ঢাকা ০১:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ‘আগামী অধিবেশনেই পাস হবে সৌরবিদ্যুৎ আইন’ Logo সরকার পতন আন্দোলনের হুমকি জামায়াত আমিরের Logo ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’, আঘাত হানবে কোথায়? Logo ‘পিছিয়ে থাকা’ ৩ পার্বত্য জেলা আর লম্বা পরীক্ষায় ফল খারাপ চট্টগ্রামে! Logo ‘এবারের এইচএসসির ফলাফলই প্রকৃত চিত্র, বিএনপি সরকারকে সাধুবাদ’ Logo এইচএসসির সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ, সুযোগ পাবেন যারা Logo ভালো উদ্যোগগুলো অনেক ক্ষেত্রে সংবাদে যথাযথভাবে উঠে আসে না: গণপূর্তমন্ত্রী Logo পিআরএবির সভাপতি ইয়াহিয়া, সম্পাদক নজরুল Logo লংমার্চ বাদ দিয়ে সংবিধান সংস্কারে আলোচনায় বসার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর Logo ‘আবু খালেদ পাঠান সাহিত্য পুরস্কার’ পেলেন আনোয়ার-মাসুম

আমার গান ভালো না লাগলে শুনবেন না, কেন বললন সেলেনা গোমেজ

বিনোদন ডেস্ক: অতিরিক্ত মাত্রায় নিকোটিন ভেপ সেবনের ফলে কণ্ঠস্বরে স্থায়ী পরিবর্তন এসেছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন জনপ্রিয় গায়িকা ও অভিনেত্রী সেলেনা গোমেজ। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে ভক্ত ও অনুরাগীদের কাছে এই ক্ষতিকর দিকটি তুলে ধরেছেন তিনি। ভেপিংয়ের মতো ক্ষতিকর অভ্যাস ছেড়ে দেওয়ার কঠিন সংগ্রামের কথা জানিয়ে তিনি তরুণ প্রজন্মকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে লুপাস নামক অটোইমিউন রোগে আক্রান্ত এই তারকা মনে করেন, ভেপ ব্যবহারের সিদ্ধান্তটি ছিল একটি মস্ত বড় বোকামি।

ভিডিওটিতে ৩৪ বছর বয়সি এই তারকা আরও যোগ করেন যে তিনি হয়তো আর কোনোদিনই তার আগের পুরনো গলার স্বরে ফিরে যেতে পারবেন না। যারা তার বর্তমান কণ্ঠস্বর পছন্দ করছেন না, তাদের উদ্দেশ্যে তিনি রসিকতার সুরে জানান যে তা স্বাভাবিক এবং ভালো না লাগলে তার গান না শোনার পরামর্শ দেন। চিকিৎসকদের মতে, লুপাস রোগের তীব্রতার কারণেও অনেক সময় ভোকাল কর্ড বা স্বরতন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, যা গলার স্বর পরিবর্তনে ভূমিকা রাখে। এর আগে ডিসেম্বরে এক প্রশ্নোত্তর পর্বেও তিনি তার গলার স্বর ও ভোকাল কর্ডের জটিলতার বিষয়টি অনুরাগীদের জানিয়েছিলেন।

তবে সমস্ত নেতিবাচক অভিজ্ঞতার মাঝেও একটি ইতিবাচক খবর দিয়েছেন এই তারকা, আর তা হলো তিনি সম্প্রতি পুরোপুরিভাবে নিকোটিন গ্রহণ করা বন্ধ করে দিয়েছেন। এই কঠিন অভ্যাসটি ত্যাগ করতে পেরে তিনি নিজের মধ্যে আনন্দ অনুভব করছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন যে তিনি এই ধারা বজায় রাখতে পারবেন। ভেপিংয়ের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব নিয়ে পুরোপুরি স্পষ্ট ধারণা না মিললেও চিকিৎসকদের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে শ্বাসকষ্ট, কাশি, অনিদ্রা ও মানসিক জটিলতার মতো নানা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ বা এনএইচএসের তথ্য অনুযায়ী ভেপিং কখনোই সম্পূর্ণ ঝুঁকিমুক্ত নয় কারণ এতে থাকা নিকোটিন অত্যন্ত তীব্র আসক্তি তৈরি করে। তাই শিশু-কিশোর ও অধূমপায়ীদের নতুন করে এই ক্ষতিকর অভ্যাসটি শুরু না করার জোরালো পরামর্শ দেওয়া হয়েছে সংস্থাটির পক্ষ থেকে। যদিও প্রচলিত ধূমপান ছাড়ার ক্ষেত্রে কেউ কেউ একে বিকল্প মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করেন, তবুও এর নেতিবাচক স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে বিশেষজ্ঞরা সবসময় সতর্কবার্তা উচ্চারণ করে আসছেন।

