ঢাকা ১০:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ

ইতিহাসে প্রথম এক্সোপ্ল্যানেট থেকে রেডিও সংকেত পাওয়া গেল

মহাকাশ বিজ্ঞান ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। দীর্ঘদিনের গবেষণার পর বিজ্ঞানীরা এই প্রথম আমাদের সৌরজগতের বাইরে অবস্থিত কোনো এক্সোপ্ল্যানেট বা ভিনগ্রহ থেকে রেডিও তরঙ্গ শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছেন। মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে এই অর্জন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।

দক্ষিণ আফ্রিকায় অবস্থিত অত্যাধুনিক ‘মিরক্যাট’ রেডিও টেলিস্কোপের মাধ্যমে এই বিশেষ সংকেতটি ধরা পড়েছে। শক্তিশালী এই যন্ত্রটি দীর্ঘদিন ধরে মহাকাশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা অজানা তরঙ্গের ওপর নজর রাখছিল। অবশেষে টেলিস্কোপটির সংবেদনশীল যন্ত্রাংশে এই বিরল মহাজাগতিক সিগন্যাল ধরা পড়ে।

সংকেতটি পাওয়ার পর এর উৎস নিয়ে বিজ্ঞানমহলে চুলচেরা বিশ্লেষণ শুরু হয়। গবেষক দল নিশ্চিত করেছেন যে, এই রেডিও তরঙ্গ সম্পূর্ণভাবে প্রাকৃতিক কোনো উৎস থেকে নির্গত হয়েছে। অর্থাৎ মানবসভ্যতার বাইরের কোনো বুদ্ধিমান প্রাণী বা এলিয়েনদের পাঠানো কোনো কৃত্রিম তথ্য বা সিগন্যাল এটি নয়।

এই আবিষ্কারের ফলে বহির্জাগতিক গ্রহগুলোর চৌম্বকক্ষেত্র এবং বায়ুমণ্ডল সম্পর্কে আরও গভীরভাবে জানার পথ উন্মুক্ত হলো। বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, এই সাফল্যের হাত ধরে মহাবিশ্বের অজানা রহস্য উদঘাটন এবং ভিনগ্রহের পরিবেশ সম্পর্কে আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসবে।

জনপ্রিয়

নভেম্বর পর্যন্ত কাতার এনার্জির এলএনজি পাচ্ছে না বাংলাদেশ

ইতিহাসে প্রথম এক্সোপ্ল্যানেট থেকে রেডিও সংকেত পাওয়া গেল

প্রকাশিত ১০:১৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মহাকাশ বিজ্ঞান ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। দীর্ঘদিনের গবেষণার পর বিজ্ঞানীরা এই প্রথম আমাদের সৌরজগতের বাইরে অবস্থিত কোনো এক্সোপ্ল্যানেট বা ভিনগ্রহ থেকে রেডিও তরঙ্গ শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছেন। মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে এই অর্জন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।

দক্ষিণ আফ্রিকায় অবস্থিত অত্যাধুনিক ‘মিরক্যাট’ রেডিও টেলিস্কোপের মাধ্যমে এই বিশেষ সংকেতটি ধরা পড়েছে। শক্তিশালী এই যন্ত্রটি দীর্ঘদিন ধরে মহাকাশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা অজানা তরঙ্গের ওপর নজর রাখছিল। অবশেষে টেলিস্কোপটির সংবেদনশীল যন্ত্রাংশে এই বিরল মহাজাগতিক সিগন্যাল ধরা পড়ে।

সংকেতটি পাওয়ার পর এর উৎস নিয়ে বিজ্ঞানমহলে চুলচেরা বিশ্লেষণ শুরু হয়। গবেষক দল নিশ্চিত করেছেন যে, এই রেডিও তরঙ্গ সম্পূর্ণভাবে প্রাকৃতিক কোনো উৎস থেকে নির্গত হয়েছে। অর্থাৎ মানবসভ্যতার বাইরের কোনো বুদ্ধিমান প্রাণী বা এলিয়েনদের পাঠানো কোনো কৃত্রিম তথ্য বা সিগন্যাল এটি নয়।

এই আবিষ্কারের ফলে বহির্জাগতিক গ্রহগুলোর চৌম্বকক্ষেত্র এবং বায়ুমণ্ডল সম্পর্কে আরও গভীরভাবে জানার পথ উন্মুক্ত হলো। বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, এই সাফল্যের হাত ধরে মহাবিশ্বের অজানা রহস্য উদঘাটন এবং ভিনগ্রহের পরিবেশ সম্পর্কে আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসবে।