ঢাকা ০৬:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেফতারের পর যুবদল নেতা বহিষ্কার

চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় একটি সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ে ভাঙচুর ও চাঁদাবাজির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ওঠার পর স্থানীয় এক যুবদল নেতাকে দলীয় পদ থেকে স্থায়ীভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি দর্শনা পৌর যুবদলের সদস্য মো. রাকিবুল হাসান ব্রাইটকে তার প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব ধরনের দলীয় কর্মকাণ্ড থেকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধ এবং দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুস্পষ্ট অভিযোগে এই কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এই বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন। এর প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তরের দায়িত্বে থাকা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া স্বাক্ষরিত একটি আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি গণমাধ্যমে পাঠানো হয়। ওই বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয় যে, দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কারণে এই নেতার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া অপরিহার্য হয়ে পড়েছিল।

এই সাংগঠনিক নির্দেশের পর যুবদলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি কঠোর সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যেন সংগঠনের কোনো পর্যায়ের নেতাকর্মী বহিষ্কৃত এই নেতার সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক কিংবা ব্যক্তিগত যোগাযোগ বা সম্পর্ক বজায় না রাখেন। দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নকারী এমন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে কেউ জড়ালে তার বিরুদ্ধেও একইভাবে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

এর আগে দর্শনা এলাকার স্থানীয় সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলামের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঢুকে হামলা, ভাঙচুর ও জোরপূর্বক চাঁদা আদায়ের চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পর ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী নিজে বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে রাকিবুল হাসান ব্রাইট এবং দর্শনা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সদস্য অমিনসহ কয়েকজনকে আটক করে। পরবর্তীতে প্রাথমিক তদন্ত শেষে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

জনপ্রিয়

হাম ও উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেফতারের পর যুবদল নেতা বহিষ্কার

প্রকাশিত ০৪:৪৫:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় একটি সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ে ভাঙচুর ও চাঁদাবাজির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ওঠার পর স্থানীয় এক যুবদল নেতাকে দলীয় পদ থেকে স্থায়ীভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি দর্শনা পৌর যুবদলের সদস্য মো. রাকিবুল হাসান ব্রাইটকে তার প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব ধরনের দলীয় কর্মকাণ্ড থেকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধ এবং দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুস্পষ্ট অভিযোগে এই কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এই বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন। এর প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তরের দায়িত্বে থাকা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া স্বাক্ষরিত একটি আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি গণমাধ্যমে পাঠানো হয়। ওই বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয় যে, দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কারণে এই নেতার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া অপরিহার্য হয়ে পড়েছিল।

এই সাংগঠনিক নির্দেশের পর যুবদলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি কঠোর সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যেন সংগঠনের কোনো পর্যায়ের নেতাকর্মী বহিষ্কৃত এই নেতার সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক কিংবা ব্যক্তিগত যোগাযোগ বা সম্পর্ক বজায় না রাখেন। দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নকারী এমন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে কেউ জড়ালে তার বিরুদ্ধেও একইভাবে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

এর আগে দর্শনা এলাকার স্থানীয় সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলামের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঢুকে হামলা, ভাঙচুর ও জোরপূর্বক চাঁদা আদায়ের চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পর ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী নিজে বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে রাকিবুল হাসান ব্রাইট এবং দর্শনা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সদস্য অমিনসহ কয়েকজনকে আটক করে। পরবর্তীতে প্রাথমিক তদন্ত শেষে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়।