ঢাকা ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo যুবদলের কেন্দ্রীয় আইন সম্পাদক হলেন এড. মুর্তজা আল কামাল Logo লাইকা-পাওয়ারড ট্রিপল ক্যামেরার ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন ‘শাওমি ১৭টি’ Logo সন্ধ্যার আগেই লাইব্রেরি বন্ধে বিপাকে শিক্ষার্থীরা, পুরোনো সময়সূচী পুনর্বহালের দাবি Logo বিশ্বকাপের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ Logo স্বামী-স্ত্রীর পাল্টাপাল্টি মামলা, দুইজনকেই পাঠানো হলো কারাগারে Logo খাবারের প্রলোভনে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ, মুদি দোকানি গ্রেপ্তার Logo কবি নজরুল সরকারি কলেজ সাংবাদিক সমিতির বৃক্ষরোপণ Logo যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিটি বাণিজ্যচুক্তি নয়, মার্কিন হুকুমনামা: আনু মুহাম্মদ Logo বিশ্ব দুগ্ধ দিবসে আড়াই হাজার শিশুকে দুধ পান করালো বাকৃবি Logo বিশ্বমানের উচ্চশিক্ষা নিশ্চিতের লক্ষ্যে রাবিতে অ্যাক্রেডিটেশন বিষয়ক কর্মশালা

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিটি বাণিজ্যচুক্তি নয়, মার্কিন হুকুমনামা: আনু মুহাম্মদ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত বাণিজ্যচুক্তির কঠোর সমালোচনা করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ও অর্থনীতিবিদ আনু মুহাম্মদ বলেছেন, বিভিন্ন দেশের মধ্যে বাণিজ্যচুক্তি হওয়া স্বাভাবিক বিষয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিটি আদৌ সাধারণ বাণিজ্যচুক্তির মধ্যে পড়ে কি না তা ভাববার বিষয়। এটিকে কোনোভাবেই বাণিজ্যচুক্তি বলা যায় না; এটি মূলত মার্কিন প্রশাসনের একটি হুকুমনামা। যেখানে বাংলাদেশ কী কী করতে বাধ্য থাকবে, তা একতরফাভাবে ঠিক করে দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১০ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পাদিত বাণিজ্যচুক্তি: হুমকিতে দেশের অর্থনীতি, জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ এসব কথা বলেন। বাম ও প্রগতিশীল ১৩টি দলের সমন্বয়ে গঠিত ‘সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট’ এই গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে।

অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, এই বাণিজ্যচুক্তিতে ঘাটতি বাণিজ্যের যুক্তি দেখিয়ে বাংলাদেশকে বেশি দামে মার্কিন পণ্য কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ অর্থনৈতিকভাবে অযৌক্তিক। চুক্তিটি পড়লে মনে হয় এখানে ‘জোর যার মুল্লুক তার’ প্রবাদের চেয়েও বেশি বাধ্যবাধকতা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। চুক্তিতে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) বিধিবিধান বা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের স্বীকৃত নীতিমালার কোনো প্রতিফলন নেই।

চুক্তি স্বাক্ষরের সময় নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে অন্তর্বর্তী সরকার নিজেদের গরজ ও আগ্রহে এই চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। অথচ বিষয়টি নির্বাচিত সরকারের জন্য অপেক্ষা করানো যেত। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ভারতসহ বেশিরভাগ দেশ এ ধরনের চুক্তি এড়িয়ে গেছে বা আলোচনার স্তরে রেখেছে। অনেক দেশ চুক্তি নিয়ে ভাবছে, সময় নিচ্ছে বা স্থগিত করেছে; অথচ বাংলাদেশ স্বেচ্ছায় এগিয়ে গিয়ে ও নিজ দায়িত্বে এই চুক্তি সম্পন্ন করেছে। যারা এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে তারা মূলত মার্কিন পক্ষেরই লোক।

অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ আরও বলেন, নির্বাচিত সরকার এসেও এই চুক্তি অব্যাহত রেখেছে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে বেশি দামে গম, তুলা, মাছ বা মাংস আমদানি করতে হলে একদিকে রাজস্ব কমবে, অন্যদিকে ভর্তুকি বাড়বে। সেই বোঝা শেষপর্যন্ত সাধারণ জনগণের ঘাড়েই পড়বে। এর ফলে দেশের ওষুধ ও ডেইরিশিল্প, আইটি ও ই-কমার্স খাত এবং গ্যাস সম্পদ— সবকিছুই চরম ঝুঁকিতে পড়বে। কেননা বেশি দামে পণ্য আমদানি করলে তা দেশীয় বাজারে বিক্রি হবে না, ফলে সরকারকে সেখানে ভর্তুকি দিতে হবে এবং রাষ্ট্র রাজস্ব হারাবে।

