ঢাকা ০৮:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo শুটিংয়ে নেকড়ের আক্রমণ! মাইনাস ৪০ ডিগ্রিতে নায়িকার সঙ্গে কী ঘটেছিল Logo এক দিনেই ৬১ বিলিয়ন ডলার সম্পদ বাড়ল ইলন মাস্কের Logo গাজীপুরে গার্মেন্টসে আগুন: সাড়ে ৩ ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণে, উদ্ধার ৬৯ জন Logo কমছে মানুষের চিন্তার ক্ষমতা, চ্যাটজিপিটি ব্যবহারে নতুন সতর্কতা Logo সকালে খেলতে বেরিয়ে নিখোঁজ শিশু, দুপুরে মিলল বস্তাবন্দী গলাকাটা লাশ Logo কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশন ঘেরাওয়ের চেষ্টা, উত্তেজনা Logo ময়মনসিংহে ৭ জন নিহতের ঘটনায় বাসচালককে আসামি করে মামলা Logo ১৩.৮ বিলিয়ন বছর বয়সী মহাবিশ্ব কীভাবে ৯৩ বিলিয়ন আলোকবর্ষজুড়ে বিস্তৃত Logo গাজীপুরে গার্মেন্টসে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিট Logo ফ্লাইদুবাইয়ের ক্যাপ্টেনকে ‘কুড়াল দিয়ে আঘাত করেছিলেন কো-পাইলট’

গাজীপুরে গার্মেন্টসে আগুন: সাড়ে ৩ ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণে, উদ্ধার ৬৯ জন

গাজীপুর মহানগরের ডেগেরচালা ফকির মার্কেট এলাকায় অবস্থিত মেট্রিক্স গার্মেন্টসের একটি বহুতল কারখানার গুদামে হঠাৎ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ভবনটির সাততলা ভবনের তৃতীয় তলায় এই আগুন লাগার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলের দিকে রওনা দেন। ছুটির দিন বা কাজের সময়ের এই আকস্মিক দুর্ঘটনায় কারখানার ভেতরে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং তাৎক্ষণিকভাবে কেউ কেউ বাইরে বের হতে না পেরে ভেতরে আটকা পড়েন।

প্রাথমিকভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে গাজীপুর চৌরাস্তা মডার্ন ফায়ার স্টেশনের তিনটি ইউনিট কাজ শুরু করলেও আগুনের তীব্রতা দ্রুত বৃদ্ধি পেতে থাকে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তীতে কোনাবাড়ি, গাজীপুর ও রাজেন্দ্রপুর ফায়ার স্টেশনের আরও ছয়টি ইউনিট যোগ দেয় এবং মোট নয়টি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেয়। তীব্র ধোঁয়া ও আগুনের লেলিহান শিখার কারণে ভবনের ভেতর ও ছাদে অনেকেই আটকা পড়েছিলেন, যাদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের বিশেষ রেসকিউ ভেহিকেল ব্যবহার করা হয়।

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপপরিচালক সালাউদ্দিন আহমেদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত দীর্ঘ সাড়ে তিন ঘণ্টার অভিযানে ভবনের ভেতর ও ছাদ থেকে মোট উনসত্তর জন আটকে পড়া কর্মীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল কাঁচঘেরা থাকায় এবং ভেতরে প্রচুর পরিমাণে কাপড় থাকায় আগুন নেভানোর কাজ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা চরম ধৈর্য ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে এবং বিশেষ কৌশল প্রয়োগ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন।

উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত হলেও গুদামের ভেতরে থাকা কাপড়ের স্তূপের কারণে সম্পূর্ণ আগুন নির্বাপণ করা সময়সাপেক্ষ ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, কারখানায় নিজস্ব কোনো অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না এবং আশপাশে পানির কোনো উৎস না থাকায় তাদের বেশ বেগ পেতে হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, তবে সম্পূর্ণ আগুন নিভিয়ে ফেলার পর অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ ও কারখানার নিরাপত্তা ব্যবস্থার ত্রুটি খতিয়ে দেখতে তদন্ত করা হবে।

জনপ্রিয়

শুটিংয়ে নেকড়ের আক্রমণ! মাইনাস ৪০ ডিগ্রিতে নায়িকার সঙ্গে কী ঘটেছিল

গাজীপুরে গার্মেন্টসে আগুন: সাড়ে ৩ ঘণ্টায় নিয়ন্ত্রণে, উদ্ধার ৬৯ জন

প্রকাশিত ০৭:৩০:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

গাজীপুর মহানগরের ডেগেরচালা ফকির মার্কেট এলাকায় অবস্থিত মেট্রিক্স গার্মেন্টসের একটি বহুতল কারখানার গুদামে হঠাৎ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ভবনটির সাততলা ভবনের তৃতীয় তলায় এই আগুন লাগার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলের দিকে রওনা দেন। ছুটির দিন বা কাজের সময়ের এই আকস্মিক দুর্ঘটনায় কারখানার ভেতরে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং তাৎক্ষণিকভাবে কেউ কেউ বাইরে বের হতে না পেরে ভেতরে আটকা পড়েন।

প্রাথমিকভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে গাজীপুর চৌরাস্তা মডার্ন ফায়ার স্টেশনের তিনটি ইউনিট কাজ শুরু করলেও আগুনের তীব্রতা দ্রুত বৃদ্ধি পেতে থাকে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তীতে কোনাবাড়ি, গাজীপুর ও রাজেন্দ্রপুর ফায়ার স্টেশনের আরও ছয়টি ইউনিট যোগ দেয় এবং মোট নয়টি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেয়। তীব্র ধোঁয়া ও আগুনের লেলিহান শিখার কারণে ভবনের ভেতর ও ছাদে অনেকেই আটকা পড়েছিলেন, যাদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের বিশেষ রেসকিউ ভেহিকেল ব্যবহার করা হয়।

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপপরিচালক সালাউদ্দিন আহমেদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত দীর্ঘ সাড়ে তিন ঘণ্টার অভিযানে ভবনের ভেতর ও ছাদ থেকে মোট উনসত্তর জন আটকে পড়া কর্মীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল কাঁচঘেরা থাকায় এবং ভেতরে প্রচুর পরিমাণে কাপড় থাকায় আগুন নেভানোর কাজ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা চরম ধৈর্য ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে এবং বিশেষ কৌশল প্রয়োগ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন।

উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত হলেও গুদামের ভেতরে থাকা কাপড়ের স্তূপের কারণে সম্পূর্ণ আগুন নির্বাপণ করা সময়সাপেক্ষ ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, কারখানায় নিজস্ব কোনো অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না এবং আশপাশে পানির কোনো উৎস না থাকায় তাদের বেশ বেগ পেতে হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, তবে সম্পূর্ণ আগুন নিভিয়ে ফেলার পর অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ ও কারখানার নিরাপত্তা ব্যবস্থার ত্রুটি খতিয়ে দেখতে তদন্ত করা হবে।