভাবিক জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, আকস্মিক এই দুর্যোগে বহু ঘরবাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

দুর্যোগের ভয়াবহতার চিত্র তুলে ধরে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মূলত দেয়াল চাপা পড়া এবং গাছ ভেঙে পড়ার ঘটনাগুলোতেই হতাহতের সংখ্যা বেশি। এর মধ্যে মাটির দেয়াল ধসে পড়ে পাঁচজন এবং উপড়ে পড়া গাছের নিচে চাপা পড়ে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। কেবল গোরখপুর জেলাই গাছ পড়ার কারণে চারজন নিহত এবং ১৪ জন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। এছাড়া লক্ষ্ণৌসহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকার কাঁচা ঘরবাড়ি ও কৃষিজমিতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, রাজ্যের ৬৩টি জেলায় স্বাভাবিকের তুলনায় বহু গুণ বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। রাজধানী লক্ষ্ণৌয়ে ১২৫ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে এবং বান্দা ও ফতেহগড়ের মতো কিছু অঞ্চলে এই মাত্রা দুই শ মিলিমিটার ছাড়িয়ে গেছে। অতি বৃষ্টির কারণে অনেক নিচু এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে এবং প্রধান সড়কগুলোতে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। নেপাল সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় নদীর পানি বৃদ্ধির আশঙ্কা থাকায় বিশেষ সতর্কতাও জারি করা হয়েছে।

পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর পূর্ব ও মধ্য উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন অংশে আরও ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে। নদী তীরবর্তী অঞ্চলগুলোতে মাঝারি ধরনের আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি রয়েছে বলে সতর্ক করা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য সরকার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার স্কুলগুলো বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে এবং উদ্ধারকারী দলগুলোকে সর্বোচ্চ প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।