ঢাকা ১০:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo মরুভূমিতে বিয়েতে ১৪০০ ভেড়া-ছাগল ও ২৭০ উট জবাই Logo ২৩ বছর পর শেষ মার্কিন সেনাটিও ইরাক ছাড়ছে, ৪ দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা Logo নেতানিয়াহুর আবুধাবি সফর ও প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকের খবর নিশ্চিত করল আমিরাত Logo নদীর স্রোতের ওপর টানানো সরু দড়ি বেয়ে হেঁটে ১০০ মিটার পাড়ি দিলেন শি Logo পত্রিকা:‌ ”অপারেশন ক্লিন হার্টের’ আদলে অভিযানের চিন্তা’ Logo মাঠে না নেমেই সেমিফাইনালে বাংলাদেশ Logo এআই প্রযুক্তির নিরাপত্তায় গুগল, ওপেনএআই ও অ্যানথ্রপিকের উদ্যোগ Logo সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ও রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলার নেপথ্যের ব্যক্তিরা এখনো ধরা পড়েননি Logo জাপানে বর্মযুক্ত ডাইনোসরের জীবাশ্ম শনাক্ত Logo প্রচলিত যুদ্ধের নিয়মে খেলছে না হুতিরা

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ও রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলার নেপথ্যের ব্যক্তিরা এখনো ধরা পড়েননি

রাজধানীতে জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও এবং মিরপুরের রাড্ডা মাতৃস্বাস্থ্য কেন্দ্রে সংঘটিত ভাঙচুর ও হামলার ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে। বিভিন্ন সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এ পর্যন্ত মোট আঠারোজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাদের কারো কারো সম্পৃক্ততার প্রমাণও মিলেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তারা।

তবে পুলিশ প্রশাসন এই ঘটনাগুলোর দৃশ্যমান আসামিদের আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হলেও মূল পরিকল্পনাকারী বা নেপথ্যের নির্দেশদাতারা এখনও পর্যন্ত ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন। হামলাগুলোর পেছনে কারা ইন্ধন যুগিয়েছে এবং ঠিক কী উদ্দেশ্যে এই ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম চালানো হয়েছিল, তা উদ্ঘাটনে এখন নিবিড়ভাবে কাজ করছে গোয়েন্দা বিভাগ। আটককৃতদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে মূল হোতাদের নাম বের করার চেষ্টা চলছে।

উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন আগে ঘটে যাওয়া এই দুটি পৃথক ঘটনায় সমাজে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও উদ্বেগের সৃষ্টি করে। সালমান মুক্তাদিরের ওপর ব্যক্তিগত ক্ষোভ কিংবা তার প্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাশাপাশি একটি জনস্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানে এমন ন্যক্কারজনক হামলার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিক সমাজ। বিশেষ করে রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলার ফলে সাধারণ মানুষ চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হয় এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

এদিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই ঘটনার পেছনে থাকা প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। খুব শীঘ্রই মূল হোতাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে পুলিশ প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছে।

জনপ্রিয়

মরুভূমিতে বিয়েতে ১৪০০ ভেড়া-ছাগল ও ২৭০ উট জবাই

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ও রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলার নেপথ্যের ব্যক্তিরা এখনো ধরা পড়েননি

প্রকাশিত ০৮:১৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজধানীতে জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও এবং মিরপুরের রাড্ডা মাতৃস্বাস্থ্য কেন্দ্রে সংঘটিত ভাঙচুর ও হামলার ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে। বিভিন্ন সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এ পর্যন্ত মোট আঠারোজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাদের কারো কারো সম্পৃক্ততার প্রমাণও মিলেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তারা।

তবে পুলিশ প্রশাসন এই ঘটনাগুলোর দৃশ্যমান আসামিদের আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হলেও মূল পরিকল্পনাকারী বা নেপথ্যের নির্দেশদাতারা এখনও পর্যন্ত ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন। হামলাগুলোর পেছনে কারা ইন্ধন যুগিয়েছে এবং ঠিক কী উদ্দেশ্যে এই ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম চালানো হয়েছিল, তা উদ্ঘাটনে এখন নিবিড়ভাবে কাজ করছে গোয়েন্দা বিভাগ। আটককৃতদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে মূল হোতাদের নাম বের করার চেষ্টা চলছে।

উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন আগে ঘটে যাওয়া এই দুটি পৃথক ঘটনায় সমাজে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও উদ্বেগের সৃষ্টি করে। সালমান মুক্তাদিরের ওপর ব্যক্তিগত ক্ষোভ কিংবা তার প্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাশাপাশি একটি জনস্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানে এমন ন্যক্কারজনক হামলার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিক সমাজ। বিশেষ করে রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলার ফলে সাধারণ মানুষ চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হয় এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

এদিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই ঘটনার পেছনে থাকা প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। খুব শীঘ্রই মূল হোতাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে পুলিশ প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছে।