ঢাকা ০৩:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo তুরস্ককে উড়িয়ে জয়ে ফিরল ইতালি Logo কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের সাবেক এমপির বাসা থেকে ছাত্রলীগের ১৫ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার Logo ‘ভয়ংকর’ যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ইরান Logo ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বিক্রির অভিযোগে ইউপিএলের বিক্রয়কেন্দ্রে তালা Logo ‘ইরান যুদ্ধ নিয়ে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে কথা বলেছে যুক্তরাষ্ট্র’ Logo ‘হুমকি দিয়ে আন্দোলন দমানো যাবে না’, মধ্যরাতে উত্তাল চুয়েট Logo গাজা পুনর্গঠন ও ফিলিস্তিনের অধিকারের প্রতি সমর্থন শ্রীলঙ্কার Logo ‘হুমকি দিয়ে আন্দোলন থামানো যাবে না’, চুয়েটে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ Logo বাংলাদেশি নাবিক বললেন, ‘কেবিনে থাকলে হয়তো বেঁচে ফেরা হতো না’ Logo ২৬টি স্যাটেলাইট স্থাপনের পর প্রশান্ত মহাসাগরে ল্যান্ডিং করল স্পেসএক্সের ‘স্টারশিপ’

সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, অধ্যক্ষসহ ১৪ শিক্ষক অবরুদ্ধ

সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে তীব্র অসন্তোষ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে, যার মূল কারণ কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্তি পাওয়ার দাবি। শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে এই অবাস্তব ও প্রশাসনিক জটিলতা সৃষ্টিকারী কাঠামোর পরিবর্তন চেয়ে আসছিলেন এবং এরি ধারাবাহিকতায় তারা আন্দোলনে নেমেছেন। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা কলেজ ক্যাম্পাসে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে তোলেন এবং তাদের দাবি আদায়ে সোচ্চার ভূমিকা পালন করেন।

বিক্ষোভের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা কলেজের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন এবং এর ফলে অধ্যক্ষসহ মোট চৌদ্দজন শিক্ষক অবরুদ্ধ অবস্থায় আটকা পড়েন। শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের এই অবরুদ্ধ দশার কারণে পুরো ক্যাম্পাসে চরম উত্তেজনা বিরাজ করতে থাকে এবং দাপ্তরিক কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে পঙ্গু হয়ে পড়ে। শিক্ষার্থীরা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন যে তাদের দাবি না মানা পর্যন্ত এই ধরনের কঠোর কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রধান বক্তব্য হলো, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে থাকার কারণে তাদের একাডেমিক ও পেশাগত উন্নয়নে নানা ধরনের জটিলতা তৈরি হচ্ছে যা তাদের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ। তারা এই অধীনতা থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত হয়ে একটি স্বতন্ত্র বা উপযুক্ত কাঠামোর অধীনে উচ্চশিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জোর দাবি জানান। তাদের এই যৌক্তিক দাবি দীর্ঘদিন ধরে উপেক্ষিত হওয়ার কারণেই তারা আজকের এই কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান।

অন্যদিকে, অবরুদ্ধ শিক্ষকরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের অনমনীয় মনোভাবের কারণে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সমাধান আসেনি। উদ্ভূত এই সংকটময় পরিস্থিতি নিরসনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আলোচনা চালুর চেষ্টা চলছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি সমাধানের জন্য তৎপর রয়েছে বলে জানা গেছে। ক্যাম্পাস জুড়ে অতিরিক্ত সতর্কতাও লক্ষ্য করা গেছে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হয়।

জনপ্রিয়

তুরস্ককে উড়িয়ে জয়ে ফিরল ইতালি

সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, অধ্যক্ষসহ ১৪ শিক্ষক অবরুদ্ধ

প্রকাশিত ১২:৩০:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে তীব্র অসন্তোষ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে, যার মূল কারণ কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্তি পাওয়ার দাবি। শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে এই অবাস্তব ও প্রশাসনিক জটিলতা সৃষ্টিকারী কাঠামোর পরিবর্তন চেয়ে আসছিলেন এবং এরি ধারাবাহিকতায় তারা আন্দোলনে নেমেছেন। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা কলেজ ক্যাম্পাসে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে তোলেন এবং তাদের দাবি আদায়ে সোচ্চার ভূমিকা পালন করেন।

বিক্ষোভের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা কলেজের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন এবং এর ফলে অধ্যক্ষসহ মোট চৌদ্দজন শিক্ষক অবরুদ্ধ অবস্থায় আটকা পড়েন। শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের এই অবরুদ্ধ দশার কারণে পুরো ক্যাম্পাসে চরম উত্তেজনা বিরাজ করতে থাকে এবং দাপ্তরিক কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে পঙ্গু হয়ে পড়ে। শিক্ষার্থীরা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন যে তাদের দাবি না মানা পর্যন্ত এই ধরনের কঠোর কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রধান বক্তব্য হলো, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে থাকার কারণে তাদের একাডেমিক ও পেশাগত উন্নয়নে নানা ধরনের জটিলতা তৈরি হচ্ছে যা তাদের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ। তারা এই অধীনতা থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত হয়ে একটি স্বতন্ত্র বা উপযুক্ত কাঠামোর অধীনে উচ্চশিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জোর দাবি জানান। তাদের এই যৌক্তিক দাবি দীর্ঘদিন ধরে উপেক্ষিত হওয়ার কারণেই তারা আজকের এই কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান।

অন্যদিকে, অবরুদ্ধ শিক্ষকরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের অনমনীয় মনোভাবের কারণে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সমাধান আসেনি। উদ্ভূত এই সংকটময় পরিস্থিতি নিরসনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আলোচনা চালুর চেষ্টা চলছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি সমাধানের জন্য তৎপর রয়েছে বলে জানা গেছে। ক্যাম্পাস জুড়ে অতিরিক্ত সতর্কতাও লক্ষ্য করা গেছে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হয়।