ঢাকা ০৩:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo চট্টগ্রামে দেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক, উদ্বোধন করলেন অর্থমন্ত্রী Logo শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল: ৪টি গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং প্রতিষ্ঠানকে মনোনীত করল জাপানি কনসোর্টিয়াম Logo ৪৯তম বিসিএসে ৬৫১ জনকে নিয়োগ, যোগদানের সময় জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয় Logo মঙ্গল গ্রহের বিরল ছবি তুলল নাসা Logo ‘চাঁদা না পেয়ে’ ট্রাক এনে লুটপাট; সরকার কেন চাঁদাবাজি-দখল থামাতে পারছে না? Logo চট্টগ্রাম বন্দরে বিদেশি অপারেটর: চুক্তিতে কী আছে Logo রাজধানী ঢাকায় ৩২ বাস রুটে ফ্র্যাঞ্চাইজি, ৭ কার্যদিবসের মধ্যে শুরু Logo গণভোটের রায় পাশ কাটিয়ে সংবিধান সংশোধন মানবে না জামায়াত, জোরদার করবে রাজপথের আন্দোলন Logo নাগরিকদের দৈনিক চাহিদা পূরণে কাজ করছে সরকার: অর্থমন্ত্রী Logo তৃণমূলের ১০ বিধায়কের পদ বাতিলের আবেদন খারিজ করলেন স্পিকার

‘চাঁদা না পেয়ে’ ট্রাক এনে লুটপাট; সরকার কেন চাঁদাবাজি-দখল থামাতে পারছে না?

জাতীয় ডেস্ক: দেশের বিভিন্ন স্থানে মাটি কাটা এবং খনন কাজের পর থেকেই শুরু হয় অবৈধ অর্থ আদায়ের প্রক্রিয়া। স্থানীয় প্রভাবশালী ও বিভিন্ন চক্রের তৎপরতার কারণে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা চরম বিপাকে পড়েছেন। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভুক্তভোগীরা একাধিকবার সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করেও কোনো স্থায়ী সমাধান পাননি। বারবার সালিশ বা সমঝোতার চেষ্টা করা হলেও চাঁদাবাজির এই দুষ্টচক্র থেকে মুক্তি মিলছে না বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগী ও ব্যবসায়ীদের ভাষ্যমতে, চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্য এতটাই তীব্র যে নির্দিষ্ট সময় পরপর নতুন নতুন মুখ এসে চাঁদার দাবি নিয়ে হাজির হয়। পূর্বের কারো সঙ্গে সমঝোতা হলেও নতুন চক্র এসে পুনরায় একই হয়রানি শুরু করে। এর ফলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং জননিরাপত্তা নিয়ে জনমনে বড় ধরনের প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারি বাড়ানোর কথা বলা হলেও মাঠপর্যায়ে এর সুফল মিলছে না বললেই চলে।

এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রমের কারণে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে পরিবহন খাত এবং ছোট-বড় উন্নয়নমূলক কাজের প্রারম্ভিক পর্যায়ে এই দৌরাত্ম্য প্রকট আকার ধারণ করে। সংশ্লিষ্ট মহলের উদাসীনতা অথবা কার্যকর পদক্ষেপের অভাবকে এজন্য দায়ী করছেন অনেকে। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কেন এই নৈরাজ্য ও দখলদারিত্বের সংস্কৃতি সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করা সম্ভব হচ্ছে না।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা। অন্যথায় সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িতদের রাজনৈতিক বা অন্য কোনো পরিচয় না দেখে নিরপেক্ষভাবে দমন করার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয়

চট্টগ্রামে দেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক, উদ্বোধন করলেন অর্থমন্ত্রী

‘চাঁদা না পেয়ে’ ট্রাক এনে লুটপাট; সরকার কেন চাঁদাবাজি-দখল থামাতে পারছে না?

প্রকাশিত ০২:০০:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক: দেশের বিভিন্ন স্থানে মাটি কাটা এবং খনন কাজের পর থেকেই শুরু হয় অবৈধ অর্থ আদায়ের প্রক্রিয়া। স্থানীয় প্রভাবশালী ও বিভিন্ন চক্রের তৎপরতার কারণে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা চরম বিপাকে পড়েছেন। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভুক্তভোগীরা একাধিকবার সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করেও কোনো স্থায়ী সমাধান পাননি। বারবার সালিশ বা সমঝোতার চেষ্টা করা হলেও চাঁদাবাজির এই দুষ্টচক্র থেকে মুক্তি মিলছে না বলে অভিযোগ রয়েছে।

ভুক্তভোগী ও ব্যবসায়ীদের ভাষ্যমতে, চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্য এতটাই তীব্র যে নির্দিষ্ট সময় পরপর নতুন নতুন মুখ এসে চাঁদার দাবি নিয়ে হাজির হয়। পূর্বের কারো সঙ্গে সমঝোতা হলেও নতুন চক্র এসে পুনরায় একই হয়রানি শুরু করে। এর ফলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং জননিরাপত্তা নিয়ে জনমনে বড় ধরনের প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারি বাড়ানোর কথা বলা হলেও মাঠপর্যায়ে এর সুফল মিলছে না বললেই চলে।

এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রমের কারণে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে পরিবহন খাত এবং ছোট-বড় উন্নয়নমূলক কাজের প্রারম্ভিক পর্যায়ে এই দৌরাত্ম্য প্রকট আকার ধারণ করে। সংশ্লিষ্ট মহলের উদাসীনতা অথবা কার্যকর পদক্ষেপের অভাবকে এজন্য দায়ী করছেন অনেকে। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, কেন এই নৈরাজ্য ও দখলদারিত্বের সংস্কৃতি সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করা সম্ভব হচ্ছে না।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা। অন্যথায় সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িতদের রাজনৈতিক বা অন্য কোনো পরিচয় না দেখে নিরপেক্ষভাবে দমন করার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।