ঢাকা ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

বর্ষসেরা কোচ দে লা ফুয়েন্তে

খেলা ডেস্ক: স্পেনকে বিশ্বকাপ ফুটবলের শিরোপা এনে দিয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যালন দ’রের বর্ষসেরা কোচের পুরস্কার অর্জন করেছেন লুইস দে লা ফুয়েন্তে। লন্ডনের প্যালাডিয়াম থিয়েটারে অনুষ্ঠিত এক জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে ৬৫ বছর বয়সি এই অভিজ্ঞ কোচের হাতে ট্রফিটি তুলে দেওয়া হয়। লুইস এনরিকে ও মিকেল আর্তেতার মতো সফল কোচদের পেছনে ফেলে তিনি এই শীর্ষস্থান দখল করেন। এছাড়া এই লড়াইয়ে আরও যুক্ত ছিলেন উনাই এমেরি এবং ভেসোঁ কম্পানির মতো নামী কোচরা।

দে লা ফুয়েন্তের অধীনে উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ আসরে কোনো হার ছাড়াই চ্যাম্পিয়নের ট্রফি উঁচিয়ে ধরে স্পেন। গোটা টুর্নামেন্টজুড়ে দুর্দান্ত ও আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দিয়ে মাত্র একটিমাত্র গোল হজম করেছিল দলটি। এমনকি ফাইনাল ম্যাচে তাদের অসাধারণ আধিপত্যের মুখে পড়ে প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা গোলবারের উদ্দেশ্যে একটি শটও রাখতে পারেনি। এই দারুণ সাফল্যের ফলেই মূলত বর্ষসেরা কোচের দৌড়ে সবার চেয়ে এগিয়ে যান তিনি।

অন্যদিকে পুরুষ বিভাগের বাইরে নারীদের ফুটবলে ইয়োহান ক্রুইফ ট্রফি জিতেছেন পেরে রোমেউ। বার্সেলোনা নারী দলের সাবেক এই কোচের অধীনে গত মৌসুমে দলটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও ঘরোয়া লিগসহ মোট চারটি শিরোপা ঘরে তোলে। কোপা দে লা রেইনা এবং সুপার কাপ জয়ের মাধ্যমে বার্সেলোনার নারী ফুটবল দল দারুণ এক ইতিহাস গড়েছিল। পেরে রোমেউয়ের এই অর্জন নারী ফুটবল দলের সাফল্যের মুকুটে এক নতুন মাত্রা যোগ করে।

ফুটবল বিশ্বে কোচেদের এই স্বীকৃতি বৈশ্বিক ক্রীড়াঙ্গনে তাদের অসাধারণ অবদানকে যথাযথ মূল্যায়ন করে। দে লা ফুয়েন্তের এই সাফল্য স্প্যানিশ ফুটবলকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। কোচ হিসেবে তার এই অনন্য অর্জন ভবিষ্যতের তরুণ কোচদের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।

জনপ্রিয়

মৌসুম সেরা ক্লাব পিএসজি

বর্ষসেরা কোচ দে লা ফুয়েন্তে

প্রকাশিত ০৪:০৭:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

খেলা ডেস্ক: স্পেনকে বিশ্বকাপ ফুটবলের শিরোপা এনে দিয়ে মর্যাদাপূর্ণ ব্যালন দ’রের বর্ষসেরা কোচের পুরস্কার অর্জন করেছেন লুইস দে লা ফুয়েন্তে। লন্ডনের প্যালাডিয়াম থিয়েটারে অনুষ্ঠিত এক জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে ৬৫ বছর বয়সি এই অভিজ্ঞ কোচের হাতে ট্রফিটি তুলে দেওয়া হয়। লুইস এনরিকে ও মিকেল আর্তেতার মতো সফল কোচদের পেছনে ফেলে তিনি এই শীর্ষস্থান দখল করেন। এছাড়া এই লড়াইয়ে আরও যুক্ত ছিলেন উনাই এমেরি এবং ভেসোঁ কম্পানির মতো নামী কোচরা।

দে লা ফুয়েন্তের অধীনে উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ আসরে কোনো হার ছাড়াই চ্যাম্পিয়নের ট্রফি উঁচিয়ে ধরে স্পেন। গোটা টুর্নামেন্টজুড়ে দুর্দান্ত ও আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দিয়ে মাত্র একটিমাত্র গোল হজম করেছিল দলটি। এমনকি ফাইনাল ম্যাচে তাদের অসাধারণ আধিপত্যের মুখে পড়ে প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা গোলবারের উদ্দেশ্যে একটি শটও রাখতে পারেনি। এই দারুণ সাফল্যের ফলেই মূলত বর্ষসেরা কোচের দৌড়ে সবার চেয়ে এগিয়ে যান তিনি।

অন্যদিকে পুরুষ বিভাগের বাইরে নারীদের ফুটবলে ইয়োহান ক্রুইফ ট্রফি জিতেছেন পেরে রোমেউ। বার্সেলোনা নারী দলের সাবেক এই কোচের অধীনে গত মৌসুমে দলটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও ঘরোয়া লিগসহ মোট চারটি শিরোপা ঘরে তোলে। কোপা দে লা রেইনা এবং সুপার কাপ জয়ের মাধ্যমে বার্সেলোনার নারী ফুটবল দল দারুণ এক ইতিহাস গড়েছিল। পেরে রোমেউয়ের এই অর্জন নারী ফুটবল দলের সাফল্যের মুকুটে এক নতুন মাত্রা যোগ করে।

ফুটবল বিশ্বে কোচেদের এই স্বীকৃতি বৈশ্বিক ক্রীড়াঙ্গনে তাদের অসাধারণ অবদানকে যথাযথ মূল্যায়ন করে। দে লা ফুয়েন্তের এই সাফল্য স্প্যানিশ ফুটবলকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। কোচ হিসেবে তার এই অনন্য অর্জন ভবিষ্যতের তরুণ কোচদের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।