ঢাকা ১০:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ফুটবল উন্মাদনায় দেশের বাজারে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে শাওমি স্মার্ট টিভি Logo এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্ট সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াচ্ছে টিকটক Logo পাবিপ্রবি শাখা ছাত্রশিবিরের নেতৃত্বে উল্লাস-শামীম Logo পাবিপ্রবিতে গবেষনায় জোর দিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বছরে ২ কোটি ৩৩ লাখ টাকার প্রণোদনা Logo হাবিপ্রবিতে পরিবহন সংকট নিরসনে ৪ দফা দাবি ছাত্রদলের Logo কুকুর ব্যবস্থাপনায় ভ্যাক্সিনেশন কর্মসূচি হাতে নিচ্ছে হাবিপ্রবি প্রশাসন Logo পরীক্ষা শুরুর পৌনে ২ ঘণ্টা পর জানা গেল প্রশ্ন গতবছরের! Logo ২১ বছর নিখোঁজ থাকার পর জীবিত ফিরলেন রতন! ওদিকে মারা গেছেন বাবা Logo ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ‘লং মার্চ টু পার্লামেন্ট’- এ রণক্ষেত্র দিল্লি, বন্ধ ইন্টারনেট Logo প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেলেন রাশেদ খাঁন

রাকসুর ভোট চাইতে গিয়ে প্রেম : অতঃপর জীবনসঙ্গী রাবির দুই শিক্ষার্থী

  • সায়েম চৌধুরী
  • প্রকাশিত ১১:০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৮৩ বার পঠিত

দীর্ঘ ৩৫ বছর পর গত বছরের অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচন। সেই নির্বাচনে ছাত্র অধিকার পরিষদ মনোনীত প্যানেল থেকে সহকারী ক্রীড়া সম্পাদক পদে নির্বাচন করেন রিদুয়ানুল হক ইমন। নির্বাচনি প্রচারণায় গিয়ে তার সাথে পরিচয় হয় মুসলিমার সঙ্গে। এরপর বন্ধুত্ব থেকে মন দেওয়া-নেওয়া। শেষ পর্যন্ত সেই সম্পর্ক গড়ালো বিবাহবন্ধনে।

ইমন রাকসু নির্বাচনে জয়ী হতে পারেননি, তবে ভালোবাসার যুদ্ধে তিনি সফলতা অর্জন করেছেন। রাকসু কেন্দ্র করে প্রচারণায় অংশ নিতে গিয়ে পরিচয় হয় মুসলিমার সঙ্গে, আর সেই পরিচয়ই ধীরে ধীরে রূপ নেয় প্রেমের সম্পর্কে। রাকসু ঘিরে শুরু হওয়া সেই পথচলাই শেষ পর্যন্ত তাকে এনে দিয়েছে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ এক সিদ্ধান্তে।

চার মাসের প্রেমের পরিণতি হিসেবে গত ৭ এপ্রিল উভয় পরিবারের সম্মতিতে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ করেন তারা।

জানা গেছে, ইমন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের ২০২২–২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তার গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহে। অন্যদিকে মুসলিমা সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৩–২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি বাগেরহাটে।

প্রেমের সূত্রপাত সম্পর্কে জানতে চাইলে ইমন বলেন, রাকসু নির্বাচনের প্রচারণার শেষ দিনে আমি মমতাজ উদ্দীন কলাভবনের সামনে প্রচারণা করতে যাই। তখন প্রথম দেখাতেই তাকে ভালো লাগে। তার সঙ্গে থাকা বান্ধবীদের মধ্যে একজনকে আমি চিনতাম। কিছুদিন পর সে আমাকে ফেসবুকে রিকোয়েস্ট পাঠায়। এরপর আমি তাকে মেসেজ দিই এবং টুকটাক কথা হয়। কিছুদিন পর জানতে পারি, সে শহরের তালাইমারি এলাকায় থাকে। এরপর তাকে চা খাওয়ার আমন্ত্রণ জানাই। এভাবে কয়েকদিন একসঙ্গে চা খাওয়া ও আড্ডার মাধ্যমে আমাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

