ঢাকা ১০:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo বিটিএস–ভক্ত পাবনার তিন কিশোরী অন্য দেশে চলে যেতে চেয়েছিল, যেভাবে উদ্ধার Logo টানা ১০ বছর কিছুই করতে পারেননি, অর্থকষ্টে বাসা থেকে উচ্ছেদের আশঙ্কায় ছিলেন, তিনি ৪৩০ কোটি টাকার মালিক Logo খালাসের পরও কনডেম সেলে ৮ বছর: ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে রুল Logo কর্মীকে মারধরের প্রতিবাদে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে কনটেইনার ডেলিভারি বন্ধ Logo বিজিবির হেফাজত থেকে ২ ভারতীয় চোরাকারবারীকে ছিনিয়ে নিল স্থানীয়রা Logo আবাসিক হোটেলের টয়লেটে চুলা বসিয়ে চিনি জ্বাল দিয়ে তৈরি হচ্ছিল ‘খাঁটি মধু’ Logo থাইল্যান্ডের রাস্তায় বন্যার পানি, জেট স্কি চালিয়ে আটক চালক Logo মেয়েকে কামড়ানো রাসেল ভাইপার বোতলে পুরে হাসপাতালে বাবা Logo জনপ্রিয় নারী কনটেন্ট ক্রিয়েটরের লাশ উদ্ধার, মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য Logo পুরাতন বাণিজ্যমেলা মাঠে বিপুল পরিমাণ ককটেল, ঘিরে রেখেছে এসআরবি

বিজিবির হেফাজত থেকে ২ ভারতীয় চোরাকারবারীকে ছিনিয়ে নিল স্থানীয়রা

রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার ফারুয়া ইউনিয়নের দুমদুমিয়া গাছবাগান এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা বিজিবির একটি টহল দলের হেফাজত থেকে দুই ভারতীয় নাগরিককে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। গত কিছুদিন আগে বিজিবির পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানানো হয়। সীমান্ত এলাকায় অবৈধ চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর এমন হামলার ঘটনায় স্থানীয়ভাবে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, কাপ্তাই ব্যাটালিয়নের অধীন দুমদুমিয়া বিজিবি ক্যাম্পের একটি দল চেকপোস্টে নিয়মিত যানবাহন তল্লাশি চালাচ্ছিল। সেই সময় সন্দেহভাজন হিসেবে দুই ভারতীয় নাগরিককে আটক করা হয়, যাঁদের কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের প্রসাধনসামগ্রী, কাপড় এবং ভারতের আধার কার্ড উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে নিয়মানুযায়ী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য তাঁদের রাজস্থলী থানায় হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।

অভিযোগ রয়েছে, আটক ব্যক্তিদের নিয়ে যাওয়ার সময় ক্যাম্পসংলগ্ন এলাকায় শতাধিক পাহাড়ি নারী-পুরুষের একটি সংঘবদ্ধ দল অতর্কিতভাবে বিজিবি টহল দলের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা নারীদের মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করে অত্যন্ত সুকৌশলে বিজিবির হেফাজত থেকে ওই দুই ভারতীয় চোরাকারবারিকে বলপূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এই আকস্মিক পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ধৈর্যের পরিচয় দিলেও হামলাকারীদের বাধায় তাদের আটকে রাখা সম্ভব হয়নি।

এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ছিনিয়ে নেওয়া ব্যক্তিদের পুনরায় গ্রেফতারে এবং এই হামলা ও আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কর্মকাণ্ডে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে জোর তৎপরতা চলছে।

এ বিষয়ে কাপ্তাই ব্যাটালিয়নের (৪১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাওসার মেহেদী গণমাধ্যমকে জানান, দেশের সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ, অস্ত্র, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সবসময় সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, দেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার্থে বিজিবির এই কঠোর ও দায়িত্বশীল অভিযান ভবিষ্যতেও নিরবচ্ছিন্নভাবে অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয়

বিটিএস–ভক্ত পাবনার তিন কিশোরী অন্য দেশে চলে যেতে চেয়েছিল, যেভাবে উদ্ধার

বিজিবির হেফাজত থেকে ২ ভারতীয় চোরাকারবারীকে ছিনিয়ে নিল স্থানীয়রা

প্রকাশিত ০৯:৩০:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার ফারুয়া ইউনিয়নের দুমদুমিয়া গাছবাগান এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা বিজিবির একটি টহল দলের হেফাজত থেকে দুই ভারতীয় নাগরিককে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। গত কিছুদিন আগে বিজিবির পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানানো হয়। সীমান্ত এলাকায় অবৈধ চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর এমন হামলার ঘটনায় স্থানীয়ভাবে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, কাপ্তাই ব্যাটালিয়নের অধীন দুমদুমিয়া বিজিবি ক্যাম্পের একটি দল চেকপোস্টে নিয়মিত যানবাহন তল্লাশি চালাচ্ছিল। সেই সময় সন্দেহভাজন হিসেবে দুই ভারতীয় নাগরিককে আটক করা হয়, যাঁদের কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের প্রসাধনসামগ্রী, কাপড় এবং ভারতের আধার কার্ড উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে নিয়মানুযায়ী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য তাঁদের রাজস্থলী থানায় হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।

অভিযোগ রয়েছে, আটক ব্যক্তিদের নিয়ে যাওয়ার সময় ক্যাম্পসংলগ্ন এলাকায় শতাধিক পাহাড়ি নারী-পুরুষের একটি সংঘবদ্ধ দল অতর্কিতভাবে বিজিবি টহল দলের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা নারীদের মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করে অত্যন্ত সুকৌশলে বিজিবির হেফাজত থেকে ওই দুই ভারতীয় চোরাকারবারিকে বলপূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এই আকস্মিক পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ধৈর্যের পরিচয় দিলেও হামলাকারীদের বাধায় তাদের আটকে রাখা সম্ভব হয়নি।

এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ছিনিয়ে নেওয়া ব্যক্তিদের পুনরায় গ্রেফতারে এবং এই হামলা ও আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী কর্মকাণ্ডে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে জোর তৎপরতা চলছে।

এ বিষয়ে কাপ্তাই ব্যাটালিয়নের (৪১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাওসার মেহেদী গণমাধ্যমকে জানান, দেশের সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ, অস্ত্র, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সবসময় সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, দেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার্থে বিজিবির এই কঠোর ও দায়িত্বশীল অভিযান ভবিষ্যতেও নিরবচ্ছিন্নভাবে অব্যাহত থাকবে।