ঢাকা ১২:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo মিরপুর পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ১৩৬ Logo ধর্মকে ব্যবহার করে অশান্তির অপচেষ্টা রুখে দেওয়ার আহ্বান বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর Logo তোজাম্মেল হোসেন খানের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক Logo ব্রিকসে তারেক রহমান যাচ্ছেন কি না, ভারত তা জানে না Logo কর্মবিরতি প্রত্যাহার, কাজে ফিরলেন শজিমেকের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা Logo খালে ভাসছিল বৃদ্ধার মরদেহ, কোমরে বাঁধা বালির বস্তা Logo সংখ্যালঘু নয়, নাগরিক পরিচয়েই সবাই সমান অধিকার ভোগ করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে নতুন করে গড়তে দিন-রাত কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী: মঈন খান Logo জুরাইনে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ জনতার সমাবেশ ও মশাল মিছিল Logo প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ না দেওয়ায় যুবদল নেতার মারধর, চাঁদা দাবি

ব্রিকসে তারেক রহমান যাচ্ছেন কি না, ভারত তা জানে না

আসন্ন ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কিংবা অন্য কোনো প্রতিনিধি অংশ নেবেন কি না, সে বিষয়ে নয়াদিল্লি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানে না। সম্প্রতি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক নিয়মিত ব্রিফিংয়ে দেশটির মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই অবস্থানের কথা জানান। আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে এই আয়োজনের আউটরিচ পর্বে বাংলাদেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে নরেন্দ্র মোদীর প্রশাসন।

এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠন করার পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা বৃদ্ধি পায়। সেই সময়েই ভারতের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে একটি দ্বিপক্ষীয় রাষ্ট্রীয় সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এদিকে, ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে এর আগে চীন সরকারের পক্ষ থেকেও সমর্থন দেওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। তবে বর্তমান সরকার কিংবা সংশ্লিষ্ট মহলের তরফ থেকে সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণের চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত এখনো জানানো হয়নি।

কূটনৈতিক এই আলোচনার মধ্যেই ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল উপস্থিতি নিয়ে ঢাকা ও দিল্লির সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। ভারতের মাটিতে বসে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল মাধ্যমে রাজনৈতিক বক্তব্য প্রদান নিয়ে বাংলাদেশ সরকার তীব্র আপত্তি জানিয়েছে এবং বিষয়টি ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিতও করেছে। গত আগস্ট মাসের শুরুর দিকে দিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্ট ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তার ভার্চুয়াল যুক্ত হওয়ার ঘটনাটি ঢাকাকে ক্ষুব্ধ করে তোলে। এর ধারাবাহিকতায় সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিও বেশ জোরালো হয়েছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে।

তবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসার বিষয়ে কোনো ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কি না, সে সম্পর্কে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পূর্ণ অজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। রণধীর জয়সোয়াল ব্রিফিংয়ে স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে এই বিষয়গুলো সম্পর্কে তাদের কাছে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। উল্লেখ্য, ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা ছাড়াও মিশর, ইথিওপিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত বর্তমানে ব্রিকসের সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বিমসটেকের চেয়ারম্যান দেশ হিসেবে বাংলাদেশের উপস্থিতি এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আঞ্চলিক পরিমণ্ডলে বিশেষ গুরুত্ব বহন করবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

জনপ্রিয়

মিরপুর পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ১৩৬

ব্রিকসে তারেক রহমান যাচ্ছেন কি না, ভারত তা জানে না

প্রকাশিত ১১:৩০:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আসন্ন ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কিংবা অন্য কোনো প্রতিনিধি অংশ নেবেন কি না, সে বিষয়ে নয়াদিল্লি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানে না। সম্প্রতি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক নিয়মিত ব্রিফিংয়ে দেশটির মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই অবস্থানের কথা জানান। আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে এই আয়োজনের আউটরিচ পর্বে বাংলাদেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে নরেন্দ্র মোদীর প্রশাসন।

এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠন করার পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা বৃদ্ধি পায়। সেই সময়েই ভারতের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে একটি দ্বিপক্ষীয় রাষ্ট্রীয় সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এদিকে, ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে এর আগে চীন সরকারের পক্ষ থেকেও সমর্থন দেওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। তবে বর্তমান সরকার কিংবা সংশ্লিষ্ট মহলের তরফ থেকে সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণের চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত এখনো জানানো হয়নি।

কূটনৈতিক এই আলোচনার মধ্যেই ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল উপস্থিতি নিয়ে ঢাকা ও দিল্লির সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। ভারতের মাটিতে বসে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল মাধ্যমে রাজনৈতিক বক্তব্য প্রদান নিয়ে বাংলাদেশ সরকার তীব্র আপত্তি জানিয়েছে এবং বিষয়টি ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিতও করেছে। গত আগস্ট মাসের শুরুর দিকে দিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্ট ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তার ভার্চুয়াল যুক্ত হওয়ার ঘটনাটি ঢাকাকে ক্ষুব্ধ করে তোলে। এর ধারাবাহিকতায় সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিও বেশ জোরালো হয়েছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে।

তবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসার বিষয়ে কোনো ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কি না, সে সম্পর্কে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পূর্ণ অজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। রণধীর জয়সোয়াল ব্রিফিংয়ে স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে এই বিষয়গুলো সম্পর্কে তাদের কাছে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। উল্লেখ্য, ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা ছাড়াও মিশর, ইথিওপিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত বর্তমানে ব্রিকসের সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বিমসটেকের চেয়ারম্যান দেশ হিসেবে বাংলাদেশের উপস্থিতি এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আঞ্চলিক পরিমণ্ডলে বিশেষ গুরুত্ব বহন করবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।