ঢাকা ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬

খুলে দেওয়ার দুই মাসেই ৬ কোটি টাকার সেতুর সংযোগ সড়কে ধস

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার ঝলইশালশিরি ইউনিয়নের ধরধরা এলাকায় টাঙ্গন নদীর ওপর নির্মিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুর সংযোগ সড়ক আকস্মিকভাবে ধসে পড়েছে। প্রায় ছয় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সেতুটি জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার মাত্র দুই থেকে তিন মাসের মাথায় এই বিপত্তি দেখা দেয়। সংযোগ সড়কটি বসে যাওয়ায় এই অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে এবং স্থানীয় লোকজনকে চলাচলের ক্ষেত্রে মারাত্মক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নদীর ওপর সেতু নির্মিত হওয়ায় এলাকার মানুষের যাতায়াত সহজ হয়েছিল এবং উৎপাদিত কৃষিপণ্য সহজে বাজারে নেওয়া সম্ভব হচ্ছিল। কিন্তু কিছুদিন না যেতেই সংযোগ সড়কের একাংশ ধসে পড়ায় সেই সুবিধা এখন হুমকির মুখে পড়েছে। অপরিকল্পিত নির্মাণকাজ এবং মানহীন উপকরণের ব্যবহারের কারণে এত অল্প সময়ের মধ্যে এমন বিপর্যয় ঘটেছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

যানবাহন চলাচলের প্রধান পথ হঠাৎ এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতকারী সাধারণ পথচারীরা চরম উৎকণ্ঠার মধ্য দিয়ে ওই স্থান অতিক্রম করছেন। দ্রুত কোনো পদক্ষেপ না নিলে যেকোনো সময় সম্পূর্ণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা।

এদিকে জনগুরুত্বপূর্ণ এই সেতুর সংযোগ সড়ক ধসে পড়ার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের নজরে এসেছে বলে জানা গেছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে সরেজমিন তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে সড়কটি মেরামত করা হবে বলে স্থানীয়রা প্রত্যাশা করছেন। অন্যথায় ক্ষতিগ্রস্ত এই জনপদের মানুষের দুর্ভোগ আরও দীর্ঘস্থায়ী রূপ নেবে।

জনপ্রিয়

ভিয়ারেয়ালকে গোলবন্যায় ভাসাল পিএসজি

খুলে দেওয়ার দুই মাসেই ৬ কোটি টাকার সেতুর সংযোগ সড়কে ধস

প্রকাশিত ০২:১৬:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার ঝলইশালশিরি ইউনিয়নের ধরধরা এলাকায় টাঙ্গন নদীর ওপর নির্মিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুর সংযোগ সড়ক আকস্মিকভাবে ধসে পড়েছে। প্রায় ছয় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সেতুটি জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার মাত্র দুই থেকে তিন মাসের মাথায় এই বিপত্তি দেখা দেয়। সংযোগ সড়কটি বসে যাওয়ায় এই অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে এবং স্থানীয় লোকজনকে চলাচলের ক্ষেত্রে মারাত্মক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নদীর ওপর সেতু নির্মিত হওয়ায় এলাকার মানুষের যাতায়াত সহজ হয়েছিল এবং উৎপাদিত কৃষিপণ্য সহজে বাজারে নেওয়া সম্ভব হচ্ছিল। কিন্তু কিছুদিন না যেতেই সংযোগ সড়কের একাংশ ধসে পড়ায় সেই সুবিধা এখন হুমকির মুখে পড়েছে। অপরিকল্পিত নির্মাণকাজ এবং মানহীন উপকরণের ব্যবহারের কারণে এত অল্প সময়ের মধ্যে এমন বিপর্যয় ঘটেছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

যানবাহন চলাচলের প্রধান পথ হঠাৎ এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতকারী সাধারণ পথচারীরা চরম উৎকণ্ঠার মধ্য দিয়ে ওই স্থান অতিক্রম করছেন। দ্রুত কোনো পদক্ষেপ না নিলে যেকোনো সময় সম্পূর্ণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা।

এদিকে জনগুরুত্বপূর্ণ এই সেতুর সংযোগ সড়ক ধসে পড়ার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের নজরে এসেছে বলে জানা গেছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে সরেজমিন তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে সড়কটি মেরামত করা হবে বলে স্থানীয়রা প্রত্যাশা করছেন। অন্যথায় ক্ষতিগ্রস্ত এই জনপদের মানুষের দুর্ভোগ আরও দীর্ঘস্থায়ী রূপ নেবে।