দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে একটি নতুন যৌথ অভিযানের পরিকল্পনা করছে সরকার। নিরাপত্তা খাত সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারক মহলে বিগত দুই হাজার দুই সালে পরিচালিত আলোচিত অপারেশন ক্লিন হার্টের আদলে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনার বিষয়টি নিয়ে বর্তমানে নিবিড় আলোচনা চলছে। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমন এবং জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে এই ধরনের জোরালো পদক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোকে আরও বেশি সক্রিয় ও দৃশ্যমান করার তাগিদ অনুভব করছে প্রশাসন। মূলত অতীতে অপরাধ দমনে সফল হওয়া বিশেষ অভিযানের কৌশলগুলোকে বর্তমান প্রেক্ষাপটে পুনর্বিবেচনা করেই এই নতুন কর্মপরিকল্পনা সাজানো হচ্ছে বলে জানা গেছে।
শুধু আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিই নয়, এর পাশাপাশি দেশের অর্থনীতি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও সরকারের অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে। বিশেষ করে বাজারে সরকারিভাবে নির্ধারিত দামে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজি সিলিন্ডার না পাওয়ার দীর্ঘদিনের ভোগান্তি সাধারণ ভোক্তাদের জন্য বড় সংকট হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রশাসনিক নজরদারির ঘাটতির কারণেই মূলত নির্ধারিত মূল্যে এই জ্বালানি পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে।
অন্যদিকে, রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ কাঠামো পরিবর্তনের অংশ হিসেবে দেশের সংবিধান সংশোধন প্রসঙ্গটি আবারও রাজনৈতিক অঙ্গনে জোরালো আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এই সংশোধন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রয়োজনে জনগণের সরাসরি মতামত নিতে নতুন করে গণভোট আয়োজনের সম্ভাবনা নিয়েও বুদ্ধিজীবী ও রাজনৈতিক মহলে নানামুখী মতবিনিময় শুরু হয়েছে। সার্বিক এই বিষয়গুলো সম্প্রতি রাজধানী থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রধান সংবাদপত্রের পাতার শিরোনামে বিশেষ গুরুত্ব লাভ করেছে।





