গোলটেবিল বৈঠকে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান চুক্তিটিকে ‘একপক্ষীয় এবং অসম’ উল্লেখ করে তা বাতিলের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, চুক্তির মূল ভিত্তিই এখন প্রশ্নবিদ্ধ। যে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ চুক্তিটি স্বাক্ষর করেছিল, তা পরবর্তী সময়ে মার্কিন আদালত বাতিল করে দেয়। নির্বাচনের তিন দিন আগে ৯ ফেব্রুয়ারি চুক্তিটি স্বাক্ষর হয়, আর ২০ ফেব্রুয়ারি মার্কিন আদালত সেই অতিরিক্ত শুল্ক বাতিল করে দেয়। অল্প কয়েকদিন অপেক্ষা করলে এই চুক্তির প্রয়োজনই পড়ত না। এই চুক্তির ফলে অন্য কোনো দেশের সঙ্গে নতুন বাণিজ্যচুক্তি করতে হলেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে, যা বাংলাদেশের বাণিজ্যনীতির স্বাধীনতাকে সংকুচিত করবে।

‘চর্চা’র সম্পাদক ও জ্যোষ্ঠ সাংবাদিক সোহরাব হাসান বলেন, অসম এই বাণিজ্যচুক্তি বাংলাদেশের অর্থনীতি, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলেছে। এই চুক্তির মাধ্যমে একতরফা সুবিধা ও কর্তৃত্ব নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে শুল্ক ও শুল্ক-বহির্ভূত নানা অসম শর্ত। এগুলোকে আমলে নিয়ে বর্তমান সরকারকে এই চুক্তি বাতিলের পদক্ষেপ নিতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক মোশাহিদাㄙুলতানা বলেন, এই চুক্তিতে বাংলাদেশের প্রয়োজনীয়তার কোনো বিষয়ই প্রাধান্য পায়নি। মনে হচ্ছে দেশ মার্কিন নিয়ন্ত্রিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থার দিকে চলে যাচ্ছে।

সভাপতির বক্তব্যে সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোটের সমন্বয়ক এবং বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, গোপনীয়তার নীতি (নন ডিসক্লোজার অ্যাগ্রিমেন্ট) মেনে হওয়া এই চুক্তি অন্তর্বর্তী সরকার কিংবা বর্তমান নির্বাচিত সরকার কেউই প্রকাশ করেনি। তবে মার্কিন বাণিজ্য দপ্তরের ওয়েবসাইটে এর ২৮ পৃষ্ঠার একটি নথি প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে টিকিয়ে রাখতে হলে অবশ্যই এই অসম বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করতে হবে। বৈঠকে আরও বক্তব্য রাখেন বিসিকের সাবেক পরিচালক আবু তাহের খান, বিজিএমইএ’র সহসভাপতি ইনামুল হক খান প্রমুখ।

জনপ্রিয়

যুবদলের কেন্দ্রীয় আইন সম্পাদক হলেন এড. মুর্তজা আল কামাল

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিটি বাণিজ্যচুক্তি নয়, মার্কিন হুকুমনামা: আনু মুহাম্মদ

প্রকাশিত ০৭:৫৭:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত বাণিজ্যচুক্তির কঠোর সমালোচনা করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ও অর্থনীতিবিদ আনু মুহাম্মদ বলেছেন, বিভিন্ন দেশের মধ্যে বাণিজ্যচুক্তি হওয়া স্বাভাবিক বিষয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিটি আদৌ সাধারণ বাণিজ্যচুক্তির মধ্যে পড়ে কি না তা ভাববার বিষয়। এটিকে কোনোভাবেই বাণিজ্যচুক্তি বলা যায় না; এটি মূলত মার্কিন প্রশাসনের একটি হুকুমনামা। যেখানে বাংলাদেশ কী কী করতে বাধ্য থাকবে, তা একতরফাভাবে ঠিক করে দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১০ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পাদিত বাণিজ্যচুক্তি: হুমকিতে দেশের অর্থনীতি, জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ এসব কথা বলেন। বাম ও প্রগতিশীল ১৩টি দলের সমন্বয়ে গঠিত ‘সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোট’ এই গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে।

অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, এই বাণিজ্যচুক্তিতে ঘাটতি বাণিজ্যের যুক্তি দেখিয়ে বাংলাদেশকে বেশি দামে মার্কিন পণ্য কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ অর্থনৈতিকভাবে অযৌক্তিক। চুক্তিটি পড়লে মনে হয় এখানে ‘জোর যার মুল্লুক তার’ প্রবাদের চেয়েও বেশি বাধ্যবাধকতা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। চুক্তিতে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) বিধিবিধান বা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের স্বীকৃত নীতিমালার কোনো প্রতিফলন নেই।

