ঢাকা ০৬:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সৌদিয়া বাসের টিকেট পাওয়া যাচ্ছে বিডিটিকেটসে Logo রোজায় ত্বকের যত্ন: ফুড ও লাইফস্টাইলেই লুকিয়ে স্কিন গ্লো Logo কেন্দ্রীয়ভাবে সকল শিক্ষার্থীদের জন্য ইফতার আয়োজন করবে যবিপ্রবি Logo জাবিতে গাইবান্ধা জেলা সমিতির ইফতার মাহফিল, নবীন-প্রবীণদের মিলনমেলা Logo কুবিতে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ইফতার ও দোয়া মাহফিল Logo কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে গণ-ইফতার  Logo কুবির আর্ট অ্যান্ড হেরিটেজ সোসাইটির নেতৃত্বে মুজাহিদ–লাবিব Logo বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘ইনক্লুসিভ জাহাঙ্গীরনগর’র ইফতার মাহফিল Logo হাবিপ্রবিতে জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা পরিষদের দোয়া ও ইফতার মাহফিল Logo কঠোর সমালোচনা’ না করে সরকারকে সময় দেওয়া উচিত: ডিএসসিসি প্রশাসক

আজ আমরাই বিশ্বের বুকে একমাত্র দেশ যারা ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছি: বাকৃবি উপাচার্য

মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, ‘পাকিস্তানী শাসকরা জানতেন, বাংলা ভাষাভাষী মানুষ কখনও তাদের মাতৃভাষা উর্দু হতে দেবে না। তারা শোষণ ও নিপীড়নের মাধ্যমে বাংলার মানুষকে দমাতে চেয়েছিলেন কিন্তু তা পারেননি। ৫২ সালের ২১ফেব্রুয়ারিতে শিক্ষিত শ্রেণি থেকে শুরু করে শ্রমজীবী মানুষ সেদিন রাজপথে নেমে এসেছিলেন এবং তাদের আত্মত্যাগের মাধ্যমেই অর্জিত হয়েছে আমাদের মাতৃভাষা বাংলা। আজ আমরাই বিশ্বের বুকে একমাত্র দেশ যারা ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছি।’

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে এ কথা বলেন তিনি।

উপাচার্য আরও বলেন , আমরা মাতৃভাষায় কথা বললেও শিক্ষা ও দাপ্তরিক কাজের সর্বোচ্চ স্তরে বাংলাকে এখনও কাঙ্ক্ষিত মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করতে পারিনি। তবে আমার বিশ্বাস ২০২৬ সালের সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত গণতান্ত্রিক সরকার সর্বস্তরে প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক পর্যায়ে বাংলা ভাষা প্রচলনে সচেষ্ট হবেন।’

ভাষার জন্য আত্মত্যাগী শহীদদের স্মরণে আজ ফুলে ফুলে ভরে উঠেছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার। প্রভাতফেরি থেকে আলোচনা সভা, নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনের আয়োজন করে বাকৃবি জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটি।

এদিন (শনিবার) প্রথম প্রহরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি হলের শহিদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পনের মাধ্যমে এ উদযাপন শুরু হয়।

এরপর সকাল আটটায় ঈশা খাঁ হল সংলগ্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম শহিদ মিনারে শ্রদ্ধাশীল অর্পণ করেন উপাচার্য অধ্যাপক এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। এরপর উপাচার্যের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈশাখী চত্বর থেকে প্রভাতফেরি শুরু হয়। এতে জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি ও ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক মো. শহীদুল হক, প্রক্টর অধ্যাপক মো. আবদুল আলীম, রেজিস্ট্রার মো. হেলাল উদ্দীন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. হুমায়ূন কবিরসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তারা অংশ নেন। কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে গিয়ে প্রভাতফেরি শেষ হয়।

এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির ব্যবস্থাপনায় ও শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. আসাদুজ্জামান সরকারের সঞ্চালনায় কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন উপাচার্য অধ্যাপক মো. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া।

এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল হল, ছাত্র সংগঠন, রাজনৈতিক সংগঠন ও অভ্যন্তরীণ স্কুল-কলেজের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়। পরে উপস্থিত সকলকে শপথবাক্য পাঠ করান উপাচার্য।

পরবর্তীতে দুপুরে, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের উদ্যোগে ‘একুশের চেতনা ও নতুন প্রজন্মের স্বদেশ ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়াজন করা হয়েছে। এছাড়াও বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের সব মসজিদ, মন্দির ও অন্যান্য উপাসনালয়ে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

সৌদিয়া বাসের টিকেট পাওয়া যাচ্ছে বিডিটিকেটসে

আজ আমরাই বিশ্বের বুকে একমাত্র দেশ যারা ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছি: বাকৃবি উপাচার্য

প্রকাশিত ০৪:২৩:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, ‘পাকিস্তানী শাসকরা জানতেন, বাংলা ভাষাভাষী মানুষ কখনও তাদের মাতৃভাষা উর্দু হতে দেবে না। তারা শোষণ ও নিপীড়নের মাধ্যমে বাংলার মানুষকে দমাতে চেয়েছিলেন কিন্তু তা পারেননি। ৫২ সালের ২১ফেব্রুয়ারিতে শিক্ষিত শ্রেণি থেকে শুরু করে শ্রমজীবী মানুষ সেদিন রাজপথে নেমে এসেছিলেন এবং তাদের আত্মত্যাগের মাধ্যমেই অর্জিত হয়েছে আমাদের মাতৃভাষা বাংলা। আজ আমরাই বিশ্বের বুকে একমাত্র দেশ যারা ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছি।’

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে এ কথা বলেন তিনি।

উপাচার্য আরও বলেন , আমরা মাতৃভাষায় কথা বললেও শিক্ষা ও দাপ্তরিক কাজের সর্বোচ্চ স্তরে বাংলাকে এখনও কাঙ্ক্ষিত মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করতে পারিনি। তবে আমার বিশ্বাস ২০২৬ সালের সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত গণতান্ত্রিক সরকার সর্বস্তরে প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক পর্যায়ে বাংলা ভাষা প্রচলনে সচেষ্ট হবেন।’

ভাষার জন্য আত্মত্যাগী শহীদদের স্মরণে আজ ফুলে ফুলে ভরে উঠেছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার। প্রভাতফেরি থেকে আলোচনা সভা, নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনের আয়োজন করে বাকৃবি জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটি।

এদিন (শনিবার) প্রথম প্রহরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি হলের শহিদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পনের মাধ্যমে এ উদযাপন শুরু হয়।

এরপর সকাল আটটায় ঈশা খাঁ হল সংলগ্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম শহিদ মিনারে শ্রদ্ধাশীল অর্পণ করেন উপাচার্য অধ্যাপক এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। এরপর উপাচার্যের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈশাখী চত্বর থেকে প্রভাতফেরি শুরু হয়। এতে জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি ও ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক মো. শহীদুল হক, প্রক্টর অধ্যাপক মো. আবদুল আলীম, রেজিস্ট্রার মো. হেলাল উদ্দীন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. হুমায়ূন কবিরসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তারা অংশ নেন। কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে গিয়ে প্রভাতফেরি শেষ হয়।

এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির ব্যবস্থাপনায় ও শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. আসাদুজ্জামান সরকারের সঞ্চালনায় কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন উপাচার্য অধ্যাপক মো. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া।

এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল হল, ছাত্র সংগঠন, রাজনৈতিক সংগঠন ও অভ্যন্তরীণ স্কুল-কলেজের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়। পরে উপস্থিত সকলকে শপথবাক্য পাঠ করান উপাচার্য।

পরবর্তীতে দুপুরে, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের উদ্যোগে ‘একুশের চেতনা ও নতুন প্রজন্মের স্বদেশ ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়াজন করা হয়েছে। এছাড়াও বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের সব মসজিদ, মন্দির ও অন্যান্য উপাসনালয়ে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে।