কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ আন্দোলনকারীদের বিভিন্ন দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস পাওয়ার পর চলমান আন্দোলন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে ভারতের ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।
শনিবার নয়াদিল্লির যন্তর-মন্তরে তৃতীয় দফায় সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন সিজেপির নেতারা। সংবাদ সম্মেলনে সরকারের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিং। আর সিজেপির প্রতিনিধিত্ব করেন সংগঠনটির মুখপাত্র সৌরভ দাস ও অশুতোষ রাঙ্কা।
সৌরভ দাস বলেন, আন্দোলনকারীদের উত্থাপিত দাবিগুলো সরকার গ্রহণ করেছে। তাই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আন্দোলনে অংশ নেওয়া সবাইকে শান্তিপূর্ণভাবে নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
অশুতোষ রাঙ্কা বলেন, টানা ৩৬ দিনের আন্দোলনের পর সরকার তাদের সব দাবির বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সে কারণে সংগঠনটি আনুষ্ঠানিকভাবে আন্দোলনের সব কর্মসূচি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং সবাইকে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি সমাপ্ত করার আহ্বান জানিয়েছে।
সিজেপির অন্যতম প্রধান দাবি ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। সেই দাবি পূরণ হওয়ার পর সরকারের সঙ্গে আলোচনায় আরও কয়েকটি বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে বলে জানায় সংগঠনটি।
সিজেপির ভাষ্য অনুযায়ী, আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো প্রত্যাহার করা হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে আন্দোলনের জেরে তাদের বিরুদ্ধে কোনো প্রশাসনিক বা আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে না বলেও সরকার আশ্বাস দিয়েছে।
এ ছাড়া নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারের জন্য প্রচলিত বিধান অনুযায়ী সর্বোচ্চ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়েও সরকার সম্মতি জানিয়েছে বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।
এর আগে ধর্মেন্দ্র প্রধান কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর মধ্য দিয়ে আন্দোলনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবি পূরণ হয়। এরপর সরকার ও সিজেপির মধ্যে ধারাবাহিক আলোচনার ফলেই আন্দোলন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত আসে।
সংগঠনটির প্রতিনিধি দল জানিয়েছে, সমঝোতার অগ্রগতি পর্যালোচনায় আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে সরকারের সঙ্গে আরও একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।






























