ঢাকা ০৯:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সম্পত্তি হস্তান্তর আইন কোরআন-সুন্নাহবিরোধী: সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা

সম্প্রতি জাতীয় সংসদে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলাকালে সম্পত্তি হস্তান্তর আইন নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি দাবি করেছেন যে, সম্প্রতি পাস হওয়া এই সম্পত্তি হস্তান্তর আইনটি পবিত্র কোরআন এবং মহানবী (সা.)-এর সুন্নাহর সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে সাংঘর্ষিক। রাষ্ট্রের এই গুরুত্বপূর্ণ নীতি নির্ধারণী বিষয়ে দেশের শীর্ষস্থানীয় উলামায়ে কেরাম ও ইসলামি চিন্তাবিদদের মধ্যে ইতিমধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আইনটি যেন কোনোভাবেই চূড়ান্ত রূপ লাভ না করে, সে বিষয়ে রাষ্ট্রপতির হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বিরোধীদলীয় এই নেতা। তিনি সংসদের মাধ্যমেই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ অভিভাবকের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যেন এই আইনে কোনো অবস্থাতেই সই করা না হয়। দেশের আলেম সমাজের তীব্র প্রতিবাদের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন যে, ধর্মীয় অনুভূতির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত এমন একটি বিষয়ে কোনো ধরনের দ্বিমুখী নীতি কাম্য হতে পারে না।

অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সরকারের পক্ষ থেকে কোরআন-সুন্নাহর পরিপন্থী কোনো আইন প্রণয়ন করা হবে না বলে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, সেটি রক্ষার তাগিদ দিয়েছেন জামায়াত আমির। তিনি প্রস্তাব করেছেন যে, বিতর্কিত এই আইনটি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কাছে পাঠানো উচিত, যাতে দেশের প্রখ্যাত আলেম ও ইসলামি স্কলারদের নিয়ে এটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা যায়। প্রয়োজনে এই পুরো প্রক্রিয়াটিতে তারা সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে প্রস্তুত রয়েছেন বলেও তিনি সংসদকে অবহিত করেন।

এই ধরনের আইন প্রণয়নের পেছনে সরকারের ভিন্ন কোনো গোপন উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলে গভীর আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, এ ধরনের আইন সাধারণ মানুষের কোনো কল্যাণ সাধন করবে না, বরং দিনশেষে রাষ্ট্রক্ষমতাকেই একতরফা সুবিধা দিতে পারে। বিগত দিনে দেশের রাজনীতিতে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি সতর্ক করেন যে, এমন পদক্ষেপ ভবিষ্যতে আবারও ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থার দিকে ধাবিত হতে পারে। আইনটির প্রতিবাদে এর আগে তাদের দলীয় সংসদ সদস্যরা সংসদ বর্জনসহ নানা ধরনের কর্মসূচি পালন করেছিলেন বলেও তিনি তার বক্তব্যে পুনর্ব্যক্ত করেন।

জনপ্রিয়

দাফন নাকি দাহ, পাঁচ দিন ধরে ডিপ ফ্রিজে শুভর লাশ

সম্পত্তি হস্তান্তর আইন কোরআন-সুন্নাহবিরোধী: সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা

প্রকাশিত ০৯:০১:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সম্প্রতি জাতীয় সংসদে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলাকালে সম্পত্তি হস্তান্তর আইন নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি দাবি করেছেন যে, সম্প্রতি পাস হওয়া এই সম্পত্তি হস্তান্তর আইনটি পবিত্র কোরআন এবং মহানবী (সা.)-এর সুন্নাহর সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে সাংঘর্ষিক। রাষ্ট্রের এই গুরুত্বপূর্ণ নীতি নির্ধারণী বিষয়ে দেশের শীর্ষস্থানীয় উলামায়ে কেরাম ও ইসলামি চিন্তাবিদদের মধ্যে ইতিমধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আইনটি যেন কোনোভাবেই চূড়ান্ত রূপ লাভ না করে, সে বিষয়ে রাষ্ট্রপতির হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বিরোধীদলীয় এই নেতা। তিনি সংসদের মাধ্যমেই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ অভিভাবকের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যেন এই আইনে কোনো অবস্থাতেই সই করা না হয়। দেশের আলেম সমাজের তীব্র প্রতিবাদের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন যে, ধর্মীয় অনুভূতির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত এমন একটি বিষয়ে কোনো ধরনের দ্বিমুখী নীতি কাম্য হতে পারে না।

অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সরকারের পক্ষ থেকে কোরআন-সুন্নাহর পরিপন্থী কোনো আইন প্রণয়ন করা হবে না বলে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, সেটি রক্ষার তাগিদ দিয়েছেন জামায়াত আমির। তিনি প্রস্তাব করেছেন যে, বিতর্কিত এই আইনটি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কাছে পাঠানো উচিত, যাতে দেশের প্রখ্যাত আলেম ও ইসলামি স্কলারদের নিয়ে এটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা যায়। প্রয়োজনে এই পুরো প্রক্রিয়াটিতে তারা সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে প্রস্তুত রয়েছেন বলেও তিনি সংসদকে অবহিত করেন।

এই ধরনের আইন প্রণয়নের পেছনে সরকারের ভিন্ন কোনো গোপন উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলে গভীর আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, এ ধরনের আইন সাধারণ মানুষের কোনো কল্যাণ সাধন করবে না, বরং দিনশেষে রাষ্ট্রক্ষমতাকেই একতরফা সুবিধা দিতে পারে। বিগত দিনে দেশের রাজনীতিতে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি সতর্ক করেন যে, এমন পদক্ষেপ ভবিষ্যতে আবারও ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থার দিকে ধাবিত হতে পারে। আইনটির প্রতিবাদে এর আগে তাদের দলীয় সংসদ সদস্যরা সংসদ বর্জনসহ নানা ধরনের কর্মসূচি পালন করেছিলেন বলেও তিনি তার বক্তব্যে পুনর্ব্যক্ত করেন।