ঢাকা ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo শ্রীলঙ্কায় আলু রপ্তানির সম্ভাবনা যাচাইয়ে যাবে বাংলাদেশি প্রতিনিধিদল Logo উত্তরাধিকার সংক্রান্ত আইনে রাষ্ট্রপতিকে স্বাক্ষর না করার অনুরোধ শফিকুর রহমানের Logo ধর্মীয় নেতা, সেবাকর্মীদের রাষ্ট্রীয় সম্মানীতে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ: ধর্মমন্ত্রী Logo চবির সনদ সেবা এখন অনলাইনে Logo লং মার্চ করে গ্যাস-বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান হলে আমরাই আগে করতাম: প্রধানমন্ত্রী Logo বাকস্বাধীনতা যেন বাকশালীনতার সীমা লঙ্ঘন না করে: প্রধানমন্ত্রী Logo রাষ্ট্রীয় সম্পদের কৌশলগত ব্যবস্থাপনায় খসড়া নীতিমালায় মতামত আহ্বান Logo গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু Logo ‘দৃশ্যম থ্রি’ ট্রেলারে অজয়-তাবুর ‘কেমিস্ট্রি’ Logo সীমান্তে গুলি চালিয়ে বাংলাদেশিদের ৪টি নৌকা নিয়ে গেছে বিএসএফ

বাকস্বাধীনতা যেন বাকশালীনতার সীমা লঙ্ঘন না করে: প্রধানমন্ত্রী

দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে রাজনৈতিক দলগুলোকে দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান। সম্প্রতি এক বক্তব্যে তিনি স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেছেন যে, নাগরিকদের বাকস্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি সবাইকে শালীনতার সীমার ভেতরে থেকে নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। সরকারের নীতিনির্ধারক ও দলীয় প্রধান হিসেবে তিনি মনে করেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে, তবে তা যেন কোনোভাবেই সামাজিক শৃঙ্খলা বা শিষ্টাচার লঙ্ঘন না করে।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে আরও জানান যে, গণতন্ত্রের মূল সৌন্দর্য হলো ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা এবং গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে দেশ ও সমাজের কল্যাণ সাধন করা। তবে সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে যেভাবে ভাষা ও আচরণের অবনতি ঘটছে, তা নিয়ে তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তার মতে, স্বাধীনতার নামে দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য বা উসকানিমূলক বক্তব্য দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

সরকারপ্রধানের এই আহ্বানকে দেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা অত্যন্ত সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রতি তার এই বার্তাটি মূলত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং সহনশীলতা ফিরিয়ে আনার একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। অবাধ তথ্যপ্রবাহ এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার যুগে এসেও কীভাবে নৈতিকতা বজায় রাখা যায়, সে বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে নতুন করে ভেবে দেখার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

সবশেষে, প্রধানমন্ত্রী দেশের সব রাজনৈতিক শক্তিকে দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তোলার ওপর জোর দেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, দেশের রাজনৈতিক দলগুলো এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে গঠনমূলক ও শালীন রাজনীতি চর্চায় নিজেদের নিয়োজিত করবে। এর ফলে সাধারণ মানুষের মনে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে এবং দেশ একটি শান্তিপূর্ণ অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

জনপ্রিয়

শ্রীলঙ্কায় আলু রপ্তানির সম্ভাবনা যাচাইয়ে যাবে বাংলাদেশি প্রতিনিধিদল

বাকস্বাধীনতা যেন বাকশালীনতার সীমা লঙ্ঘন না করে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত ০২:৪৬:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে রাজনৈতিক দলগুলোকে দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান। সম্প্রতি এক বক্তব্যে তিনি স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেছেন যে, নাগরিকদের বাকস্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি সবাইকে শালীনতার সীমার ভেতরে থেকে নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। সরকারের নীতিনির্ধারক ও দলীয় প্রধান হিসেবে তিনি মনে করেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে, তবে তা যেন কোনোভাবেই সামাজিক শৃঙ্খলা বা শিষ্টাচার লঙ্ঘন না করে।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে আরও জানান যে, গণতন্ত্রের মূল সৌন্দর্য হলো ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা এবং গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে দেশ ও সমাজের কল্যাণ সাধন করা। তবে সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে যেভাবে ভাষা ও আচরণের অবনতি ঘটছে, তা নিয়ে তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তার মতে, স্বাধীনতার নামে দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য বা উসকানিমূলক বক্তব্য দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

সরকারপ্রধানের এই আহ্বানকে দেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা অত্যন্ত সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রতি তার এই বার্তাটি মূলত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং সহনশীলতা ফিরিয়ে আনার একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। অবাধ তথ্যপ্রবাহ এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার যুগে এসেও কীভাবে নৈতিকতা বজায় রাখা যায়, সে বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে নতুন করে ভেবে দেখার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

সবশেষে, প্রধানমন্ত্রী দেশের সব রাজনৈতিক শক্তিকে দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তোলার ওপর জোর দেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, দেশের রাজনৈতিক দলগুলো এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে গঠনমূলক ও শালীন রাজনীতি চর্চায় নিজেদের নিয়োজিত করবে। এর ফলে সাধারণ মানুষের মনে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে এবং দেশ একটি শান্তিপূর্ণ অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।