পটুয়াখালীর জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল মৃধার বিরুদ্ধে, চাঁদাবাজি, নারী কেলঙ্কারী টেন্ডারবাজি থেকে শুরু করে একাধিক অভিযোগ উঠেছে।
এমনকি তারই ছত্রছায়া তার বড় ভাই রাসেল মৃধাও এসব কাজে জড়িত। এমনকি পূর্বে এই নাজমুলের বিরুদ্ধে রয়েছে চুরির অভিযোগও। সম্প্রতি সুবিদখালী বাজারের এক মাংসের দোকানে নাজমুলের নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়। সেখান থেকেও ৫ লাখ টাকা চাদা দাবি করে ছাত্রদল এই নেতা।
এর আগে জোর খাটিয়ে অন্যের বউ বাগিয়ে এনেছে নাজমুল। নাজমুলের বর্তমান বউয়ের সাবেক স্বামীও এখন তার ভয়ে গ্রাম ছাড়া। এছাড়া, তার বড় ভাই রাসেল বিভিন্ন সময় সাধরণ মানুষকে জোর করে ভিডিও ধারণ করে ভিডিওতে মিতথা তথ্য ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে অর্থদাবিসহ নানা অভিযোগ মির্জাগঞ্জের সাধারণ মানুষের।
এছাড়া এই দুই ভাই মিলে এলাকার অনেককে হেনস্তারও অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি মির্জগঞ্জ থানার বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের কথা বলে জানা যায় এসব তথ্য। এরবাইরেও নাজমুলের অপকর্মের একাধিক তথ্য পাওয়া গেছে। অভিযোগ আছে মির্জাগঞ্জের উপজেলা বিএনপি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রুবেল মৃধার ছত্রছায়ায় অপরাধের স্বর্গ বানিয়েছে অভিযুক্ত এই ছাত্রদল নেতা। এমনকি এই নাজমুল একজন সাবেক এই ছাত্রলীগের পদধারী নেতা। একজন ছাত্রলীগসহ নানা অভিযুক্ত নাজমুল কিভাবে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হলো ব্যাখা দিতে পারেনি জেলা কমিটির নেতারা।
এমনকি তার বিভিন্ন অপরাধের কথা কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের জানালেও অজানা কারণে এখনও কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না তারা।
মির্জাগঞ্জবাসীর দাবি করছে, দ্রুতই এই বেপরোয়া দুই ভাই এর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইন গত ব্যবস্থা নেয়া হোক।
মির্জাগঞ্জবাসীর দাবি করছে, দ্রুতই এই বেপরোয়া দুই ভাই এর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইন গত ব্যবস্থা নেয়া হোক।




















