ঢাকা ০৮:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo আলেমদের নিজস্ব রাজনীতি করতে হবে, অন্যের গেমের গুটি হওয়া যাবে না Logo মা হওয়ার পর লন্ডনের রাস্তায় ক্যাটরিনার নজরকাড়া স্টাইল Logo ক্ষমতার জন্য নয়, রাজনীতি হতে হবে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য: মঈন খান Logo জামায়াত আমিরের মানবতাবিরোধী অপরাধেও এনসিপি নীরব কেন, প্রশ্ন রাশেদ খাঁনের Logo বিমানবন্দরে ‘ডিআইজি’ পরিচয় দিয়ে ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার, অতিরিক্ত ডিআইজি বরখাস্ত Logo যে কারণে ডা. জুবাইদা রহমানকে ধন্যবাদ জানালেন চিফ হুইপ Logo একটি বড় দলের সাধারণ সম্পাদকের ৭০০ অটোরিকশা রয়েছে: ডিএনসিসি প্রশাসক Logo সাত দফা দাবিতে ৩১ অক্টোবর ঢাকা-খুলনা-যশোর-কুষ্টিয়া মহাসড়কে লংমার্চ Logo মাদ্রাসাসহ পুরো শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণের দাবি বিএমজিটিএর Logo সব ধর্মের মানুষের মিলেমিশে বসবাসের আহ্বান পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর

জামায়াত আমিরের মানবতাবিরোধী অপরাধেও এনসিপি নীরব কেন, প্রশ্ন রাশেদ খাঁনের

রাজনীতি ডেস্ক: জামায়াতের আমিরের পক্ষ থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধআওয়ামী লীগকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার প্রসঙ্গ টেনে এনে তীব্র সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। তাঁর মতে, এ ধরনের বক্তব্য স্পষ্টতই মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল। সম্প্রতি মাগুরায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শহীদ মেহেদী হাসান সাব্বিরের পরিবারের খোঁজখবর নেওয়ার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই জোরালো মন্তব্য করেন। এ সময় তিনি দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং বিভিন্ন দলের ভূমিকা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে রাশেদ খাঁন জানতে চান যে, জামায়াত আমিরের এমন বক্তব্যের পর দলটির শীর্ষ নেতারা কেন সম্পূর্ণ নীরব রইলেন। ক্ষমতার ভাগ-বাটোয়ারা ঠিকঠাক হয়ে যাওয়ার কারণেই তারা মুখ বন্ধ রেখেছেন কি না, সেই সংশয়ও প্রকাশ করেন তিনি। জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে একটি নতুন রাজনৈতিক শক্তি গড়ে উঠবে এমন প্রত্যাশা থাকলেও দলটি সেই আশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ। এমনকি জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানকে পুঁজি করে দল গঠন ও বিলাসী জীবনযাপনের অভিযোগও তোলেন এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।

শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার সাম্প্রতিক রাজনৈতিক তৎপরতা এবং দেশে ফেরার গুঞ্জন প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান যে, আওয়ামী লীগ বর্তমানে একটি সম্পূর্ণ পলাতক শক্তি। তারা যদি এতটা শক্তিশালীই হতো, তবে দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হতো না। সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরলে তাঁর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এ দেশের জনগণ তাঁকে কোনোভাবেই ছাড় দেবে না। এ ছাড়া, ভারতের মাটিতে বসে শেখ হাসিনাকে এখনো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ভারতের এমন দ্বিমুখী নীতি দুই দেশের সম্পর্কের জন্য সহায়ক নয়।

ভারত সরকারকে উদ্দেশ্য করে রাশেদ খাঁন আরও বলেন, শেখ হাসিনাকে অবিলম্বে বাংলাদেশের নিকট হস্তান্তর করতে হবে, অন্যথায় দুই দেশের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা অসম্ভব হয়ে পড়বে। এই বিষয়ে দেশের জনগণ কখনোই আপস করবে না বলে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। পাশাপাশি, এনসিপির আরেক নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সমালোচনায় তিনি বলেন, সম্মানিত ব্যক্তিদের নিয়ে কটূক্তি এবং তাঁদের হেয় করার প্রবণতা কোনোভাবেই বরদাশত করা যায় না। জামায়াত ও এনসিপির উচিত অবিলম্বে ওই নেতার বেফাঁস মন্তব্যের লাগাম টেনে ধরা, নতুবা সাধারণ জনগণই এর উপযুক্ত জবাব দেবে।

জনপ্রিয়

আলেমদের নিজস্ব রাজনীতি করতে হবে, অন্যের গেমের গুটি হওয়া যাবে না

জামায়াত আমিরের মানবতাবিরোধী অপরাধেও এনসিপি নীরব কেন, প্রশ্ন রাশেদ খাঁনের

প্রকাশিত ০৭:১৭:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: জামায়াতের আমিরের পক্ষ থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধআওয়ামী লীগকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার প্রসঙ্গ টেনে এনে তীব্র সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। তাঁর মতে, এ ধরনের বক্তব্য স্পষ্টতই মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল। সম্প্রতি মাগুরায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শহীদ মেহেদী হাসান সাব্বিরের পরিবারের খোঁজখবর নেওয়ার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই জোরালো মন্তব্য করেন। এ সময় তিনি দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং বিভিন্ন দলের ভূমিকা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে রাশেদ খাঁন জানতে চান যে, জামায়াত আমিরের এমন বক্তব্যের পর দলটির শীর্ষ নেতারা কেন সম্পূর্ণ নীরব রইলেন। ক্ষমতার ভাগ-বাটোয়ারা ঠিকঠাক হয়ে যাওয়ার কারণেই তারা মুখ বন্ধ রেখেছেন কি না, সেই সংশয়ও প্রকাশ করেন তিনি। জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে একটি নতুন রাজনৈতিক শক্তি গড়ে উঠবে এমন প্রত্যাশা থাকলেও দলটি সেই আশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ। এমনকি জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানকে পুঁজি করে দল গঠন ও বিলাসী জীবনযাপনের অভিযোগও তোলেন এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।

শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার সাম্প্রতিক রাজনৈতিক তৎপরতা এবং দেশে ফেরার গুঞ্জন প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান যে, আওয়ামী লীগ বর্তমানে একটি সম্পূর্ণ পলাতক শক্তি। তারা যদি এতটা শক্তিশালীই হতো, তবে দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হতো না। সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরলে তাঁর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এ দেশের জনগণ তাঁকে কোনোভাবেই ছাড় দেবে না। এ ছাড়া, ভারতের মাটিতে বসে শেখ হাসিনাকে এখনো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ভারতের এমন দ্বিমুখী নীতি দুই দেশের সম্পর্কের জন্য সহায়ক নয়।

ভারত সরকারকে উদ্দেশ্য করে রাশেদ খাঁন আরও বলেন, শেখ হাসিনাকে অবিলম্বে বাংলাদেশের নিকট হস্তান্তর করতে হবে, অন্যথায় দুই দেশের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা অসম্ভব হয়ে পড়বে। এই বিষয়ে দেশের জনগণ কখনোই আপস করবে না বলে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। পাশাপাশি, এনসিপির আরেক নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সমালোচনায় তিনি বলেন, সম্মানিত ব্যক্তিদের নিয়ে কটূক্তি এবং তাঁদের হেয় করার প্রবণতা কোনোভাবেই বরদাশত করা যায় না। জামায়াত ও এনসিপির উচিত অবিলম্বে ওই নেতার বেফাঁস মন্তব্যের লাগাম টেনে ধরা, নতুবা সাধারণ জনগণই এর উপযুক্ত জবাব দেবে।