আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে জনসাধারণের মধ্যে আলাদা আগ্রহ রয়েছে। নির্বাচনে প্রধান দুই প্রতিপক্ষ বিএনপি ও জামায়াত ইসলামী। এই দু-দলের এমপি পদপ্রার্থীরা কে কোথায় পড়াশোনা করেছেন, সেটা আগ্রহ সহকারে জানতে চাইছেন ভোটাররা।
প্রার্থীর তালিকা থেকে দেখা গেছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২২২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জামায়াত মনোনীত এমপি পদপ্রার্থীরা। তাদের বড় একটি অংশ ছাত্রজীবনে পড়াশোনা করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে। ২৫ জনের ছাত্রজীবন কেটেছে মতিহারের সবুজ চত্বরে।
তারা হলেন— ঢাকা-১৬ আসনে কর্ণেল আব্দুল বাতেন, রাজশাহী–১ অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, রাজশাহী–৩ আবুল কালাম আজাদ, সিরাজগঞ্জ–৪ আসনে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ–১ আসনের ড. কেরামত আলী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ–২ ড. মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ–৩, নুরুল ইসলাম বুলবুল, পটুয়াখালী–২, ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।
শেরপুর–১, হাফেজ রাশেদুল ইসলাম, ময়মনসিংহ–৫ আসনে জামায়াতের প্রচার সম্পাদক মতিউর রহমান আকন্দ, কুমিল্লা–৫ ড. মোবারক হোসাইন, লক্ষ্মীপুর–৩ ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম, পাবনা-২ অধ্যাপক কে এম হেসাব উদ্দিন, পাবনা–৪ অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল, বাগেরহাট–৪ আব্দুল আলিম, যশোর–৪ গোলাম রসুল, ঠাকুরগাঁও–১ দেলোয়ার হোসাইন,
ঝিনাইদহ–২ আসনের সাংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আলী আজম মো. আবুবকর, ঝিনাইদহ–৩ অধ্যাপক মতিউর রহমান, বরিশাল–৪ অধ্যাপক মুহাম্মদ আব্দুল জব্বার, খুলনা–৩ অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান, রংপুর–৩ মাহবুবুর রহমান বেলাল, কুড়িগ্রাম–১ অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম–৩ ব্যারিস্টার মাহবুব আলম সালেহী, নীলফামারী–৪, হাফেজ মাওলানা আব্দুল মোনতাকিম।
এ বিষয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাকিব ইসলাম বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের এতজন সাবেক ভাই এবার এমপি পদে প্রার্থী হয়েছেন, এটি আমাদের জন্য গর্বের। আমার জানামতে, কখনো অতীতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এত শিক্ষার্থী এমপি পদে প্রার্থী হননি। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্যও গর্বের। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি নেতৃত্বও তৈরি করতে পারে— এটি তার উদাহরণ।’
রাকসু’র ভিপি ও শাখা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি, সেক্রেটারি, সেক্রেটারিয়েট সদস্য বা বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল প্রায় ২৪ জন এবার এমপি নির্বাচন করছেন। তারা নিজ নিজ আসনে খুব ভালো অবস্থানে আছেন। আল্লাহ কবুল করলে তাদের মধ্যে অনেকে সংসদ সদস্য, এমনকি মন্ত্রীও হতে চলেছেন।
তিনি আরও বলেন, এই রাবিতে ছাত্রশিবিরের ২১ জন শহীদ হওয়া সত্ত্বেও, শত শত আহত পঙ্গুত্ববরণ করা সত্ত্বেও একটা ক্যাম্পাস সংগঠনের নেতৃত্বের আউটপুট তৈরিতে এর থেকে বড় দৃষ্টান্ত আর কী হতে পারে।




















