ঢাকা ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo অবশেষে নিয়োগ পেলেন ভিটেবাড়িহীন মিশন আচার্য Logo উপাচার্যকে ৪৫ মিনিট অবরুদ্ধ রাখার পর আলোচনায় আন্দোলনকারী সাংবাদিকেরা Logo দুর্গাপূজায় রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে শপিংমল-দোকানপাট Logo ‘অন্যায় দেখলে সাংবাদিক বলবে, রক্ত ঝরলেও কলম চলবে’ প্ল্যাকার্ড হাতে ইবিতে সাংবাদিকদের মৌন বিক্ষোভ Logo মাথায় স্কার্ফ পরে ছবি দেওয়ায় তুর্কি শিক্ষার্থীর ফ্রান্সের ভিসা প্রত্যাখ্যান Logo ঢাকায় ‘তেরে বিন’ তারকা ওয়াহাজ, সঙ্গে নুসরাত ফারিয়া Logo পরিবারসহ ২৭ ইসরাইলি কূটনীতিককে বহিষ্কার করবে যুক্তরাজ্য Logo খুলনায় ছেলেকে হত্যার দেড় মাস পর বাবাকে গুলি করে হত্যা Logo ছেলের হত্যার ৫১ দিনের মাথায় এবার বাবাকে গুলি করে হত্যা Logo পাবিপ্রবিতে ৬ শতাধিক নবীনকে ছাত্রদলের বরণ

‘অন্যায় দেখলে সাংবাদিক বলবে, রক্ত ঝরলেও কলম চলবে’ প্ল্যাকার্ড হাতে ইবিতে সাংবাদিকদের মৌন বিক্ষোভ

  • সাকীফ বিন আলম
  • প্রকাশিত ১২:০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ২১ বার পঠিত

“অন্যায় দেখলে সাংবাদিক বলবে, রক্ত ঝরলেও কলম চলবে”সহ নানান প্রতিবাদী স্লোগান সংবলিত প্ল্যাকার্ড হাতে চোখে কালো কাপড় বেঁধে মৌন বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) কর্মরত সাংবাদিকরা। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার তীব্র প্রতিবাদ এবং ক্যাম্পাসে স্বাধীন সাংবাদিকতার নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতের দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ইবিতে কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীদের যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে সাংবাদিকরা চোখে কালো কাপড় বেঁধে নীরব প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষোভ ও দাবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন। প্ল্যাকার্ডগুলোতে লেখা ছিল, ‘প্রক্টর স্যার অসহায়, পুলিশ লেজ গুটিয়ে পালায়, সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্র চালায়’, ‘সাংবাদিকদের ওপর হামলা, গণতন্ত্রের ওপর হামলা’, ‘হাবিপ্রবি, তিতুমীর কলেজ, ঢাবি, রাবি এরপরে কোনটা?’ এবং ‘সাংবাদিকরা ক্যাম্পাসের অ্যাসিস্ট, ভুলে গেলি নব্য ফ্যাসিস্ট!’।

এ সময় ইবিতে কর্মরত সাংবাদিক নেতারা বলেন, গণমাধ্যমের ওপর হামলা মানেই গণতন্ত্র ও সত্যের কণ্ঠরোধ করার অপচেষ্টা। কোনো ভয়ভীতি বা রক্তচক্ষু দেখিয়ে সত্য প্রকাশ বন্ধ করা যাবে না। তারা অনতিবিলম্বে রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় জড়িত প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

কর্মসূচিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (ইবিসাস) সভাপতি নিয়ামতুল্লাহ মুনিম, সাধারণ সম্পাদক জুয়েল রানা, ইবি প্রেসক্লাবের সভাপতি আবির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হোসেন, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সাকিব আসলাম ও সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলামসহ বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

এর আগে ইবির তিন সাংবাদিক সংগঠনের যৌথ বিবৃতিতে রাবির ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়ে বলা হয়, সংবাদ সংগ্রহে বাধা ও হামলা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য এক চরম হুমকি। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিচার না করা হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।

উল্লেখ্য, গত রবিবার (৪ অক্টোবর) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জড়ো হলে তা ভিডিও ধারণ করার সময় সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে দৈনিক সমকালের প্রতিনিধি মাঈনুল ইসলাম রাজু, দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিনিধি নূর আহসান মৃদুল, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিনিধি আরিফুজ্জামান কোরবান এবং আগামীর সময়ের প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলামসহ একাধিক সাংবাদিক আহত হন। আহতদের মধ্যে জাহিদুল ইসলাম মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

জনপ্রিয়

অবশেষে নিয়োগ পেলেন ভিটেবাড়িহীন মিশন আচার্য

‘অন্যায় দেখলে সাংবাদিক বলবে, রক্ত ঝরলেও কলম চলবে’ প্ল্যাকার্ড হাতে ইবিতে সাংবাদিকদের মৌন বিক্ষোভ

প্রকাশিত ১২:০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

“অন্যায় দেখলে সাংবাদিক বলবে, রক্ত ঝরলেও কলম চলবে”সহ নানান প্রতিবাদী স্লোগান সংবলিত প্ল্যাকার্ড হাতে চোখে কালো কাপড় বেঁধে মৌন বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) কর্মরত সাংবাদিকরা। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার তীব্র প্রতিবাদ এবং ক্যাম্পাসে স্বাধীন সাংবাদিকতার নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতের দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ইবিতে কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীদের যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে সাংবাদিকরা চোখে কালো কাপড় বেঁধে নীরব প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষোভ ও দাবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন। প্ল্যাকার্ডগুলোতে লেখা ছিল, ‘প্রক্টর স্যার অসহায়, পুলিশ লেজ গুটিয়ে পালায়, সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্র চালায়’, ‘সাংবাদিকদের ওপর হামলা, গণতন্ত্রের ওপর হামলা’, ‘হাবিপ্রবি, তিতুমীর কলেজ, ঢাবি, রাবি এরপরে কোনটা?’ এবং ‘সাংবাদিকরা ক্যাম্পাসের অ্যাসিস্ট, ভুলে গেলি নব্য ফ্যাসিস্ট!’।

এ সময় ইবিতে কর্মরত সাংবাদিক নেতারা বলেন, গণমাধ্যমের ওপর হামলা মানেই গণতন্ত্র ও সত্যের কণ্ঠরোধ করার অপচেষ্টা। কোনো ভয়ভীতি বা রক্তচক্ষু দেখিয়ে সত্য প্রকাশ বন্ধ করা যাবে না। তারা অনতিবিলম্বে রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় জড়িত প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

কর্মসূচিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (ইবিসাস) সভাপতি নিয়ামতুল্লাহ মুনিম, সাধারণ সম্পাদক জুয়েল রানা, ইবি প্রেসক্লাবের সভাপতি আবির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হোসেন, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সাকিব আসলাম ও সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলামসহ বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

এর আগে ইবির তিন সাংবাদিক সংগঠনের যৌথ বিবৃতিতে রাবির ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়ে বলা হয়, সংবাদ সংগ্রহে বাধা ও হামলা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য এক চরম হুমকি। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিচার না করা হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।

উল্লেখ্য, গত রবিবার (৪ অক্টোবর) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জড়ো হলে তা ভিডিও ধারণ করার সময় সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে দৈনিক সমকালের প্রতিনিধি মাঈনুল ইসলাম রাজু, দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিনিধি নূর আহসান মৃদুল, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিনিধি আরিফুজ্জামান কোরবান এবং আগামীর সময়ের প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলামসহ একাধিক সাংবাদিক আহত হন। আহতদের মধ্যে জাহিদুল ইসলাম মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।