চুক্তি স্বাক্ষরের সময় নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে অন্তর্বর্তী সরকার নিজেদের গরজ ও আগ্রহে এই চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। অথচ বিষয়টি নির্বাচিত সরকারের জন্য অপেক্ষা করানো যেত। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ভারতসহ বেশিরভাগ দেশ এ ধরনের চুক্তি এড়িয়ে গেছে বা আলোচনার স্তরে রেখেছে। অনেক দেশ চুক্তি নিয়ে ভাবছে, সময় নিচ্ছে বা স্থগিত করেছে; অথচ বাংলাদেশ স্বেচ্ছায় এগিয়ে গিয়ে ও নিজ দায়িত্বে এই চুক্তি সম্পন্ন করেছে। যারা এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে তারা মূলত মার্কিন পক্ষেরই লোক।

অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ আরও বলেন, নির্বাচিত সরকার এসেও এই চুক্তি অব্যাহত রেখেছে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে বেশি দামে গম, তুলা, মাছ বা মাংস আমদানি করতে হলে একদিকে রাজস্ব কমবে, অন্যদিকে ভর্তুকি বাড়বে। সেই বোঝা শেষপর্যন্ত সাধারণ জনগণের ঘাড়েই পড়বে। এর ফলে দেশের ওষুধ ও ডেইরিশিল্প, আইটি ও ই-কমার্স খাত এবং গ্যাস সম্পদ— সবকিছুই চরম ঝুঁকিতে পড়বে। কেননা বেশি দামে পণ্য আমদানি করলে তা দেশীয় বাজারে বিক্রি হবে না, ফলে সরকারকে সেখানে ভর্তুকি দিতে হবে এবং রাষ্ট্র রাজস্ব হারাবে।

গোলটেবিল বৈঠকে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান চুক্তিটিকে ‘একপক্ষীয় এবং অসম’ উল্লেখ করে তা বাতিলের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, চুক্তির মূল ভিত্তিই এখন প্রশ্নবিদ্ধ। যে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ চুক্তিটি স্বাক্ষর করেছিল, তা পরবর্তী সময়ে মার্কিন আদালত বাতিল করে দেয়। নির্বাচনের তিন দিন আগে ৯ ফেব্রুয়ারি চুক্তিটি স্বাক্ষর হয়, আর ২০ ফেব্রুয়ারি মার্কিন আদালত সেই অতিরিক্ত শুল্ক বাতিল করে দেয়। অল্প কয়েকদিন অপেক্ষা করলে এই চুক্তির প্রয়োজনই পড়ত না। এই চুক্তির ফলে অন্য কোনো দেশের সঙ্গে নতুন বাণিজ্যচুক্তি করতে হলেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে, যা বাংলাদেশের বাণিজ্যনীতির স্বাধীনতাকে সংকুচিত করবে।

‘চর্চা’র সম্পাদক ও জ্যোষ্ঠ সাংবাদিক সোহরাব হাসান বলেন, অসম এই বাণিজ্যচুক্তি বাংলাদেশের অর্থনীতি, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলেছে। এই চুক্তির মাধ্যমে একতরফা সুবিধা ও কর্তৃত্ব নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে শুল্ক ও শুল্ক-বহির্ভূত নানা অসম শর্ত। এগুলোকে আমলে নিয়ে বর্তমান সরকারকে এই চুক্তি বাতিলের পদক্ষেপ নিতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক মোশাহিদাㄙুলতানা বলেন, এই চুক্তিতে বাংলাদেশের প্রয়োজনীয়তার কোনো বিষয়ই প্রাধান্য পায়নি। মনে হচ্ছে দেশ মার্কিন নিয়ন্ত্রিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থার দিকে চলে যাচ্ছে।

সভাপতির বক্তব্যে সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোটের সমন্বয়ক এবং বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, গোপনীয়তার নীতি (নন ডিসক্লোজার অ্যাগ্রিমেন্ট) মেনে হওয়া এই চুক্তি অন্তর্বর্তী সরকার কিংবা বর্তমান নির্বাচিত সরকার কেউই প্রকাশ করেনি। তবে মার্কিন বাণিজ্য দপ্তরের ওয়েবসাইটে এর ২৮ পৃষ্ঠার একটি নথি প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে টিকিয়ে রাখতে হলে অবশ্যই এই অসম বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করতে হবে। বৈঠকে আরও বক্তব্য রাখেন বিসিকের সাবেক পরিচালক আবু তাহের খান, বিজিএমইএ’র সহসভাপতি ইনামুল হক খান প্রমুখ।