ঢাকা ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ইউসিবি, মাস্টারকার্ড ও গ্রামীণফোন আনছে স্টিকার পেমেন্ট কার্ড Logo ইসরায়েলের ভোটের দিনে পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ব্যাপক প্রতিবাদ মিছিল Logo অর্থাভাবে ধুঁকছে গবেষণাকেন্দ্র, অনিশ্চয়তায় সাপের বিষের প্রতিষেধক তৈরি Logo নিউ ইয়র্ক ট্রাফিক পুলিশ ইউনিয়নের সম্পাদক সাঈদ গ্রেপ্তার Logo এক বছর পর ফিরে ইজাজের দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড, রাশিদ ‘১৯৯’ Logo জাপান সফরে কৌশলগত অংশীদারত্ব জোরদারে ‘গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি’ হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী Logo লিবিয়ায় বাংলাদেশিদের পরিস্থিতি নিয়ে সেনাপ্রধানের সঙ্গে রাষ্ট্রদূতের বৈঠক Logo সরকার ধীরে ধীরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের মতো স্বৈরাচারী হয়ে উঠছে: নাহিদ ইসলাম Logo গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি Logo সিডনিতে ডেপুটি মেয়র এলিজা রহমানকে প্রবাসীদের সংবর্ধনা

বিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেই

অর্থনীতি ডেস্ক: চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে বিদেশি ঋণছাড়ের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর সময়ে অর্থছাড় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪২ দশমিক ৩৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। আলোচ্য প্রথম প্রান্তিকে মোট ৬৬ কোটি ২৩ লাখ ডলারের ঋণ ছাড় হয়েছে, যা আগের অর্থবছরে ছিল ১১৪ কোটি ৮৬ লাখ ডলার।

অর্থছাড় কমে যাওয়ার বিপরীতে পুরোনো ঋণের সুদ ও আসল পরিশোধের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রকাশিত তথ্য অনুসারে, ছাড় হওয়া ঋণের দ্বিগুণেরও বেশি অর্থাৎ ১৩৫ কোটি ১২ লাখ ডলার ব্যয় হয়েছে আগের নেওয়া ঋণের পরিশোধ বাবদ। এর মধ্যে শুধু আসল বাবদ পরিশোধ করা হয়েছে ৮৫ কোটি ১৯৮ লাখ ডলার এবং সুদ বাবদ গেছে ৪৯ কোটি ২৩ লাখ ১০ হাজার ডলার।

বিশ্ব ব্যাংক ও এডিবিসহ ভারত, চীন, রাশিয়া এবং এআইআইবি চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে নতুন কোনো ঋণের প্রতিশ্রুতি দেয়নি। এই ছয় প্রধান উন্নয়ন সহযোগী ও দেশের পক্ষ থেকে নতুন প্রতিশ্রুতি না আসায় নতুন কোনো প্রকল্প চূড়ান্ত হয়নি। তবে এই দেশ ও সংস্থাগুলো প্রতিশ্রুতি না দিলেও পূর্বে নেওয়া ঋণের অর্থছাড় প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে।

বিশ্ব ব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন মনে করেন, অতীতের মেগা প্রকল্প ও বাজেট সহায়তার গ্রেস পিরিয়ড শেষ হওয়ায় পরিশোধের চাপ তৈরি হয়েছে। তিনি সরকারের নগদ ডলারের জোগান বাড়াতে প্রকল্পের পরিবর্তে বাজেট সহায়তার দিকে বেশি জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সুরক্ষায় কম সুদের বিদেশি ঋণের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথাও বলেছেন তিনি।

জনপ্রিয়

ইউসিবি, মাস্টারকার্ড ও গ্রামীণফোন আনছে স্টিকার পেমেন্ট কার্ড

বিদেশি ঋণ কমেছে ৪২.৩৪%, ছয় উন্নয়ন সহযোগীর প্রতিশ্রুতি নেই

প্রকাশিত ১২:৫২:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে বিদেশি ঋণছাড়ের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর সময়ে অর্থছাড় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪২ দশমিক ৩৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। আলোচ্য প্রথম প্রান্তিকে মোট ৬৬ কোটি ২৩ লাখ ডলারের ঋণ ছাড় হয়েছে, যা আগের অর্থবছরে ছিল ১১৪ কোটি ৮৬ লাখ ডলার।

অর্থছাড় কমে যাওয়ার বিপরীতে পুরোনো ঋণের সুদ ও আসল পরিশোধের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রকাশিত তথ্য অনুসারে, ছাড় হওয়া ঋণের দ্বিগুণেরও বেশি অর্থাৎ ১৩৫ কোটি ১২ লাখ ডলার ব্যয় হয়েছে আগের নেওয়া ঋণের পরিশোধ বাবদ। এর মধ্যে শুধু আসল বাবদ পরিশোধ করা হয়েছে ৮৫ কোটি ১৯৮ লাখ ডলার এবং সুদ বাবদ গেছে ৪৯ কোটি ২৩ লাখ ১০ হাজার ডলার।

বিশ্ব ব্যাংক ও এডিবিসহ ভারত, চীন, রাশিয়া এবং এআইআইবি চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে নতুন কোনো ঋণের প্রতিশ্রুতি দেয়নি। এই ছয় প্রধান উন্নয়ন সহযোগী ও দেশের পক্ষ থেকে নতুন প্রতিশ্রুতি না আসায় নতুন কোনো প্রকল্প চূড়ান্ত হয়নি। তবে এই দেশ ও সংস্থাগুলো প্রতিশ্রুতি না দিলেও পূর্বে নেওয়া ঋণের অর্থছাড় প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে।

বিশ্ব ব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন মনে করেন, অতীতের মেগা প্রকল্প ও বাজেট সহায়তার গ্রেস পিরিয়ড শেষ হওয়ায় পরিশোধের চাপ তৈরি হয়েছে। তিনি সরকারের নগদ ডলারের জোগান বাড়াতে প্রকল্পের পরিবর্তে বাজেট সহায়তার দিকে বেশি জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সুরক্ষায় কম সুদের বিদেশি ঋণের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথাও বলেছেন তিনি।