ঢাকা ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo যুবদলের কেন্দ্রীয় আইন সম্পাদক হলেন এড. মুর্তজা আল কামাল Logo লাইকা-পাওয়ারড ট্রিপল ক্যামেরার ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন ‘শাওমি ১৭টি’ Logo সন্ধ্যার আগেই লাইব্রেরি বন্ধে বিপাকে শিক্ষার্থীরা, পুরোনো সময়সূচী পুনর্বহালের দাবি Logo বিশ্বকাপের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ Logo স্বামী-স্ত্রীর পাল্টাপাল্টি মামলা, দুইজনকেই পাঠানো হলো কারাগারে Logo খাবারের প্রলোভনে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ, মুদি দোকানি গ্রেপ্তার Logo কবি নজরুল সরকারি কলেজ সাংবাদিক সমিতির বৃক্ষরোপণ Logo যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিটি বাণিজ্যচুক্তি নয়, মার্কিন হুকুমনামা: আনু মুহাম্মদ Logo বিশ্ব দুগ্ধ দিবসে আড়াই হাজার শিশুকে দুধ পান করালো বাকৃবি Logo বিশ্বমানের উচ্চশিক্ষা নিশ্চিতের লক্ষ্যে রাবিতে অ্যাক্রেডিটেশন বিষয়ক কর্মশালা

যুবদলের কেন্দ্রীয় আইন সম্পাদক হলেন এড. মুর্তজা আল কামাল

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী চান্দপুর উকিল বাড়ির কৃতি সন্তান, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও বিএনপির অঙ্গসংগঠন যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতা এডভোকেট মোঃ মুর্তজা আল কামাল (মুস্তাক) বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির এক নম্বর আইন বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রাম, পেশাগত দক্ষতা এবং পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় তিনি জাতীয় পর্যায়ে একজন পরিচিত মুখ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি মহানগর দায়রা জজ আদালত বিশেষ-৬ এর পিপি (পাবলিক প্রসিকিউটর) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আইন পেশায় সততা, মেধা ও দক্ষতার মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যে সহকর্মী ও বিচারপ্রার্থীদের আস্থা অর্জন করেছেন।

এডভোকেট মোঃ মুর্তজা আল কামাল (মুস্তাক)-এর শিক্ষাজীবনও ছিল অত্যন্ত বর্ণাঢ্য। কিশোরগঞ্জ জেলা রেলওয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তাঁর শিক্ষাজীবনের সূচনা। পরে তিনি ঐতিহ্যবাহী কিশোরগঞ্জ সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং সাভার কেন্টনমেন্ট কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাবিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহাম্মদ মহসিন হলের আবাসিক ছাত্র ছিলেন।

রাজনীতির সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা ছাত্রজীবন থেকেই। প্রায় ১৭ বছরের দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সম্মুখসারির একজন কর্মী ও সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ছাত্রদলের রাজনীতিতে তিনি হাজী মুহাম্মদ মহসিন হল শাখা ছাত্রদলের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পরবর্তীতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সদস্য ও সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। যুবদলের কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে তিনি প্রথমে সিনিয়র সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক এবং বর্তমানে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

মোঃ মুর্তজা আল কামাল (মুস্তাক)-এর রাজনৈতিক ও সামাজিক দর্শনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে সাধারণ মানুষের কল্যাণ। বিশেষ করে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীসহ গ্রামীণ জনপদের অসহায়, দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।

তাঁর মতে— শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা গেলে সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব। গ্রামের নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে কর্মসংস্থানের নতুন ক্ষেত্র তৈরির ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন। সুযোগ পেলে নারী উদ্যোক্তা সৃষ্টি, কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা উন্নয়নের মাধ্যমে এলাকার নারীদের এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি।

এডভোকেট মোঃ মুর্তজা আল কামাল (মুস্তাক) একটি সমৃদ্ধ রাজনৈতিক ও আইনজীবী পরিবারের উত্তরসূরি। তাঁর দাদা মরহুম এডভোকেট মৌলভী মুসলেহউদ্দিন সুরুজ মিয়া ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা বারের অন্যতম জ্যেষ্ঠ আইনজীবী, জেলা বারের সাবেক সভাপতি, ১৯৬৫ সালের সাবেক এমপিএ এবং কিশোরগঞ্জ জেলা মুসলিম লীগের সভাপতি। বড় চাচা মরহুম এডভোকেট নুরুজ্জামান চাঁন মিয়া ছিলেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী) আসনের ১৯৮০ সালের সাবেক সংসদ সদস্য, জেলা বারের সভাপতি এবং কিশোরগঞ্জ পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান। মেজো চাচা মরহুম শামসুল হুদা হেনা মিয়া ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা শ্রমিক দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। ছোট চাচা এডভোকেট নাজমুল হুদাও জেলা বারের একজন সদস্য হিসেবে আইন পেশার সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাঁর নানা ছিলেন দেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ এ. বি. মাহমুদ হোসেন, যিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম)-কে শপথ পাঠ করানোর ঐতিহাসিক গৌরবের অংশীদার ছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি মরহুম কামরুল হুদা ও সৈয়দা নুরুন্নাহারের সন্তান। কিশোরগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী চান্দপুর উকিল বাড়িতেই তাঁর জন্ম ও বেড়ে ওঠা।

সরেজমিনে এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, স্থানীয় মানুষের কাছেও তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য এক ব্যক্তিত্ব। চান্দপুর গ্রামের বাসিন্দা এমদাদুল হক পিকু বলেন, “মোঃ মুর্তজা আল কামাল (মুস্তাক) ছোটবেলা থেকেই নম্র, ভদ্র, সৎ ও ন্যায়পরায়ণ। মানুষের বিপদে-আপদে তিনি সবসময় পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। মানুষের কল্যাণে কাজ করাই তাঁর মূল লক্ষ্য।”

স্থানীয়দের মতে, রাজনৈতিক ও পেশাগত ব্যস্ততার মধ্যেও নিজ এলাকার মানুষের সঙ্গে তাঁর নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে। শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন, আইনি সহায়তা এবং মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি কটিয়াদীর উন্নয়নে আরও বড় ভূমিকা রাখবেন বলে তারা আশাবাদী। এডভোকেট মোঃ মুর্তজা আল কামাল (মুস্তাক) ভবিষ্যতে জাতীয় রাজনীতিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও স্থানীয় সচেতন মহল।

জনপ্রিয়

যুবদলের কেন্দ্রীয় আইন সম্পাদক হলেন এড. মুর্তজা আল কামাল

যুবদলের কেন্দ্রীয় আইন সম্পাদক হলেন এড. মুর্তজা আল কামাল

প্রকাশিত ০১:৩৮:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী চান্দপুর উকিল বাড়ির কৃতি সন্তান, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও বিএনপির অঙ্গসংগঠন যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতা এডভোকেট মোঃ মুর্তজা আল কামাল (মুস্তাক) বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির এক নম্বর আইন বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রাম, পেশাগত দক্ষতা এবং পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় তিনি জাতীয় পর্যায়ে একজন পরিচিত মুখ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি মহানগর দায়রা জজ আদালত বিশেষ-৬ এর পিপি (পাবলিক প্রসিকিউটর) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আইন পেশায় সততা, মেধা ও দক্ষতার মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যে সহকর্মী ও বিচারপ্রার্থীদের আস্থা অর্জন করেছেন।

এডভোকেট মোঃ মুর্তজা আল কামাল (মুস্তাক)-এর শিক্ষাজীবনও ছিল অত্যন্ত বর্ণাঢ্য। কিশোরগঞ্জ জেলা রেলওয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তাঁর শিক্ষাজীবনের সূচনা। পরে তিনি ঐতিহ্যবাহী কিশোরগঞ্জ সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং সাভার কেন্টনমেন্ট কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাবিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহাম্মদ মহসিন হলের আবাসিক ছাত্র ছিলেন।

