ঢাকা ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ক্ষিপ্ত হয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে পূর্বনির্ধারিত ফোনালাপ বাতিল করলেন জার্মান চ্যান্সেলর

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি মন্তব্যের জেরে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ নেতার সঙ্গে তার পূর্বনির্ধারিত একটি গুরুত্বপূর্ণ ফোনালাপ হঠাৎ করেই বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। জার্মানির অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ট্রাম্পের করা মন্তব্যই এই আকস্মিক সিদ্ধান্তের মূল কারণ বলে জানা গেছে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে প্রকাশ পায় যে, দুই নেতার মধ্যকার এই পূর্বনির্ধারিত যোগাযোগটি দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ ছিল। তবে বার্লিনের ঘরোয়া রাজনীতিতে ওয়াশিংটনের শীর্ষ নির্বাহীর অযাচিত হস্তক্ষেপ বা মন্তব্য জার্মানি ভালোভাবে নেয়নি। ফলে চ্যান্সেলর মের্ৎস এই ধরনের কূটনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত আচরণের প্রতিবাদস্বরূপ ফোনালাপে অংশ না নেওয়ার কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

বিশ্লেষকদের মতে, পশ্চিমা বিশ্বের এই দুই প্রভাবশালী মিত্র দেশের মধ্যে এই ঘটনা সাম্প্রতিক সময়ে সম্পর্কের টানাপোড়েন আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। সাধারণত দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের নীতিনির্ধারকরা বৈশ্বিক ও দ্বিপক্ষীয় নানা ইস্যুতে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে চলেন। কিন্তু অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মতপার্থক্যের জেরে এভাবে ফোনালাপ বাতিলের ঘটনা কূটনৈতিক মহলে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

এখন পর্যন্ত মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে জার্মান চ্যান্সেলরের এই অনমনীয় অবস্থান দেশটির রাজনৈতিক সার্বভৌমত্বের প্রতি তাদের কঠোর মনোভাবের স্পষ্ট বার্তা দেয়। আগামী দিনে দুই দেশের পারস্পরিক কূটনৈতিক সম্পর্কে এই ঘটনার কী ধরনের প্রভাব পড়ে, সেটি এখন দেখার বিষয়।

জনপ্রিয়

নিকলী হাওরে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ

ক্ষিপ্ত হয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে পূর্বনির্ধারিত ফোনালাপ বাতিল করলেন জার্মান চ্যান্সেলর

প্রকাশিত ১১:০১:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি মন্তব্যের জেরে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ নেতার সঙ্গে তার পূর্বনির্ধারিত একটি গুরুত্বপূর্ণ ফোনালাপ হঠাৎ করেই বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। জার্মানির অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ট্রাম্পের করা মন্তব্যই এই আকস্মিক সিদ্ধান্তের মূল কারণ বলে জানা গেছে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে প্রকাশ পায় যে, দুই নেতার মধ্যকার এই পূর্বনির্ধারিত যোগাযোগটি দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ ছিল। তবে বার্লিনের ঘরোয়া রাজনীতিতে ওয়াশিংটনের শীর্ষ নির্বাহীর অযাচিত হস্তক্ষেপ বা মন্তব্য জার্মানি ভালোভাবে নেয়নি। ফলে চ্যান্সেলর মের্ৎস এই ধরনের কূটনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত আচরণের প্রতিবাদস্বরূপ ফোনালাপে অংশ না নেওয়ার কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

বিশ্লেষকদের মতে, পশ্চিমা বিশ্বের এই দুই প্রভাবশালী মিত্র দেশের মধ্যে এই ঘটনা সাম্প্রতিক সময়ে সম্পর্কের টানাপোড়েন আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। সাধারণত দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের নীতিনির্ধারকরা বৈশ্বিক ও দ্বিপক্ষীয় নানা ইস্যুতে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে চলেন। কিন্তু অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মতপার্থক্যের জেরে এভাবে ফোনালাপ বাতিলের ঘটনা কূটনৈতিক মহলে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

এখন পর্যন্ত মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে জার্মান চ্যান্সেলরের এই অনমনীয় অবস্থান দেশটির রাজনৈতিক সার্বভৌমত্বের প্রতি তাদের কঠোর মনোভাবের স্পষ্ট বার্তা দেয়। আগামী দিনে দুই দেশের পারস্পরিক কূটনৈতিক সম্পর্কে এই ঘটনার কী ধরনের প্রভাব পড়ে, সেটি এখন দেখার বিষয়।