ঢাকা ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo জাপান থেকে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী Logo এলপিজি অপারেটরদের ‘মাফিয়া’ বলা নিয়ে বিইআরসির গণশুনানিতে বিতণ্ডা Logo ১২ ছক্কায় ওমারজাইয়ের রেকর্ড ইনিংস, রাজার সেঞ্চুরির রেকর্ড Logo জাপান সফরে প্রাপ্তির হিসাব-নিকাশ: ‘বিগ-বি’র নতুন সমীকরণে বাংলাদেশ Logo বছরে এক লাখ কর্মী নেওয়ার সম্মতি দেয়নি জাপান, জানাল টোকিও Logo ইংলিসের অনন্য কীর্তির পর শেষ বেলার উইকেটে এগিয়ে অস্ট্রেলিয়া Logo ইউসিবির ওয়েবভিত্তিক সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্ট প্রকাশ Logo সিঙ্গাপুরে ২৪০ শ্রমিকের বেতন বকেয়া, ওয়ার্ক পারমিট বাতিল, অধিকাংশই বাংলাদেশি Logo ‘২০০’ ছুঁয়ে রাশিদ খানের অনন্য কীর্তি Logo সরকারি বাসা থেকে শনিবারের মধ্যে ভাড়াটিয়া অপসারণের নির্দেশ

অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগে যুবক আটক, এনসিপি-বিএনপি মুখোমুখি

বাড়িতে অস্বাভাবিক পরিমাণ বিদ্যুৎ বিল আসার বিষয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভিডিও প্রচার করার জেরে এক যুবককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত যুবকের নাম মো. আব্দুল্লাহ সিফাত, যার বয়স ২৭ বছর। নিজ বাসভবনে অতিরিক্ত বিলের সমস্যা সৃষ্টি হওয়ায় তিনি ফেসবুকে একটি ভিডিও বার্তা আপলোড করেন। মূলত সেই ভিডিওতে দেশের প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে অবমাননাকর মন্তব্য ও কুরুচিপূর্ণ ভাষা ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এই ঘটনার পর থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিও ক্লিপটিকে কেন্দ্র করে ক্ষমতাসীন দল এবং বিরোধী রাজনৈতিক জোটের মধ্যে মুখোমুখি অবস্থানের তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এই পরিস্থিতি নিয়ে ভিন্নমুখী অবস্থান নিয়েছে, যা ইতোমধ্যে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

পুলিশ ও আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করার প্রাথমিক সত্যতা যাচাইয়ের পরই ওই যুবককে আটক করা হয়েছে। ডিজিটাল মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় শীর্ষ পদের ব্যক্তিদের নিয়ে এ ধরনের অশালীন মন্তব্য ছড়ানোর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ ইঙ্গিত দিয়েছে। আটকের পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাকস্বাধীনতা এবং সাইবার নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা ধরনের আলোচনা ও সমালোচনার সূত্রপাত হয়েছে। বিরোধী দলের নেতারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও আটকদের যথাযথ আইনি অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে, সরকারের সমর্থক গোষ্ঠীগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কঠোর নিয়ন্ত্রণ এবং দায়িত্বশীল আচরণের ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে।

জনপ্রিয়

জাপান থেকে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগে যুবক আটক, এনসিপি-বিএনপি মুখোমুখি

প্রকাশিত ০১:১৫:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাড়িতে অস্বাভাবিক পরিমাণ বিদ্যুৎ বিল আসার বিষয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভিডিও প্রচার করার জেরে এক যুবককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত যুবকের নাম মো. আব্দুল্লাহ সিফাত, যার বয়স ২৭ বছর। নিজ বাসভবনে অতিরিক্ত বিলের সমস্যা সৃষ্টি হওয়ায় তিনি ফেসবুকে একটি ভিডিও বার্তা আপলোড করেন। মূলত সেই ভিডিওতে দেশের প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে অবমাননাকর মন্তব্য ও কুরুচিপূর্ণ ভাষা ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এই ঘটনার পর থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিও ক্লিপটিকে কেন্দ্র করে ক্ষমতাসীন দল এবং বিরোধী রাজনৈতিক জোটের মধ্যে মুখোমুখি অবস্থানের তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এই পরিস্থিতি নিয়ে ভিন্নমুখী অবস্থান নিয়েছে, যা ইতোমধ্যে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

পুলিশ ও আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করার প্রাথমিক সত্যতা যাচাইয়ের পরই ওই যুবককে আটক করা হয়েছে। ডিজিটাল মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় শীর্ষ পদের ব্যক্তিদের নিয়ে এ ধরনের অশালীন মন্তব্য ছড়ানোর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ ইঙ্গিত দিয়েছে। আটকের পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাকস্বাধীনতা এবং সাইবার নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা ধরনের আলোচনা ও সমালোচনার সূত্রপাত হয়েছে। বিরোধী দলের নেতারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও আটকদের যথাযথ আইনি অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে, সরকারের সমর্থক গোষ্ঠীগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কঠোর নিয়ন্ত্রণ এবং দায়িত্বশীল আচরণের ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছে।