ঢাকা ১০:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo মার্কিন দূতদের সঙ্গে আলোচনার পর যুদ্ধ নিয়ে যা বললেন জেলেনস্কি Logo ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কাস্টমস কর্মকর্তার মৃত্যু Logo জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দোকানে ঢুকে গুলি, অস্ত্রসহ ধরে ফেললো স্থানীয়রা Logo যুক্তরাষ্ট্রে প্লেন বিধ্বস্ত, অনেকে হতাহত Logo টিকটক ভিডিও নিয়ে বিরোধ, চুয়াডাঙ্গায় যুবককে কুপিয়ে জখম Logo নির্বাচন কবে ঠিক নেই, অথচ পোস্টার-ব্যানারে ছেয়ে গেছে মাদারীপুর Logo খুলনা বিভাগে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েছে, একদিনে আক্রান্ত ৩৩৪ Logo আজ থেকে আমানতের মূল টাকা ফেরত পাবেন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা Logo বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার শুরু ২৯ অক্টোবর Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে বিতর্কিত পোস্ট, চবি শিক্ষক বরখাস্ত

নারায়ণগঞ্জে বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ১০৪

নারায়ণগঞ্জ জেলাজুড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমনে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা পুলিশ। সম্প্রতি মাদক কারবারি, ছিনতাইকারী, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী ও অবৈধ অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে এই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। জেলার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় অভিযান চালিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করতে সক্ষম হয়। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অপরাধের শেকড় উৎপাটন করতে পুলিশের এই বিশেষ উদ্যোগটি বেশ প্রশংসিত হয়েছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ওই বিশেষ অভিযানে জেলার মোট সাতটি থানা এলাকা থেকে সর্বমোট ১০৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় সবচেয়ে বেশি ৫৪ জন, সিদ্ধিরগঞ্জে ২০ জন এবং বন্দরে ১১ জন আটক হন। এছাড়া সোনারগাঁয়ে ৮ জন, রূপগঞ্জে ৬ জন এবং আড়াইহাজার থানায় অভিযান চালিয়ে আরও ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মাদকের সঙ্গে জড়িত আসামির সংখ্যাই সর্বাধিক বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ প্রশাসন।

নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান এই অভিযানের বিস্তারিত তথ্য গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, এলাকায় মাদকের বিস্তার, ছিনতাই, চাঁদাবাজি এবং অবৈধ অস্ত্রের আধিক্য সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়ার পরই এই বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অপরাধ দমনে পুলিশের এই তৎপরতা কোনো সাময়িক ঘটনা নয়, বরং এটি তাদের নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষার একটি অংশ হিসেবে অব্যাহত থাকবে। অপরাধের সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক না কেন, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

অভিযানের অংশ হিসেবে নির্দিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠানেও তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। এ সময় একটি প্রতিষ্ঠান থেকে কয়েকজন কর্মীসহ অবৈধভাবে মদ সেবনরত অবস্থায় বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়। উদ্ধারকৃত মদের কোনো বৈধ লাইসেন্স বা কাগজপত্র ছিল কি না, তা বর্তমানে পুলিশ নিবিড়ভাবে যাচাই-বাছাই করছে। যদি প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র বা অনুমোদন না পাওয়া যায়, তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে পুলিশ সুপার স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন।

জনপ্রিয়

মার্কিন দূতদের সঙ্গে আলোচনার পর যুদ্ধ নিয়ে যা বললেন জেলেনস্কি

নারায়ণগঞ্জে বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ১০৪

প্রকাশিত ০৮:৩০:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নারায়ণগঞ্জ জেলাজুড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমনে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা পুলিশ। সম্প্রতি মাদক কারবারি, ছিনতাইকারী, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী ও অবৈধ অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে এই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। জেলার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় অভিযান চালিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করতে সক্ষম হয়। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অপরাধের শেকড় উৎপাটন করতে পুলিশের এই বিশেষ উদ্যোগটি বেশ প্রশংসিত হয়েছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ওই বিশেষ অভিযানে জেলার মোট সাতটি থানা এলাকা থেকে সর্বমোট ১০৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় সবচেয়ে বেশি ৫৪ জন, সিদ্ধিরগঞ্জে ২০ জন এবং বন্দরে ১১ জন আটক হন। এছাড়া সোনারগাঁয়ে ৮ জন, রূপগঞ্জে ৬ জন এবং আড়াইহাজার থানায় অভিযান চালিয়ে আরও ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মাদকের সঙ্গে জড়িত আসামির সংখ্যাই সর্বাধিক বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ প্রশাসন।

নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান এই অভিযানের বিস্তারিত তথ্য গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, এলাকায় মাদকের বিস্তার, ছিনতাই, চাঁদাবাজি এবং অবৈধ অস্ত্রের আধিক্য সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়ার পরই এই বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অপরাধ দমনে পুলিশের এই তৎপরতা কোনো সাময়িক ঘটনা নয়, বরং এটি তাদের নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষার একটি অংশ হিসেবে অব্যাহত থাকবে। অপরাধের সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক না কেন, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

অভিযানের অংশ হিসেবে নির্দিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠানেও তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। এ সময় একটি প্রতিষ্ঠান থেকে কয়েকজন কর্মীসহ অবৈধভাবে মদ সেবনরত অবস্থায় বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়। উদ্ধারকৃত মদের কোনো বৈধ লাইসেন্স বা কাগজপত্র ছিল কি না, তা বর্তমানে পুলিশ নিবিড়ভাবে যাচাই-বাছাই করছে। যদি প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র বা অনুমোদন না পাওয়া যায়, তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে পুলিশ সুপার স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন।