ঢাকা ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo ইরান যুদ্ধের ধাক্কা: মাঝপথে বিশ্বভ্রমণ থামিয়ে প্রমোদতরীর নোঙর কম্বোডিয়ায় Logo আইইডিসিআর পরিচালককে মারধর: ড্যাব থেকে জাহিদ হোসেন বহিষ্কার Logo তরুণীর সঙ্গে ভিডিও: ‘ষড়যন্ত্র’ বলছেন নাটোরের এমপি আজিজ Logo বিশ্ব ব্যাংকের শঙ্কা: সংঘাত ও এল নিনিওয় পণ্যমূল্য বাড়বে ২৩% Logo মোবাইল হ্যান্ডসেট নিবন্ধন এবারও হবে না? Logo লেকের দূষণ রোধ: ১৫ নভেম্বরের মধ্যে ভবনে সেপটিক ট্যাংক নির্মাণের নির্দেশ Logo খোলা বাজারে ডলার উঠেছে ১২৮ টাকায় Logo লিবিয়ার বন্দিশালা থেকে ফিরছেন আরও ১৭২ বাংলাদেশি Logo ঠাকুরগাঁওয়ের ভোটে মাগুরাকে কেন টানছে জামায়াত? Logo শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে কুবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পোস্টারিং

বাকস্বাধীনতা যেন বাকশালীনতার সীমা লঙ্ঘন না করে: প্রধানমন্ত্রী

দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে রাজনৈতিক দলগুলোকে দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান। সম্প্রতি এক বক্তব্যে তিনি স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেছেন যে, নাগরিকদের বাকস্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি সবাইকে শালীনতার সীমার ভেতরে থেকে নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। সরকারের নীতিনির্ধারক ও দলীয় প্রধান হিসেবে তিনি মনে করেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে, তবে তা যেন কোনোভাবেই সামাজিক শৃঙ্খলা বা শিষ্টাচার লঙ্ঘন না করে।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে আরও জানান যে, গণতন্ত্রের মূল সৌন্দর্য হলো ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা এবং গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে দেশ ও সমাজের কল্যাণ সাধন করা। তবে সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে যেভাবে ভাষা ও আচরণের অবনতি ঘটছে, তা নিয়ে তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তার মতে, স্বাধীনতার নামে দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য বা উসকানিমূলক বক্তব্য দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

সরকারপ্রধানের এই আহ্বানকে দেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা অত্যন্ত সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রতি তার এই বার্তাটি মূলত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং সহনশীলতা ফিরিয়ে আনার একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। অবাধ তথ্যপ্রবাহ এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার যুগে এসেও কীভাবে নৈতিকতা বজায় রাখা যায়, সে বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে নতুন করে ভেবে দেখার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

সবশেষে, প্রধানমন্ত্রী দেশের সব রাজনৈতিক শক্তিকে দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তোলার ওপর জোর দেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, দেশের রাজনৈতিক দলগুলো এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে গঠনমূলক ও শালীন রাজনীতি চর্চায় নিজেদের নিয়োজিত করবে। এর ফলে সাধারণ মানুষের মনে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে এবং দেশ একটি শান্তিপূর্ণ অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

জনপ্রিয়

ইরান যুদ্ধের ধাক্কা: মাঝপথে বিশ্বভ্রমণ থামিয়ে প্রমোদতরীর নোঙর কম্বোডিয়ায়

বাকস্বাধীনতা যেন বাকশালীনতার সীমা লঙ্ঘন না করে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত ০২:৪৬:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে রাজনৈতিক দলগুলোকে দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান। সম্প্রতি এক বক্তব্যে তিনি স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেছেন যে, নাগরিকদের বাকস্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি সবাইকে শালীনতার সীমার ভেতরে থেকে নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। সরকারের নীতিনির্ধারক ও দলীয় প্রধান হিসেবে তিনি মনে করেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে, তবে তা যেন কোনোভাবেই সামাজিক শৃঙ্খলা বা শিষ্টাচার লঙ্ঘন না করে।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে আরও জানান যে, গণতন্ত্রের মূল সৌন্দর্য হলো ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা এবং গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে দেশ ও সমাজের কল্যাণ সাধন করা। তবে সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে যেভাবে ভাষা ও আচরণের অবনতি ঘটছে, তা নিয়ে তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তার মতে, স্বাধীনতার নামে দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য বা উসকানিমূলক বক্তব্য দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

সরকারপ্রধানের এই আহ্বানকে দেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা অত্যন্ত সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রতি তার এই বার্তাটি মূলত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং সহনশীলতা ফিরিয়ে আনার একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। অবাধ তথ্যপ্রবাহ এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার যুগে এসেও কীভাবে নৈতিকতা বজায় রাখা যায়, সে বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে নতুন করে ভেবে দেখার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

সবশেষে, প্রধানমন্ত্রী দেশের সব রাজনৈতিক শক্তিকে দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তোলার ওপর জোর দেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, দেশের রাজনৈতিক দলগুলো এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে গঠনমূলক ও শালীন রাজনীতি চর্চায় নিজেদের নিয়োজিত করবে। এর ফলে সাধারণ মানুষের মনে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে এবং দেশ একটি শান্তিপূর্ণ অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।