ঢাকা ০৪:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo প্রতি বছর ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি, প্রজ্ঞাপন জারি Logo সরকারকে ঝামেলায় ফেলতে ‘পতিত দোসরদের’ নাশকতার চেষ্টা: রিজভী Logo কুবি ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ব্যতিক্রমী উদ্যোক্তা মেলা Logo পাবিপ্রবির সেন্ট্রাল ক্যাফেটারিয়ার খাবারে মিলল কেড়া পোকা, ক্ষুদ্ধ শিক্ষার্থীরা Logo প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন গোবিপ্রবির ১০ শিক্ষার্থী  Logo লন্ডনের সমাবেশ থেকে অবিলম্বে মেজর আখতারুজ্জামানের মুক্তি দাবি Logo ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ পাচ্ছেন নোবিপ্রবির ৮ শিক্ষার্থী Logo প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন পাবিপ্রবির ১১ শিক্ষার্থী ‎ Logo নেটওয়ার্কের বাইরে থাকলেও যোগাযোগ, স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল সেবা চালু বাংলালিংকের Logo ফিনল্যান্ডে গুগলের ডেটা সেন্টারের কাজ বন্ধের নির্দেশ

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

রাজধানীর মিরপুর দশ নম্বর গোল চত্বর এলাকায় ফুটপাত থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করার একটি কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উচ্ছেদ দলের অভিযান চলাকালে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা হঠাৎ করে ক্ষুব্ধ হয়ে রাজপথে নেমে আসেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জেরে পুরো এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী, সকালে সিটি করপোরেশনের কর্মীরা মিরপুর এলাকায় ফুটপাত খালি করার জন্য অভিযান শুরু করেন। এই কার্যক্রমের প্রতিবাদে স্থানীয় ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা সংঘবদ্ধ হয়ে মিরপুর আইডিয়াল কলেজের সামনে অবস্থান নেন। অন্যদিকে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ সদস্যরা মিরপুর দশ নম্বর গোল চত্বর এলাকায় অবস্থান গ্রহণ করেন। দুই পক্ষের মুখোমুখি অবস্থানের কারণে মুহূর্তেই গোটা এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি ও তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বেশ কয়েকটি কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে জমায়েত ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা চালায়। কিন্তু ব্যবসায়ীরা সংখ্যায় অনেক বেশি থাকায় পিছু হটেননি, বরং তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি ইটপাটকেল ছুড়তে শুরু করেন। ইটপাটকেলের আঘাতে পুলিশের একটি অংশ পিছু হটতে বাধ্য হয় এবং সংঘর্ষের মাত্রা আরও তীব্র আকার ধারণ করে।

উত্তেজিত জনতা এই সময় ব্যাপক ভাঙচুর চালায় এবং ঘটনাস্থলে থাকা সিটি করপোরেশনের একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এই অগ্নিসংযোগের ফলে গাড়িটি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায় এবং সেখানে বেশ কিছুক্ষণ বিশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় থাকে। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্য সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালান।

জনপ্রিয়

প্রতি বছর ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি, প্রজ্ঞাপন জারি

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

প্রকাশিত ১২:৩১:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীর মিরপুর দশ নম্বর গোল চত্বর এলাকায় ফুটপাত থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করার একটি কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উচ্ছেদ দলের অভিযান চলাকালে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা হঠাৎ করে ক্ষুব্ধ হয়ে রাজপথে নেমে আসেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জেরে পুরো এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী, সকালে সিটি করপোরেশনের কর্মীরা মিরপুর এলাকায় ফুটপাত খালি করার জন্য অভিযান শুরু করেন। এই কার্যক্রমের প্রতিবাদে স্থানীয় ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা সংঘবদ্ধ হয়ে মিরপুর আইডিয়াল কলেজের সামনে অবস্থান নেন। অন্যদিকে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ সদস্যরা মিরপুর দশ নম্বর গোল চত্বর এলাকায় অবস্থান গ্রহণ করেন। দুই পক্ষের মুখোমুখি অবস্থানের কারণে মুহূর্তেই গোটা এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি ও তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বেশ কয়েকটি কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে জমায়েত ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা চালায়। কিন্তু ব্যবসায়ীরা সংখ্যায় অনেক বেশি থাকায় পিছু হটেননি, বরং তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি ইটপাটকেল ছুড়তে শুরু করেন। ইটপাটকেলের আঘাতে পুলিশের একটি অংশ পিছু হটতে বাধ্য হয় এবং সংঘর্ষের মাত্রা আরও তীব্র আকার ধারণ করে।

উত্তেজিত জনতা এই সময় ব্যাপক ভাঙচুর চালায় এবং ঘটনাস্থলে থাকা সিটি করপোরেশনের একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এই অগ্নিসংযোগের ফলে গাড়িটি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায় এবং সেখানে বেশ কিছুক্ষণ বিশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় থাকে। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্য সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালান।