অর্থনীতি ডেস্ক: দীর্ঘ এক যুগ ধরে বন্ধ থাকা কক্সবাজারের ১৪৬৬টি চিংড়ি মহালের কার্যক্রম পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সচিবালয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভায় চিংড়ি মহালগুলোর আগের সব অপরিশোধিত সুদ সম্পূর্ণ মওকুফ করারও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এর মাধ্যমে দেশের চিংড়ি মহাল ব্যবস্থাপনার দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতা দূর হওয়ার পথ তৈরি হলো।
খাতটির শৃঙ্খলা ফেরাতে আয়োজিত ওই সভায় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় বন বিভাগের গেজেট থেকে বনহীন জমি বাদ দিয়ে তা চিংড়ি চাষের জন্য অবমুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়। এছাড়া বন, মৎস্য ও পশুপালন মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা ১ লাখ ৯৫ হাজার একর জমি ভূমি মন্ত্রণালয়ে ফিরিয়ে আনার বিষয়েও জোর দেওয়া হয়।
আদালতে রিট মামলার কারণে ২০১২-১৩ অর্থবছর থেকে কক্সবাজারের এসব চিংড়ি মহালের কার্যক্রম বন্ধ ছিল। এই মামলার জট ছাড়াতে এবং মহালগুলো সচল করতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি ১৯৯২ সালের পুরোনো চিংড়ি মহাল কমিটি পুনর্গঠন এবং নতুন করে খাজনা নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সভায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীসহ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা অংশ নেন। ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন জানান, চিংড়ি মহাল থেকে কার্যকর রাজস্ব আদায় এবং অনিয়ম দূর করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সরকারের এই পদক্ষেপে খাতের অব্যবস্থাপনা দূর হয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।




































