ঢাকা ১১:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo কবি নজরুল কলেজে সাবেক বিএনসিসি ক্যাডেটদের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo ‎ইবি শিক্ষিকা হত্যাকান্ডে কুবি শিক্ষক সমিতির তীব্র নিন্দা ও শোক প্রকাশ Logo বাকৃবিস্থ বৃহত্তর দিনাজপুর সমিতির দোয়া ও ইফতার মাহফিল এবং কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা Logo কুবি শিক্ষককে অপহরণের ঘটনায় অজ্ঞাত চারজনের বিরুদ্ধে মামলা Logo জাবিতে স্কাউটসের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল Logo শিক্ষার্থী প্রতিনিধি ও ছাত্র নেতৃবৃন্দের সম্মানে ডাকসুর ইফতার মাহফিল Logo পাবিপ্রবি গেটসংলগ্ন সাঈদের দোকানের ইফতারে আবারও মিললো গোবরে পোকা Logo বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো রাকসুর প্রতিনিধি সম্মেলন  Logo যবিপ্রবিতে রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার মাহফিল Logo বেগম জিয়ার রূহের মাগফিরাত কামনায় জাবি ছাত্রদলের ইফতার

সম্পূরক বৃত্তির সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ প্রদানসহ ৫ দাবি জবি ছাত্র অধিকার পরিষদের

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতিশ্রুত আবাসন ভাতা (সম্পূরক বৃত্তি) দ্রুত প্রদান, স্বচ্ছ তালিকা প্রকাশ এবং সুস্পষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণাসহ পাঁচ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদ।

আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শহিদ রফিক ভবনের নিচে লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে এসব দাবি জানায় সংগঠনটি। লিখিত বক্তব্য পাঠ করে শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদের দপ্তর সম্পাদক কাজী আহাদ।

তিনি বলেন, যমুনা ঘেরাও আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের অন্যতম প্রধান দাবি ছিল অন্তত ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থীকে আবাসন ভাতা প্রদান। যা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাস থেকে বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, জানুয়ারি মাস অতিক্রান্ত হয়ে ফেব্রুয়ারিতে প্রবেশ করলেও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এখনো তাদের প্রতিশ্রুত সম্পূরক বৃত্তির অর্থ হাতে পায়নি। এ সংক্রান্ত একটি তালিকা প্রকাশ করা হলেও তা প্রশ্নবিদ্ধ ও ভিত্তিহীন। কারণ ওই তালিকায় বৃত্তির জন্য আবেদন না শিক্ষার্থীরাও রয়েছেন।

তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, অনিশ্চয়তা ও অসঙ্গতির পরও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু)-এর প্রতিনিধিদের ভূমিকা শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশার বিপরীত। বারবার “এই সপ্তাহ বা আগামী সপ্তাহ” এমন আশ্বাস প্রদান করা হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে কোনো কার্যকর সমাধান হচ্ছে না। বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ বিশ্বাস করে, জকসু শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ আন্দোলনের ফসল। এরপরও যদি শিক্ষার্থীরা বারবার হতাশ হয় বা পুনরায় আন্দোলন করতে হয়, তবে তা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত। আমরা চাই, জকসু সফল হোক এবং শিক্ষার্থীদের প্রকৃত স্বার্থরক্ষায় কার্যকর ভূমিকা পালন করুক। এ লক্ষ্যে আমরা জকসু প্রতিনিধিদের সহযোগিতা করতে সর্বদা প্রস্তুত।

তাদের পাঁচ দাবি হলো- অনতিবিলম্বে শিক্ষার্থীরা কবে সম্পূরক বৃত্তি পাবে, একটি সুস্পষ্ট সময়সূচি এবং নির্দিষ্ট রোডম্যাপ প্রকাশ; সম্পূরক বৃত্তিকে কোনোভাবেই মেধা বৃত্তিতে রূপান্তর করা যাবে না, যারা প্রকৃত অর্থেই এই বৃত্তির দাবিদার, তাদেরকে বৃত্তি নিশ্চিত করা; যারা সম্পূরক বৃত্তি পাবে, তাদের একটি স্বচ্ছ, যাচাইকৃত ও সুস্পষ্ট তালিকা অতিদ্রুত প্রকাশ করা; আন্দোলনের সময় যে পরিমাণ অর্থ প্রদানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল সে পরিমাণ নিশ্চিত করা, যদি পরিমাণ কমে যায় তবে তা লুকানোর জন্য প্রশাসনকে জবাবদিহি করতে হবে; বৃত্তি কী এককালীন দেওয়া হবে নাকি আবাসন সুবিধা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত চলতে থাকবে তা সুস্পষ্ট করতে হবে।

