ঢাকা ০৩:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ভূমিকম্প মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Logo দেড়শ বছর আগে মানুষের দেহের তাপমাত্রা বেশি ছিল, কিন্তু কেন? Logo মিরপুরে হামলা-সংঘর্ষের মামলায় আসামি সাড়ে ১০ হাজার, গ্রেপ্তার ২২ Logo গাজীপুরে পুলিশের ৩ গাড়িতে আগুন, আহত বিজিবি সদস্য Logo মেইকআপ না তুলেই ঘুম? ত্বকের পাশাপাশি চোখেরও ক্ষতি হতে পারে Logo মুক্তির আগেই ৯০ কোটি রুপির চুক্তিতে শ্রদ্ধা কাপুরের ‘ইথা’ Logo পঞ্চম মৌসুমে ফিরছে নেটফ্লিক্সের ‘দ্য ডিপ্লোম্যাট’ Logo ইন্টারনেটের এমবিপিএস ও এমবি/এস গতির পার্থক্য কীভাবে বুঝবেন? Logo দিলীপ আগরওয়ালা এবার দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার Logo শিক্ষক নিয়োগ: রায় জালিয়াতির অভিযোগ তদন্তে কমিটি, রায় ঘোষণা ২৬ নভেম্বর

মিরপুরে হামলা-সংঘর্ষের মামলায় আসামি সাড়ে ১০ হাজার, গ্রেপ্তার ২২

অপরাধ ডেস্ক: রাজধানীর মিরপুর এলাকায় পোশাকশ্রমিকদের চলমান বিক্ষোভ ঘিরে সৃষ্ট সহিংসতা, ভাঙচুর ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলার ঘটনায় পৃথক চারটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ২ নভেম্বর দুপুরে মিরপুর মডেল ও পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা এই মামলা ও আসামিদের তথ্য গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। সম্প্রতি পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন চলাকালে মিরপুরে তীব্র উত্তেজনা ও সংঘাতের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সরকারি সম্পত্তি নষ্ট এবং পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া শুরু হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় থানাগুলো স্বয়ং বাদী হয়ে এসব মামলা দায়ের করেছে।

মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান জানান, ট্রাফিক বক্স ভাঙচুর এবং পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় তাঁদের থানায় একটি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। ওই মামলায় প্রায় তিন হাজার অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে এবং বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে এখন পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদিকে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জালাল উদ্দিন জানান, পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়া, হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে তাঁদের থানায় তিনটি মামলা হয়েছে। পল্লবী থানার এই তিনটি মামলার প্রতিটিতে দুই থেকে আড়াই হাজার করে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে এবং এই ঘটনায় আরও ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সব মিলিয়ে মিরপুর ও পল্লবী থানার এই চার মামলায় মোট আসামির সংখ্যা প্রায় সাড়ে ১০ হাজার ছুঁয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, সহিংসতা ও অগ্নিসংযোগের মতো অপরাধের সঙ্গে সরাসরি জড়িত প্রকৃত ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে বিশেষ তদন্ত চলছে। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ এবং বিভিন্ন ডিজিটাল তথ্য-উপাত্ত গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের পরিচয় এবং ঘটনার সঙ্গে তাদের সুনির্দিষ্ট সম্পৃক্ততা নিবিড়ভাবে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। পুলিশের চলমান এই যাচাই প্রক্রিয়া শেষে জড়িত বাকিদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে এই বড় মামলার আসামিদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট থানাগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, অপরাধীদের গ্রেফতারে সাঁড়াশি অভিযান চলমান রয়েছে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংসতায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার লক্ষ্যে পুলিশ প্রশাসন তৎপর রয়েছে।

জনপ্রিয়

ভূমিকম্প মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

মিরপুরে হামলা-সংঘর্ষের মামলায় আসামি সাড়ে ১০ হাজার, গ্রেপ্তার ২২

প্রকাশিত ০২:২২:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

অপরাধ ডেস্ক: রাজধানীর মিরপুর এলাকায় পোশাকশ্রমিকদের চলমান বিক্ষোভ ঘিরে সৃষ্ট সহিংসতা, ভাঙচুর ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলার ঘটনায় পৃথক চারটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ২ নভেম্বর দুপুরে মিরপুর মডেল ও পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা এই মামলা ও আসামিদের তথ্য গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। সম্প্রতি পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন চলাকালে মিরপুরে তীব্র উত্তেজনা ও সংঘাতের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সরকারি সম্পত্তি নষ্ট এবং পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া শুরু হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় থানাগুলো স্বয়ং বাদী হয়ে এসব মামলা দায়ের করেছে।

মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান জানান, ট্রাফিক বক্স ভাঙচুর এবং পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় তাঁদের থানায় একটি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। ওই মামলায় প্রায় তিন হাজার অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে এবং বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে এখন পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদিকে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জালাল উদ্দিন জানান, পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়া, হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে তাঁদের থানায় তিনটি মামলা হয়েছে। পল্লবী থানার এই তিনটি মামলার প্রতিটিতে দুই থেকে আড়াই হাজার করে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে এবং এই ঘটনায় আরও ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সব মিলিয়ে মিরপুর ও পল্লবী থানার এই চার মামলায় মোট আসামির সংখ্যা প্রায় সাড়ে ১০ হাজার ছুঁয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, সহিংসতা ও অগ্নিসংযোগের মতো অপরাধের সঙ্গে সরাসরি জড়িত প্রকৃত ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে বিশেষ তদন্ত চলছে। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ এবং বিভিন্ন ডিজিটাল তথ্য-উপাত্ত গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের পরিচয় এবং ঘটনার সঙ্গে তাদের সুনির্দিষ্ট সম্পৃক্ততা নিবিড়ভাবে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। পুলিশের চলমান এই যাচাই প্রক্রিয়া শেষে জড়িত বাকিদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে এই বড় মামলার আসামিদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট থানাগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, অপরাধীদের গ্রেফতারে সাঁড়াশি অভিযান চলমান রয়েছে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংসতায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার লক্ষ্যে পুলিশ প্রশাসন তৎপর রয়েছে।