ঢাকা ০২:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলার বিচার ও শাস্তি দাবি ডুজার Logo ‘ভিপি নুরের নির্দেশ, ৫ লাখ টাকার কম হবে না’, ফোনালাপ ফাঁসের পর যুব অধিকার নেতা বহিষ্কার Logo নানাবাড়িতে এসে ফুল তুলতে গিয়ে দুই ভাই-বোনের মৃত্যু Logo আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই: এএসআইয়ের বক্তব্য ভাইরাল Logo গাইবান্ধার সেই ‘এক টাকার মাস্টার’ লুৎফুর রহমান পেলেন রাষ্ট্রীয় সম্মাননা Logo আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসির শেষ রাত Logo অবশেষে নিয়োগ পেলেন ভিটেবাড়িহীন মিশন আচার্য Logo উপাচার্যকে ৪৫ মিনিট অবরুদ্ধ রাখার পর আলোচনায় আন্দোলনকারী সাংবাদিকেরা Logo দুর্গাপূজায় রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে শপিংমল-দোকানপাট Logo ‘অন্যায় দেখলে সাংবাদিক বলবে, রক্ত ঝরলেও কলম চলবে’ প্ল্যাকার্ড হাতে ইবিতে সাংবাদিকদের মৌন বিক্ষোভ

উপাচার্যকে ৪৫ মিনিট অবরুদ্ধ রাখার পর আলোচনায় আন্দোলনকারী সাংবাদিকেরা

রাজধানীর একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক ভবনের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি রাতের দিকে এই পরিস্থিতি তৈরি হয় যখন একদল আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও সংবাদকর্মী হঠাৎ করেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করতে শুরু করেন। পূর্বঘোষিত কোনো কর্মসূচি ছাড়াই তারা প্রশাসনিক ভবনের সামনে জড়ো হন এবং বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। একপর্যায়ে তাদের ক্ষোভ তীব্র রূপ নিলে তাঁরা ভবনের প্রবেশদ্বারে তালা ঝুলিয়ে ভেতরে যাতায়াতের পথ বন্ধ করে দেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই সময় উপাচার্যসহ প্রশাসনের বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা ভবনের ভেতরে আটকা পড়েন। ভেতরে থাকা কর্মকর্তাদের সাথে বাইরে অবস্থানরত আন্দোলনকারীদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছিল। তবে দীর্ঘ সময় বাইরে দাঁড়িয়ে না থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে উভয় পক্ষই আলোচনার উদ্যোগ নেয়। অবরুদ্ধ অবস্থার প্রায় তিনচতুর্থাংশ ঘণ্টা পর প্রশাসনের তরফ থেকে আলোচনার প্রস্তাব দেওয়া হলে আন্দোলনকারীরা তাতে সম্মত হন।

এর পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিদের সাথে এক আনুষ্ঠানিক বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে তাদের বিভিন্ন দাবিদাওয়া ও ক্ষোভের কারণগুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়। প্রশাসন অত্যন্ত ধৈর্যের সাথে পুরো বিষয়টি শোনেন এবং উদ্ভূত সংকট নিরসনে যৌক্তিক সমাধানের আশ্বাস দেন। দীর্ঘ আলোচনা শেষে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয় এবং ফটকের তালা খুলে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ ছিল, বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার নানা ক্ষেত্রে তাদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না এবং বিভিন্ন সংকটের সমাধান পেতে দীর্ঘদিন ধরে ঘুরতে হচ্ছে। অন্যদিকে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে শিক্ষার্থীদের সমস্যাগুলো তারা অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে বিবেচনা করছেন। উভয় পক্ষের এই দীর্ঘ আলোচনার মধ্য দিয়ে সাময়িকভাবে উত্তেজনা প্রশমিত হলেও ক্যাম্পাসে চাপা অসন্তোষ বিরাজ করছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানিয়েছে।

জনপ্রিয়

রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলার বিচার ও শাস্তি দাবি ডুজার

উপাচার্যকে ৪৫ মিনিট অবরুদ্ধ রাখার পর আলোচনায় আন্দোলনকারী সাংবাদিকেরা

প্রকাশিত ১২:৩০:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক ভবনের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি রাতের দিকে এই পরিস্থিতি তৈরি হয় যখন একদল আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও সংবাদকর্মী হঠাৎ করেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করতে শুরু করেন। পূর্বঘোষিত কোনো কর্মসূচি ছাড়াই তারা প্রশাসনিক ভবনের সামনে জড়ো হন এবং বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। একপর্যায়ে তাদের ক্ষোভ তীব্র রূপ নিলে তাঁরা ভবনের প্রবেশদ্বারে তালা ঝুলিয়ে ভেতরে যাতায়াতের পথ বন্ধ করে দেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই সময় উপাচার্যসহ প্রশাসনের বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা ভবনের ভেতরে আটকা পড়েন। ভেতরে থাকা কর্মকর্তাদের সাথে বাইরে অবস্থানরত আন্দোলনকারীদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছিল। তবে দীর্ঘ সময় বাইরে দাঁড়িয়ে না থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে উভয় পক্ষই আলোচনার উদ্যোগ নেয়। অবরুদ্ধ অবস্থার প্রায় তিনচতুর্থাংশ ঘণ্টা পর প্রশাসনের তরফ থেকে আলোচনার প্রস্তাব দেওয়া হলে আন্দোলনকারীরা তাতে সম্মত হন।

এর পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিদের সাথে এক আনুষ্ঠানিক বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে তাদের বিভিন্ন দাবিদাওয়া ও ক্ষোভের কারণগুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়। প্রশাসন অত্যন্ত ধৈর্যের সাথে পুরো বিষয়টি শোনেন এবং উদ্ভূত সংকট নিরসনে যৌক্তিক সমাধানের আশ্বাস দেন। দীর্ঘ আলোচনা শেষে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয় এবং ফটকের তালা খুলে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ ছিল, বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার নানা ক্ষেত্রে তাদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না এবং বিভিন্ন সংকটের সমাধান পেতে দীর্ঘদিন ধরে ঘুরতে হচ্ছে। অন্যদিকে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে শিক্ষার্থীদের সমস্যাগুলো তারা অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে বিবেচনা করছেন। উভয় পক্ষের এই দীর্ঘ আলোচনার মধ্য দিয়ে সাময়িকভাবে উত্তেজনা প্রশমিত হলেও ক্যাম্পাসে চাপা অসন্তোষ বিরাজ করছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানিয়েছে।