‘আগামী অধিবেশনেই পাস হবে সৌরবিদ্যুৎ আইন’

আমার গান ভালো না লাগলে শুনবেন না, কেন বললন সেলেনা গোমেজ

প্রকাশিত ১০:৩৭:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

বিনোদন ডেস্ক: অতিরিক্ত মাত্রায় নিকোটিন ভেপ সেবনের ফলে কণ্ঠস্বরে স্থায়ী পরিবর্তন এসেছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন জনপ্রিয় গায়িকা ও অভিনেত্রী সেলেনা গোমেজ। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে ভক্ত ও অনুরাগীদের কাছে এই ক্ষতিকর দিকটি তুলে ধরেছেন তিনি। ভেপিংয়ের মতো ক্ষতিকর অভ্যাস ছেড়ে দেওয়ার কঠিন সংগ্রামের কথা জানিয়ে তিনি তরুণ প্রজন্মকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে লুপাস নামক অটোইমিউন রোগে আক্রান্ত এই তারকা মনে করেন, ভেপ ব্যবহারের সিদ্ধান্তটি ছিল একটি মস্ত বড় বোকামি।

ভিডিওটিতে ৩৪ বছর বয়সি এই তারকা আরও যোগ করেন যে তিনি হয়তো আর কোনোদিনই তার আগের পুরনো গলার স্বরে ফিরে যেতে পারবেন না। যারা তার বর্তমান কণ্ঠস্বর পছন্দ করছেন না, তাদের উদ্দেশ্যে তিনি রসিকতার সুরে জানান যে তা স্বাভাবিক এবং ভালো না লাগলে তার গান না শোনার পরামর্শ দেন। চিকিৎসকদের মতে, লুপাস রোগের তীব্রতার কারণেও অনেক সময় ভোকাল কর্ড বা স্বরতন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, যা গলার স্বর পরিবর্তনে ভূমিকা রাখে। এর আগে ডিসেম্বরে এক প্রশ্নোত্তর পর্বেও তিনি তার গলার স্বর ও ভোকাল কর্ডের জটিলতার বিষয়টি অনুরাগীদের জানিয়েছিলেন।

তবে সমস্ত নেতিবাচক অভিজ্ঞতার মাঝেও একটি ইতিবাচক খবর দিয়েছেন এই তারকা, আর তা হলো তিনি সম্প্রতি পুরোপুরিভাবে নিকোটিন গ্রহণ করা বন্ধ করে দিয়েছেন। এই কঠিন অভ্যাসটি ত্যাগ করতে পেরে তিনি নিজের মধ্যে আনন্দ অনুভব করছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন যে তিনি এই ধারা বজায় রাখতে পারবেন। ভেপিংয়ের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব নিয়ে পুরোপুরি স্পষ্ট ধারণা না মিললেও চিকিৎসকদের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে শ্বাসকষ্ট, কাশি, অনিদ্রা ও মানসিক জটিলতার মতো নানা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ বা এনএইচএসের তথ্য অনুযায়ী ভেপিং কখনোই সম্পূর্ণ ঝুঁকিমুক্ত নয় কারণ এতে থাকা নিকোটিন অত্যন্ত তীব্র আসক্তি তৈরি করে। তাই শিশু-কিশোর ও অধূমপায়ীদের নতুন করে এই ক্ষতিকর অভ্যাসটি শুরু না করার জোরালো পরামর্শ দেওয়া হয়েছে সংস্থাটির পক্ষ থেকে। যদিও প্রচলিত ধূমপান ছাড়ার ক্ষেত্রে কেউ কেউ একে বিকল্প মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করেন, তবুও এর নেতিবাচক স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে বিশেষজ্ঞরা সবসময় সতর্কবার্তা উচ্চারণ করে আসছেন।