জনপ্রিয়

কবি নজরুল কলেজে সাবেক বিএনসিসি ক্যাডেটদের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

সম্পূরক বৃত্তির সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ প্রদানসহ ৫ দাবি জবি ছাত্র অধিকার পরিষদের

প্রকাশিত ০৬:৫৫:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতিশ্রুত আবাসন ভাতা (সম্পূরক বৃত্তি) দ্রুত প্রদান, স্বচ্ছ তালিকা প্রকাশ এবং সুস্পষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণাসহ পাঁচ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদ।

আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শহিদ রফিক ভবনের নিচে লিখিত বক্তব্যের মাধ্যমে এসব দাবি জানায় সংগঠনটি। লিখিত বক্তব্য পাঠ করে শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদের দপ্তর সম্পাদক কাজী আহাদ।

তিনি বলেন, যমুনা ঘেরাও আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের অন্যতম প্রধান দাবি ছিল অন্তত ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থীকে আবাসন ভাতা প্রদান। যা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাস থেকে বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, জানুয়ারি মাস অতিক্রান্ত হয়ে ফেব্রুয়ারিতে প্রবেশ করলেও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এখনো তাদের প্রতিশ্রুত সম্পূরক বৃত্তির অর্থ হাতে পায়নি। এ সংক্রান্ত একটি তালিকা প্রকাশ করা হলেও তা প্রশ্নবিদ্ধ ও ভিত্তিহীন। কারণ ওই তালিকায় বৃত্তির জন্য আবেদন না শিক্ষার্থীরাও রয়েছেন।

তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, অনিশ্চয়তা ও অসঙ্গতির পরও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু)-এর প্রতিনিধিদের ভূমিকা শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশার বিপরীত। বারবার “এই সপ্তাহ বা আগামী সপ্তাহ” এমন আশ্বাস প্রদান করা হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে কোনো কার্যকর সমাধান হচ্ছে না। বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ বিশ্বাস করে, জকসু শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ আন্দোলনের ফসল। এরপরও যদি শিক্ষার্থীরা বারবার হতাশ হয় বা পুনরায় আন্দোলন করতে হয়, তবে তা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত। আমরা চাই, জকসু সফল হোক এবং শিক্ষার্থীদের প্রকৃত স্বার্থরক্ষায় কার্যকর ভূমিকা পালন করুক। এ লক্ষ্যে আমরা জকসু প্রতিনিধিদের সহযোগিতা করতে সর্বদা প্রস্তুত।

তাদের পাঁচ দাবি হলো- অনতিবিলম্বে শিক্ষার্থীরা কবে সম্পূরক বৃত্তি পাবে, একটি সুস্পষ্ট সময়সূচি এবং নির্দিষ্ট রোডম্যাপ প্রকাশ; সম্পূরক বৃত্তিকে কোনোভাবেই মেধা বৃত্তিতে রূপান্তর করা যাবে না, যারা প্রকৃত অর্থেই এই বৃত্তির দাবিদার, তাদেরকে বৃত্তি নিশ্চিত করা; যারা সম্পূরক বৃত্তি পাবে, তাদের একটি স্বচ্ছ, যাচাইকৃত ও সুস্পষ্ট তালিকা অতিদ্রুত প্রকাশ করা; আন্দোলনের সময় যে পরিমাণ অর্থ প্রদানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল সে পরিমাণ নিশ্চিত করা, যদি পরিমাণ কমে যায় তবে তা লুকানোর জন্য প্রশাসনকে জবাবদিহি করতে হবে; বৃত্তি কী এককালীন দেওয়া হবে নাকি আবাসন সুবিধা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত চলতে থাকবে তা সুস্পষ্ট করতে হবে।