ঢাকা ০৭:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হাম ও উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

দেশে হাম ও এর উপসর্গজনিত রোগের প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে এবং সাম্প্রতিক একদিনের ব্যবধানে আরও চার শিশুর প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্ত ও মৃত্যুর এই পরিসংখ্যান চিকিৎসকদের মাঝে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিনিয়ত নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপরও চাপ বাড়ছে। বিশেষ করে শিশু চিকিৎসাসেবা কেন্দ্রগুলোতে রোগীর দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, নির্দিষ্ট ওই চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে আরও তিন শিশু। এর ফলে চলতি বছরের মাঝামাঝি সময় থেকে শুরু হওয়া এই প্রাদুর্ভাবে হাম ও এর উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় হাজারের কাছাকাছি পৌঁছেছে। পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে এবং এর উপসর্গ নিয়ে সারা দেশে মোট ৯৯১টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

নতুন আক্রান্তের হিসাব বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, নির্দিষ্ট ওই সময়সীমার মধ্যে ৭৪ জন নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হওয়ার পাশাপাশি ৮৪৩ জন উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭৬১টি শিশু এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে ৫৭১ জন। স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের নির্দেশনা দিয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সার্বিক তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৬৩ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। এর মধ্যে ডায়াগনোসিসে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৯ হাজার ৬৪১ জনে দাঁড়িয়েছে। এই দীর্ঘ সময়ে মোট ১ লাখ ৪৩ হাজারেরও বেশি শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, যার মধ্যে বেশিরভাগ রোগী সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেলেও বহু পরিবার এখনো তাদের স্বজনদের হারিয়ে শোকস্তব্ধ।

জনপ্রিয়

১১ দলের লংমার্চ ঘিরে সড়কের দুপাশে নেতাকর্মীদের ঢল

হাম ও উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

প্রকাশিত ০৬:১৫:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশে হাম ও এর উপসর্গজনিত রোগের প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে এবং সাম্প্রতিক একদিনের ব্যবধানে আরও চার শিশুর প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্ত ও মৃত্যুর এই পরিসংখ্যান চিকিৎসকদের মাঝে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিনিয়ত নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপরও চাপ বাড়ছে। বিশেষ করে শিশু চিকিৎসাসেবা কেন্দ্রগুলোতে রোগীর দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, নির্দিষ্ট ওই চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে আরও তিন শিশু। এর ফলে চলতি বছরের মাঝামাঝি সময় থেকে শুরু হওয়া এই প্রাদুর্ভাবে হাম ও এর উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় হাজারের কাছাকাছি পৌঁছেছে। পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে এবং এর উপসর্গ নিয়ে সারা দেশে মোট ৯৯১টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

নতুন আক্রান্তের হিসাব বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, নির্দিষ্ট ওই সময়সীমার মধ্যে ৭৪ জন নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হওয়ার পাশাপাশি ৮৪৩ জন উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭৬১টি শিশু এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে ৫৭১ জন। স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের নির্দেশনা দিয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সার্বিক তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৬৩ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। এর মধ্যে ডায়াগনোসিসে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৯ হাজার ৬৪১ জনে দাঁড়িয়েছে। এই দীর্ঘ সময়ে মোট ১ লাখ ৪৩ হাজারেরও বেশি শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, যার মধ্যে বেশিরভাগ রোগী সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেলেও বহু পরিবার এখনো তাদের স্বজনদের হারিয়ে শোকস্তব্ধ।