ঢাকা ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬

‘মিনাপ’ অঞ্চলের চরম দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অর্ধেক পাকিস্তানের: বিশ্ব ব্যাংক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্ব ব্যাংকের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মিনাপ অঞ্চলের চরম দরিদ্র জনগোষ্ঠীর প্রায় অর্ধেক মানুষ পাকিস্তানে বসবাস করছে। সংস্থাটির ভৌগোলিক শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী মিনাপ অঞ্চলটি পশ্চিম এশিয়া, উত্তর আফ্রিকা, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান নিয়ে গঠিত। এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে বিশ্ব ব্যাংক জানিয়েছে, চলমান সংঘাতে গোটা অঞ্চল বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। দৈনিক তিন ডলারের কম আয়ের মানুষ নিয়ে গঠিত এই চরম দরিদ্র জনগোষ্ঠীর প্রায় ৪৮ শতাংশই পাকিস্তানে অবস্থান করছে।

প্রতিবেদনটিতে চলতি অর্থবছরে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৮ শতাংশ এবং রাজস্ব ঘাটতি জিডিপির ৩ দশমিক ৫ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। অতীতে জ্বালানি সংকটে তেল রপ্তানিকারক দেশগুলো লাভবান হলেও এবার হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় তারা উল্টো ক্ষতির মুখে পড়েছে। এই সংঘাতের নেতিবাচক প্রভাব কেবল জ্বালানি খাতে সীমাবদ্ধ না থেকে পর্যটন, বিমান চলাচল ও সরবরাহ ব্যবস্থাকেও মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে। এর ফলে ব্যবসায়ীদের আস্থা কমে যাওয়ার পাশাপাশি আর্থিক বাজারেও বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

সংঘাত ও অর্থনৈতিক বিপর্যয় মোকাবিলার পাশাপাশি এই অঞ্চলকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের উত্থানের মতো বড় পরিবর্তনের জন্যও প্রস্তুতি নিতে হচ্ছে। বিশ্ব ব্যাংক উল্লেখ করেছে যে স্বল্প মেয়াদে এআইয়ের প্রভাব কর্মসংস্থান কমানোর চেয়ে মূলত উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমেই প্রকাশ পাবে। তবে অধিকৃত পশ্চিম তীর, গাজা এবং ইয়েমেনে খাদ্যনিরাপত্তাহীনতার পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি আফগানিস্তান, জিবুতি, লেবানন এবং পাকিস্তানেও খাদ্যনিরাপত্তার ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে যে ২০২৬ সালের শেষ দিকে এল নিনো মারাত্মক রূপ ধারণ করলে খাদ্যপণ্যের দাম আরও বাড়তে পারে। মৌসুমি বৃষ্টিপাতের ধরন পরিবর্তনের কারণে পাকিস্তান সরাসরি এই জলবায়ু ঝুঁকির মুখে রয়েছে। এদিকে বিশ্ব ব্যাংকের উপাত্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি পাকিস্তানের তুলনায় এক হাজার এক ডলার বেশি রয়েছে। বছরভিত্তিক এই অর্থনৈতিক পর্যালোচনায় ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের মাথাপিছু জিডিপির তুলনামূলক চিত্রও উঠে এসেছে।

ইউআইইউতে স্তন ক্যানসার নিয়ে কর্মশালা

‘মিনাপ’ অঞ্চলের চরম দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অর্ধেক পাকিস্তানের: বিশ্ব ব্যাংক

প্রকাশিত ০৬:৫২:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্ব ব্যাংকের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মিনাপ অঞ্চলের চরম দরিদ্র জনগোষ্ঠীর প্রায় অর্ধেক মানুষ পাকিস্তানে বসবাস করছে। সংস্থাটির ভৌগোলিক শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী মিনাপ অঞ্চলটি পশ্চিম এশিয়া, উত্তর আফ্রিকা, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান নিয়ে গঠিত। এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে বিশ্ব ব্যাংক জানিয়েছে, চলমান সংঘাতে গোটা অঞ্চল বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। দৈনিক তিন ডলারের কম আয়ের মানুষ নিয়ে গঠিত এই চরম দরিদ্র জনগোষ্ঠীর প্রায় ৪৮ শতাংশই পাকিস্তানে অবস্থান করছে।

প্রতিবেদনটিতে চলতি অর্থবছরে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৮ শতাংশ এবং রাজস্ব ঘাটতি জিডিপির ৩ দশমিক ৫ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। অতীতে জ্বালানি সংকটে তেল রপ্তানিকারক দেশগুলো লাভবান হলেও এবার হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় তারা উল্টো ক্ষতির মুখে পড়েছে। এই সংঘাতের নেতিবাচক প্রভাব কেবল জ্বালানি খাতে সীমাবদ্ধ না থেকে পর্যটন, বিমান চলাচল ও সরবরাহ ব্যবস্থাকেও মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে। এর ফলে ব্যবসায়ীদের আস্থা কমে যাওয়ার পাশাপাশি আর্থিক বাজারেও বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

সংঘাত ও অর্থনৈতিক বিপর্যয় মোকাবিলার পাশাপাশি এই অঞ্চলকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের উত্থানের মতো বড় পরিবর্তনের জন্যও প্রস্তুতি নিতে হচ্ছে। বিশ্ব ব্যাংক উল্লেখ করেছে যে স্বল্প মেয়াদে এআইয়ের প্রভাব কর্মসংস্থান কমানোর চেয়ে মূলত উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমেই প্রকাশ পাবে। তবে অধিকৃত পশ্চিম তীর, গাজা এবং ইয়েমেনে খাদ্যনিরাপত্তাহীনতার পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি আফগানিস্তান, জিবুতি, লেবানন এবং পাকিস্তানেও খাদ্যনিরাপত্তার ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে যে ২০২৬ সালের শেষ দিকে এল নিনো মারাত্মক রূপ ধারণ করলে খাদ্যপণ্যের দাম আরও বাড়তে পারে। মৌসুমি বৃষ্টিপাতের ধরন পরিবর্তনের কারণে পাকিস্তান সরাসরি এই জলবায়ু ঝুঁকির মুখে রয়েছে। এদিকে বিশ্ব ব্যাংকের উপাত্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি পাকিস্তানের তুলনায় এক হাজার এক ডলার বেশি রয়েছে। বছরভিত্তিক এই অর্থনৈতিক পর্যালোচনায় ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের মাথাপিছু জিডিপির তুলনামূলক চিত্রও উঠে এসেছে।