ঢাকা ০৮:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুলকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার Logo জাবি মেডিকেল সেন্টারের ওষুধ কারচুপির ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন Logo পাবিপ্রবিতে র‍্যাগিংয়ের ঘটনায় ৩ সদস্যের কমিটি গঠন  Logo ফের মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা ও স্পেন Logo বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সেসের স্বর্ণপদক পেলেন জাবির অধ্যাপক ড. এম. শামীম কায়সার Logo কুবি উচ্চশিক্ষা সেলের নতুন তত্ত্বাবধায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ Logo পাবিপ্রবিতে শিখা এসোসিয়েশনের নেতৃত্বে সালমান-সোহান ‎ Logo বগুড়ায় মাদক মামলায় স্বামী কারাগারে, ঘরে স্ত্রী তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা Logo বিকেলে বাবার জানাজা শেষে রাতেই এটিএম বুথে ডিউটি, পরদিন এইচএসসি ইকনের Logo পাবিপ্রবিতে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ, গুরুতর অবস্থায় শিক্ষার্থী মেডিকেলে প্রেরণ

বগুড়ায় মাদক মামলায় স্বামী কারাগারে, ঘরে স্ত্রী তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা

বগুড়া সদর উপজেলায় এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর প্রায় তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। স্বামী মাদক মামলায় কারাগারে থাকার সুযোগে এই ঘটনা ঘটে বলে দাবি স্থানীয়দের। খবর জানাজানি হওয়ার পর মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে দুই অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী। তবে এই ঘটনায় জড়িত আরও একজন এখনো পলাতক রয়েছেন।

আটককৃতরা হলেন বগুড়া সদর উপজেলার ফাঁপোড় ইউনিয়নের ফাঁপোড় পূর্বপাড়া গ্রামের আজিজুল সোনারের ছেলে আলমগীর হোসেন এবং মৃত আকবর আলীর ছেলে শহিদুল ইসলাম। অন্যদিকে, পলাতক অভিযুক্ত মাহবুবুর রহমান একই এলাকার মৃত লাল চান ফকিরের ছেলে। জানা গেছে, মাহবুবুর রহমান বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজে পিয়ন হিসেবে কর্মরত।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারীর স্বামী একটি মাদক মামলায় দীর্ঘদিন কারাগারে বন্দী ছিলেন। সেই সুযোগে অভিযুক্ত তিনজন ওই মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ। একপর্যায়ে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন।

সম্প্রতি ওই নারীর স্বামী জামিনে মুক্তি পেয়ে বাড়ি ফেরেন। স্ত্রীকে অন্তঃসত্ত্বা দেখতে পেয়ে শারীরিক পরিবর্তনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ধর্ষণের বিষয়টি বিস্তারিত খুলে বলেন। ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে গ্রামবাসী একজোট হয়ে অভিযুক্ত আলমগীর ও শহিদুলকে আটক করে থানায় খবর দেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বগুড়া সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মাহফুজ আলম জানান, “স্থানীয়দের সহায়তায় দুইজনকে আটক করা হয়েছে। পলাতক অপর অভিযুক্তকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। ভুক্তভোগী বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

পুলিশ জানায়, চিকিৎসকের মাধ্যমে ভুক্তভোগীর শারীরিক পরীক্ষা এবং গর্ভধারণের বিষয়টি নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া চলছে।

জনপ্রিয়

সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি গাজী নজরুলকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার

বগুড়ায় মাদক মামলায় স্বামী কারাগারে, ঘরে স্ত্রী তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা

প্রকাশিত ০২:৫৬:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

বগুড়া সদর উপজেলায় এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর প্রায় তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। স্বামী মাদক মামলায় কারাগারে থাকার সুযোগে এই ঘটনা ঘটে বলে দাবি স্থানীয়দের। খবর জানাজানি হওয়ার পর মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে দুই অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী। তবে এই ঘটনায় জড়িত আরও একজন এখনো পলাতক রয়েছেন।

আটককৃতরা হলেন বগুড়া সদর উপজেলার ফাঁপোড় ইউনিয়নের ফাঁপোড় পূর্বপাড়া গ্রামের আজিজুল সোনারের ছেলে আলমগীর হোসেন এবং মৃত আকবর আলীর ছেলে শহিদুল ইসলাম। অন্যদিকে, পলাতক অভিযুক্ত মাহবুবুর রহমান একই এলাকার মৃত লাল চান ফকিরের ছেলে। জানা গেছে, মাহবুবুর রহমান বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজে পিয়ন হিসেবে কর্মরত।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারীর স্বামী একটি মাদক মামলায় দীর্ঘদিন কারাগারে বন্দী ছিলেন। সেই সুযোগে অভিযুক্ত তিনজন ওই মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ। একপর্যায়ে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন।

সম্প্রতি ওই নারীর স্বামী জামিনে মুক্তি পেয়ে বাড়ি ফেরেন। স্ত্রীকে অন্তঃসত্ত্বা দেখতে পেয়ে শারীরিক পরিবর্তনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ধর্ষণের বিষয়টি বিস্তারিত খুলে বলেন। ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে গ্রামবাসী একজোট হয়ে অভিযুক্ত আলমগীর ও শহিদুলকে আটক করে থানায় খবর দেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বগুড়া সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মাহফুজ আলম জানান, “স্থানীয়দের সহায়তায় দুইজনকে আটক করা হয়েছে। পলাতক অপর অভিযুক্তকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। ভুক্তভোগী বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

পুলিশ জানায়, চিকিৎসকের মাধ্যমে ভুক্তভোগীর শারীরিক পরীক্ষা এবং গর্ভধারণের বিষয়টি নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া চলছে।