ঢাকা ০৪:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ

বাড়িতে অভিযানে আটক ৮৪, সেই অতিরিক্ত ডিআইজি ওএসডি

অপরাধ ডেস্ক: রাজধানীর খিলক্ষেতে অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহিরের ভাড়া দেওয়া একটি বাড়ি থেকে মাদকদ্রব্যসহ ৮৪ জনকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে গত মঙ্গলবার ভোরে উত্তরা গোয়েন্দা বিভাগের একটি দল ওই তিনতলা বাড়িতে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে। দীর্ঘ অভিযানে ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা, গাঁজা, মদ এবং মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, আটকদের মধ্যে ২৬ জন নারী এবং ৫৮ জন পুরুষ রয়েছেন এবং তাদের মধ্যে একজন বিদেশি নাগরিকও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, খিলক্ষেত থানার পুলিশ হাউজিং-১ এলাকায় অবস্থিত ওই বাড়িতে বেশ কিছুদিন ধরে নিয়মিত ডিজে পার্টি ও অবৈধ মাদকের কারবার চলে আসছিল। এই অবৈধ কর্মকাণ্ডের খবর পাওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সেখানে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে হাতেনাতে সবাইকে ধরে ফেলে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এয়ারবিএনবি প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বাড়িটি ভাড়া দেওয়া হয়েছিল এবং এর আড়ালে নিয়মিত অনৈতিক ও মাদক সংক্রান্ত কার্যক্রম চলত।

এই ঘটনার পরপরই পুলিশ সদর দপ্তরের রিঅ্যার অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স শাখায় কর্মরত অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহিরকে ওএসডি করা হয়েছে। পুলিশ মহাপরিদর্শক মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তাকে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয় এবং এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর করার কথা বলা হয়। ডিএমপির ডিবি প্রধান মো. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন যে, এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট সকলের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

অন্যদিকে, নিজের বাড়িতে অভিযানের বিষয়ে অতিরিক্ত ডিআইজি জহির দাবি করেছেন যে তার বাড়িটি এয়ারবিএনবি ও ট্রাভেলার প্ল্যাটফর্মে তালিকাভুক্ত রয়েছে। তিনি বলেন, জন্মদিনের অনুষ্ঠান বা গায়ে হলুদের মতো বিভিন্ন আয়োজনের জন্যই মূলত বাড়িটি ভাড়া দেওয়া হতো এবং ভাড়াটিয়াদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের দায় বাড়িওয়ালার ওপর বর্তানো উচিত নয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, অপরাধের বিষয়টি জানার পর ভাড়াটিয়াদের কালো তালিকাভুক্ত করা বা বের করে দেওয়াই একমাত্র উপায়।

জনপ্রিয়

ম্যানচেস্টার সিটির গোল উৎসবে ফোডেনের হ্যাটট্রিক

বাড়িতে অভিযানে আটক ৮৪, সেই অতিরিক্ত ডিআইজি ওএসডি

প্রকাশিত ০৩:২২:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

অপরাধ ডেস্ক: রাজধানীর খিলক্ষেতে অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহিরের ভাড়া দেওয়া একটি বাড়ি থেকে মাদকদ্রব্যসহ ৮৪ জনকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে গত মঙ্গলবার ভোরে উত্তরা গোয়েন্দা বিভাগের একটি দল ওই তিনতলা বাড়িতে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে। দীর্ঘ অভিযানে ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা, গাঁজা, মদ এবং মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, আটকদের মধ্যে ২৬ জন নারী এবং ৫৮ জন পুরুষ রয়েছেন এবং তাদের মধ্যে একজন বিদেশি নাগরিকও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, খিলক্ষেত থানার পুলিশ হাউজিং-১ এলাকায় অবস্থিত ওই বাড়িতে বেশ কিছুদিন ধরে নিয়মিত ডিজে পার্টি ও অবৈধ মাদকের কারবার চলে আসছিল। এই অবৈধ কর্মকাণ্ডের খবর পাওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সেখানে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে হাতেনাতে সবাইকে ধরে ফেলে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এয়ারবিএনবি প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বাড়িটি ভাড়া দেওয়া হয়েছিল এবং এর আড়ালে নিয়মিত অনৈতিক ও মাদক সংক্রান্ত কার্যক্রম চলত।

এই ঘটনার পরপরই পুলিশ সদর দপ্তরের রিঅ্যার অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স শাখায় কর্মরত অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহিরকে ওএসডি করা হয়েছে। পুলিশ মহাপরিদর্শক মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তাকে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয় এবং এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর করার কথা বলা হয়। ডিএমপির ডিবি প্রধান মো. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন যে, এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট সকলের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

অন্যদিকে, নিজের বাড়িতে অভিযানের বিষয়ে অতিরিক্ত ডিআইজি জহির দাবি করেছেন যে তার বাড়িটি এয়ারবিএনবি ও ট্রাভেলার প্ল্যাটফর্মে তালিকাভুক্ত রয়েছে। তিনি বলেন, জন্মদিনের অনুষ্ঠান বা গায়ে হলুদের মতো বিভিন্ন আয়োজনের জন্যই মূলত বাড়িটি ভাড়া দেওয়া হতো এবং ভাড়াটিয়াদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের দায় বাড়িওয়ালার ওপর বর্তানো উচিত নয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, অপরাধের বিষয়টি জানার পর ভাড়াটিয়াদের কালো তালিকাভুক্ত করা বা বের করে দেওয়াই একমাত্র উপায়।