ঢাকা ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

খালি কীটনাশকের বোতল ফেরত দিলেই নগদ টাকা, পরিবেশ রক্ষায় ইন্ডোফিলের অভিনব উদ্যোগ

বাংলাদেশে কৃষি উৎপাদনের সঙ্গে সঙ্গে কীটনাশকের ব্যবহার বেড়েছে বহুগুণে। ১৯৭২ সালে মাত্র ৪ হাজার মেট্রিক টন কীটনাশক ব্যবহৃত হলেও ২০২২ সালে তা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪০ হাজার মেট্রিক টনে। ধান, শাকসবজি ও ফলমূল উৎপাদনে এই বিপুল পরিমাণ কীটনাশক ব্যবহারের ফলে বাজারে ছড়িয়ে পড়ছে হাজার হাজার প্লাস্টিক বোতল ও প্যাকেট। এগুলো সাধারণত বিষাক্ত এবং পুনঃব্যবহার অনুপযোগী হওয়ায় পরিবেশে মারাত্মক দূষণ সৃষ্টি করছে।

এই সমস্যার সমাধানে ইন্ডোফিল বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড চালু করেছে ব্যতিক্রমী কার্যক্রম ‘ইকো এগ্রো ডিপোজিট স্কিম’। এর আওতায় কৃষকরা ব্যবহৃত কীটনাশকের খালি বোতল ও প্যাকেট ফেরত দিলে নির্ধারিত অর্থ বা প্রণোদনা পাবেন। কোম্পানির প্রতিনিধিরা রিটেইলার ও ডিলার পয়েন্ট থেকে এসব বোতল সংগ্রহ করে পরিবেশবান্ধবভাবে ধ্বংসের জন্য Geocycle-এর কাছে হস্তান্তর করবে। এর ফলে কৃষিজমি, রাস্তার পাশ, খাল-বিল কিংবা উন্মুক্ত স্থানে প্লাস্টিক বর্জ্য কমে আসবে।

কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. রেজাউল করিমের উদ্যোগে উক্ত কার্যক্রমে যুক্ত প্রতিষ্ঠানটির গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন কর্মকর্তা হলেন ইন্ডোফিল বাংলাদেশের কান্ট্রি হেড মোঃ শহিদুল আলম, ন্যাশনাল সেলস ম্যানেজার মোঃ রেজাউল ইসলাম, ম্যানুফেকচারিং এন্ড সাপ্লাই চেইন ম্যানেজার মোঃ হাফিজুর রহমান এবং সেলস এক্সিকিউটিভ কৃষিবিদ মোঃ গোলাম সরোয়ার। তাদের নেতৃত্বে এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হচ্ছে এবং কৃষকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো হচ্ছে।

উদ্যোক্তাদের মতে, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কৃষকদের মধ্যে যদি খালি বোতল-প্যাকেট ফেরত দেওয়ার অভ্যাস গড়ে ওঠে, তবে কৃষি বর্জ্যজনিত দূষণ অনেকটাই কমানো সম্ভব। কৃষকরা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে জানিয়েছেন, এটি তাদের আর্থিকভাবে উৎসাহিত করবে এবং পরিবেশ রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা রাখতে সাহায্য করবে।

জনপ্রিয়

দুরন্ত ইয়ামালে দুর্দান্ত বার্সা, টানা ৫ ম্যাচে জয়

খালি কীটনাশকের বোতল ফেরত দিলেই নগদ টাকা, পরিবেশ রক্ষায় ইন্ডোফিলের অভিনব উদ্যোগ

প্রকাশিত ১১:৫৬:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশে কৃষি উৎপাদনের সঙ্গে সঙ্গে কীটনাশকের ব্যবহার বেড়েছে বহুগুণে। ১৯৭২ সালে মাত্র ৪ হাজার মেট্রিক টন কীটনাশক ব্যবহৃত হলেও ২০২২ সালে তা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪০ হাজার মেট্রিক টনে। ধান, শাকসবজি ও ফলমূল উৎপাদনে এই বিপুল পরিমাণ কীটনাশক ব্যবহারের ফলে বাজারে ছড়িয়ে পড়ছে হাজার হাজার প্লাস্টিক বোতল ও প্যাকেট। এগুলো সাধারণত বিষাক্ত এবং পুনঃব্যবহার অনুপযোগী হওয়ায় পরিবেশে মারাত্মক দূষণ সৃষ্টি করছে।

এই সমস্যার সমাধানে ইন্ডোফিল বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড চালু করেছে ব্যতিক্রমী কার্যক্রম ‘ইকো এগ্রো ডিপোজিট স্কিম’। এর আওতায় কৃষকরা ব্যবহৃত কীটনাশকের খালি বোতল ও প্যাকেট ফেরত দিলে নির্ধারিত অর্থ বা প্রণোদনা পাবেন। কোম্পানির প্রতিনিধিরা রিটেইলার ও ডিলার পয়েন্ট থেকে এসব বোতল সংগ্রহ করে পরিবেশবান্ধবভাবে ধ্বংসের জন্য Geocycle-এর কাছে হস্তান্তর করবে। এর ফলে কৃষিজমি, রাস্তার পাশ, খাল-বিল কিংবা উন্মুক্ত স্থানে প্লাস্টিক বর্জ্য কমে আসবে।

কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. রেজাউল করিমের উদ্যোগে উক্ত কার্যক্রমে যুক্ত প্রতিষ্ঠানটির গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন কর্মকর্তা হলেন ইন্ডোফিল বাংলাদেশের কান্ট্রি হেড মোঃ শহিদুল আলম, ন্যাশনাল সেলস ম্যানেজার মোঃ রেজাউল ইসলাম, ম্যানুফেকচারিং এন্ড সাপ্লাই চেইন ম্যানেজার মোঃ হাফিজুর রহমান এবং সেলস এক্সিকিউটিভ কৃষিবিদ মোঃ গোলাম সরোয়ার। তাদের নেতৃত্বে এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হচ্ছে এবং কৃষকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো হচ্ছে।

উদ্যোক্তাদের মতে, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কৃষকদের মধ্যে যদি খালি বোতল-প্যাকেট ফেরত দেওয়ার অভ্যাস গড়ে ওঠে, তবে কৃষি বর্জ্যজনিত দূষণ অনেকটাই কমানো সম্ভব। কৃষকরা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে জানিয়েছেন, এটি তাদের আর্থিকভাবে উৎসাহিত করবে এবং পরিবেশ রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা রাখতে সাহায্য করবে।