বিয়ের অনুভূতি সম্পর্কে জানতে চাইলে মুসলিমা বলেন, সবকিছু যেন খুব অল্প সময়ের মধ্যেই হয়ে গেলো। কিন্তু অনুভূতিটা খুবই আন্তরিক ও গভীর। প্রথমে বন্ধুত্ব, তারপর ধীরে ধীরে ভালো লাগা— সব মিলিয়ে ইমনকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পাওয়া আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া। পরিবারের সম্মতিতে বিয়েটা হওয়ায় আমরা আরও স্বস্তি পেয়েছি। এখন আমাদের লক্ষ্য পড়াশোনা শেষ করে একসঙ্গে ভালো কিছু করা এবং সুন্দরভাবে জীবনটা গুছিয়ে নেওয়া।

সায়েম/রাবি

জনপ্রিয়

ফুটবল উন্মাদনায় দেশের বাজারে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে শাওমি স্মার্ট টিভি

রাকসুর ভোট চাইতে গিয়ে প্রেম : অতঃপর জীবনসঙ্গী রাবির দুই শিক্ষার্থী

প্রকাশিত ১১:০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

দীর্ঘ ৩৫ বছর পর গত বছরের অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচন। সেই নির্বাচনে ছাত্র অধিকার পরিষদ মনোনীত প্যানেল থেকে সহকারী ক্রীড়া সম্পাদক পদে নির্বাচন করেন রিদুয়ানুল হক ইমন। নির্বাচনি প্রচারণায় গিয়ে তার সাথে পরিচয় হয় মুসলিমার সঙ্গে। এরপর বন্ধুত্ব থেকে মন দেওয়া-নেওয়া। শেষ পর্যন্ত সেই সম্পর্ক গড়ালো বিবাহবন্ধনে।

ইমন রাকসু নির্বাচনে জয়ী হতে পারেননি, তবে ভালোবাসার যুদ্ধে তিনি সফলতা অর্জন করেছেন। রাকসু কেন্দ্র করে প্রচারণায় অংশ নিতে গিয়ে পরিচয় হয় মুসলিমার সঙ্গে, আর সেই পরিচয়ই ধীরে ধীরে রূপ নেয় প্রেমের সম্পর্কে। রাকসু ঘিরে শুরু হওয়া সেই পথচলাই শেষ পর্যন্ত তাকে এনে দিয়েছে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ এক সিদ্ধান্তে।

চার মাসের প্রেমের পরিণতি হিসেবে গত ৭ এপ্রিল উভয় পরিবারের সম্মতিতে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ করেন তারা।

জানা গেছে, ইমন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের ২০২২–২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তার গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহে। অন্যদিকে মুসলিমা সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৩–২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তার বাড়ি বাগেরহাটে।

প্রেমের সূত্রপাত সম্পর্কে জানতে চাইলে ইমন বলেন, রাকসু নির্বাচনের প্রচারণার শেষ দিনে আমি মমতাজ উদ্দীন কলাভবনের সামনে প্রচারণা করতে যাই। তখন প্রথম দেখাতেই তাকে ভালো লাগে। তার সঙ্গে থাকা বান্ধবীদের মধ্যে একজনকে আমি চিনতাম। কিছুদিন পর সে আমাকে ফেসবুকে রিকোয়েস্ট পাঠায়। এরপর আমি তাকে মেসেজ দিই এবং টুকটাক কথা হয়। কিছুদিন পর জানতে পারি, সে শহরের তালাইমারি এলাকায় থাকে। এরপর তাকে চা খাওয়ার আমন্ত্রণ জানাই। এভাবে কয়েকদিন একসঙ্গে চা খাওয়া ও আড্ডার মাধ্যমে আমাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

বিয়ের অনুভূতি সম্পর্কে জানতে চাইলে মুসলিমা বলেন, সবকিছু যেন খুব অল্প সময়ের মধ্যেই হয়ে গেলো। কিন্তু অনুভূতিটা খুবই আন্তরিক ও গভীর। প্রথমে বন্ধুত্ব, তারপর ধীরে ধীরে ভালো লাগা— সব মিলিয়ে ইমনকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পাওয়া আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া। পরিবারের সম্মতিতে বিয়েটা হওয়ায় আমরা আরও স্বস্তি পেয়েছি। এখন আমাদের লক্ষ্য পড়াশোনা শেষ করে একসঙ্গে ভালো কিছু করা এবং সুন্দরভাবে জীবনটা গুছিয়ে নেওয়া।

সায়েম/রাবি