অপরাধ ডেস্ক: মিয়ানমারের একটি স্ক্যাম কম্পাউন্ড থেকে পালিয়ে থাইল্যান্ডে আশ্রয় নেওয়া তিন বাংলাদেশি নাগরিক সম্প্রতি দেশে ফিরে আসছেন। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তাদের ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। ভুক্তভোগী তিন বাংলাদেশি নাগরিক হলেন মো. সাইদুর রহমান, রবিউল ও মো. সোহেল রানা।
ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে অনির্বাণ সারভাইভার ভয়েস ফাউন্ডেশন নামের একটি সংগঠন তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ গ্রহণ করে। এই উদ্দেশ্যে গত ২৪ আগস্ট প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডে প্রয়োজনীয় সহায়তার জন্য আবেদন করা হয়। ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে ব্যাংককস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা দেয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
জানা গেছে, জনশক্তি কর্মসংস্থানের ছাড়পত্র নিয়ে কম্বোডিয়া ও লাওসে যাওয়ার পর মানবপাচারকারী চক্র তাদের অস্ত্রের মুখে মিয়ানমারে জিম্মি করে। সেখানে চীনা নাগরিকদের নিয়ন্ত্রিত স্ক্যাম কম্পাউন্ডে বিক্রি করে তাদের জোরপূর্বক অনলাইন প্রতারণার কাজে বাধ্য করা হতো। লক্ষ্য পূরণ করতে না পারলে তাদের ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হতো বলে অভিযোগে প্রকাশ পায়।
পরে ভুক্তভোগীরা কৌশলে ওই কম্পাউন্ড থেকে পালিয়ে মিয়ানমার সীমান্ত পেরিয়ে থাইল্যান্ডে প্রবেশ করেন। অবৈধ অনুপ্রবেশকারী হিসেবে থাইল্যান্ডের মে-সট ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করার পর তারা সেফ হোমে অবস্থান করছিলেন। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে মিয়ানমারের সাইবার স্ক্যাম সেন্টার থেকে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরে এসেছিলেন।





