রাজনীতির সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা ছাত্রজীবন থেকেই। প্রায় ১৭ বছরের দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি সম্মুখসারির একজন কর্মী ও সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ছাত্রদলের রাজনীতিতে তিনি হাজী মুহাম্মদ মহসিন হল শাখা ছাত্রদলের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পরবর্তীতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সদস্য ও সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। যুবদলের কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে তিনি প্রথমে সিনিয়র সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক এবং বর্তমানে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

মোঃ মুর্তজা আল কামাল (মুস্তাক)-এর রাজনৈতিক ও সামাজিক দর্শনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে সাধারণ মানুষের কল্যাণ। বিশেষ করে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীসহ গ্রামীণ জনপদের অসহায়, দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।

তাঁর মতে— শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা গেলে সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব। গ্রামের নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে কর্মসংস্থানের নতুন ক্ষেত্র তৈরির ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন। সুযোগ পেলে নারী উদ্যোক্তা সৃষ্টি, কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা উন্নয়নের মাধ্যমে এলাকার নারীদের এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি।

এডভোকেট মোঃ মুর্তজা আল কামাল (মুস্তাক) একটি সমৃদ্ধ রাজনৈতিক ও আইনজীবী পরিবারের উত্তরসূরি। তাঁর দাদা মরহুম এডভোকেট মৌলভী মুসলেহউদ্দিন সুরুজ মিয়া ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা বারের অন্যতম জ্যেষ্ঠ আইনজীবী, জেলা বারের সাবেক সভাপতি, ১৯৬৫ সালের সাবেক এমপিএ এবং কিশোরগঞ্জ জেলা মুসলিম লীগের সভাপতি। বড় চাচা মরহুম এডভোকেট নুরুজ্জামান চাঁন মিয়া ছিলেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী) আসনের ১৯৮০ সালের সাবেক সংসদ সদস্য, জেলা বারের সভাপতি এবং কিশোরগঞ্জ পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান। মেজো চাচা মরহুম শামসুল হুদা হেনা মিয়া ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা শ্রমিক দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। ছোট চাচা এডভোকেট নাজমুল হুদাও জেলা বারের একজন সদস্য হিসেবে আইন পেশার সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাঁর নানা ছিলেন দেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ এ. বি. মাহমুদ হোসেন, যিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম)-কে শপথ পাঠ করানোর ঐতিহাসিক গৌরবের অংশীদার ছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি মরহুম কামরুল হুদা ও সৈয়দা নুরুন্নাহারের সন্তান। কিশোরগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী চান্দপুর উকিল বাড়িতেই তাঁর জন্ম ও বেড়ে ওঠা।

সরেজমিনে এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, স্থানীয় মানুষের কাছেও তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য এক ব্যক্তিত্ব। চান্দপুর গ্রামের বাসিন্দা এমদাদুল হক পিকু বলেন, “মোঃ মুর্তজা আল কামাল (মুস্তাক) ছোটবেলা থেকেই নম্র, ভদ্র, সৎ ও ন্যায়পরায়ণ। মানুষের বিপদে-আপদে তিনি সবসময় পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। মানুষের কল্যাণে কাজ করাই তাঁর মূল লক্ষ্য।”

স্থানীয়দের মতে, রাজনৈতিক ও পেশাগত ব্যস্ততার মধ্যেও নিজ এলাকার মানুষের সঙ্গে তাঁর নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে। শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন, আইনি সহায়তা এবং মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি কটিয়াদীর উন্নয়নে আরও বড় ভূমিকা রাখবেন বলে তারা আশাবাদী। এডভোকেট মোঃ মুর্তজা আল কামাল (মুস্তাক) ভবিষ্যতে জাতীয় রাজনীতিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও স্থানীয় সচেতন মহল।