ঢাকা ০২:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo রাজধানীর সূত্রাপুরে ঘরে পেট্রল ঢেলে আগুন, ছেলের পর বাবারও মৃত্যু Logo শিশুর আঙুল কেটে ফেলার অভিযোগে কনস্টেবল ও তাঁর স্ত্রী গ্রেপ্তার Logo জামিন পেলেও নতুন মামলা, জেলগেটে ফের গ্রেফতার, আইনের লঙ্ঘন নিয়ে প্রশ্ন Logo নেতানিয়াহু জাতিসংঘের মঞ্চে উঠতেই ওয়াকআউট, বিক্ষোভ Logo সিজারের পরপরই নারীর মৃত্যু, চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ Logo ইসরাইলে পুলিশে পদত্যাগের হিড়িক, জনবলের ব্যাপক সংকট Logo গরুর মাংস দিয়ে যেভাবে স্টু বানাবেন, দেখুন রেসিপি Logo বিরামপুর সীমান্তে ৯ জনকে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা বিএসএফের, ৩ জনকে ফেরত পাঠাল বিজিবি Logo যাত্রাবাড়ীতে বিশেষ অভিযানে যুবলীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ১৬ Logo নেশনস লিগের শুরুতেই বিবর্ণ রোনালদো

সিলেটে হামের উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ৬৩২ জন

সিলেট অঞ্চলে হাম রোগের সংক্রমণ ও প্রাণহানি উদ্বেজনক হারে বেড়েই চলেছে। সম্প্রতি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, সেখানে গত একদিনের ব্যবধানে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই মর্মান্তিক ঘটনার মধ্য দিয়ে চলতি বছরে বিভাগটিতে হাম ও এর উপসর্গজনিত কারণে মৃতের মোট সংখ্যা বেড়ে ১৭৫ জনে গিয়ে ঠেকেছে। পাশাপাশি, একই সময়ে এই অঞ্চলের বিভিন্ন হাসপাতাল ও চিকিৎসাকেন্দ্রে নতুন করে বহু রোগী ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, প্রাণ হারানো দুই শিশুর মধ্যে একজনের বাড়ি সিলেট সদর উপজেলায় এবং অন্যজন হবিগঞ্জ সদর এলাকার বাসিন্দা। মৃত চার মাস বয়সী শিশু আদিয়ান সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় এবং হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় ১০ মাস বয়সী শিশু ইয়াসিন। এই আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনায় শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েছেন শিশু দুটির পরিবারসহ স্থানীয় এলাকাবাসী।

এদিকে বিভাগের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে রোগীর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মোট ৬৩২ জন সন্দেহজনক হাম রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে কেবল সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালেই ১৮৫ জন, সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৫৫ জন এবং সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৬০ জন রোগী ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

প্রতিবেদনে আরও প্রকাশ পেয়েছে যে, সম্প্রতি একদিনের ব্যবধানে কেবল হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ১৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, ওই নির্দিষ্ট সময়ে নতুন করে কোনো নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়নি। চিকিৎসকরা বলছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং আক্রান্ত শিশুদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

জনপ্রিয়

রাজধানীর সূত্রাপুরে ঘরে পেট্রল ঢেলে আগুন, ছেলের পর বাবারও মৃত্যু

সিলেটে হামের উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ৬৩২ জন

প্রকাশিত ১২:৩১:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সিলেট অঞ্চলে হাম রোগের সংক্রমণ ও প্রাণহানি উদ্বেজনক হারে বেড়েই চলেছে। সম্প্রতি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, সেখানে গত একদিনের ব্যবধানে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই মর্মান্তিক ঘটনার মধ্য দিয়ে চলতি বছরে বিভাগটিতে হাম ও এর উপসর্গজনিত কারণে মৃতের মোট সংখ্যা বেড়ে ১৭৫ জনে গিয়ে ঠেকেছে। পাশাপাশি, একই সময়ে এই অঞ্চলের বিভিন্ন হাসপাতাল ও চিকিৎসাকেন্দ্রে নতুন করে বহু রোগী ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, প্রাণ হারানো দুই শিশুর মধ্যে একজনের বাড়ি সিলেট সদর উপজেলায় এবং অন্যজন হবিগঞ্জ সদর এলাকার বাসিন্দা। মৃত চার মাস বয়সী শিশু আদিয়ান সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় এবং হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় ১০ মাস বয়সী শিশু ইয়াসিন। এই আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনায় শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েছেন শিশু দুটির পরিবারসহ স্থানীয় এলাকাবাসী।

এদিকে বিভাগের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে রোগীর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মোট ৬৩২ জন সন্দেহজনক হাম রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে কেবল সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালেই ১৮৫ জন, সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৫৫ জন এবং সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৬০ জন রোগী ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

প্রতিবেদনে আরও প্রকাশ পেয়েছে যে, সম্প্রতি একদিনের ব্যবধানে কেবল হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ১৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, ওই নির্দিষ্ট সময়ে নতুন করে কোনো নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়নি। চিকিৎসকরা বলছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং আক্রান্ত শিশুদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।