ঢাকা ০৮:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo বিশ্বসেরা ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় রাবির ১৬ গবেষক Logo সাবুদানার লাড্ডু বানিয়েছেন কখনো? রেসিপি দেখুন Logo পাবিপ্রবির সনাতন বিদ্যার্থী সংসদের আয়োজনে ঋত সমাগম বিদ্যার্থীবরণ Logo তিন বছরের সন্তানকে রেখে জীবন-মৃত্যুর লড়াইয়ে সাবিহা, প্রয়োজন ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা Logo বিদেশফেরত অভিবাসীদের পুনর্বাসনে সরকার-জাতিসংঘের ৩০ মাসের কর্মসূচি Logo ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ পাচ্ছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩ শিক্ষার্থী Logo কায়রোতে অনুষ্ঠিত হলো আওসবি কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা Logo আবাসন ব্যবসায়ীদের গ্রাহক হয়রানি বন্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা সংসদীয় কমিটির Logo ভাষার চেনা ছক ভেঙেছেন অ্যান কার্সন Logo লংমার্চ কেবল কর্মসূচি নয়, আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক হুংকার: মিয়া গোলাম পরওয়ার

ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন দেখছে ১১ মাসে হাফেজ হওয়া মুগ্ধ

ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন দেখছে ১১ মাসে হাফেজ হওয়া মুগ্ধ

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে মাত্র ১১ মাসে পবিত্র কোরআন মাজিদ হিফজ সম্পন্ন করেছে ৮ বছর ৩ মাস বয়সী রামিন নাওয়াফ মুগ্ধ।

মুগ্ধের গ্রামের বাড়ি ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার উত্তর কুহমা গ্রামে। সে উপজেলার দারুল কুরআন মাদরাসা ও এতিমখানার হিফজুল কোরআন বিভাগের শিক্ষার্থী। তার বাবা মাসুদুল ইসলাম একজন ব্যবসায়ী। মা মোসাম্মাৎ রাবেয়া আক্তার মিরসরাই সরকারি কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রভাষক।

মাদরাসা সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত অধ্যবসায়, শিক্ষকদের নিবিড় তত্ত্বাবধান এবং পরিবারের সহযোগিতায় মাত্র ১১ মাসে পবিত্র কোরআন মাজিদ হিফজ সম্পন্ন করে মুগ্ধ। অল্প বয়সে তার এ সাফল্যে শিক্ষক, পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।

মুগ্ধ বলেন, আমার পরিবার ও হুজুরদের কঠোর পরিশ্রমের ফলেই আজ আমি হাফেজ হতে পেরেছি। এজন্য আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। ভবিষ্যতে আমার হাফেজ ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন রয়েছে। বড় হয়ে হাফেজদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দিতে চাই। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।

মাদরাসার মোহতামিম আবু নাছির মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, মুগ্ধ পরিবার সাথে থেকে নিয়মিত মাদরাসায় এসে হিফজ সম্পন্ন করেছে। তার বাবা প্রতিদিন রাত ৩টার দিকে তাকে মাদরাসায় পৌঁছে দিতেন। মুগ্ধের এই সাফল্যের পেছনে তার বাবা-মায়ের ত্যাগ ও শিক্ষকদের কঠোর পরিশ্রম রয়েছে। সে অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র। মাত্র ১১ মাসে সে কোরআন হিফজ সম্পন্ন করেছে। আমরা তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি।

মুগ্ধের বাবা মাসুদুল ইসলাম বলেন, ছোটবেলা থেকেই আমার ছেলে ইসলামের প্রতি আগ্রহী ছিল। কোথাও মসজিদ হয়েছে শুনলে সে আমাকে সেখানে নিয়ে যেতে চাইত এবং নামাজ আদায় করতে চাইত। পরে তাকে হাফেজ করার জন্য মাদরাসায় ভর্তি করাই। আল্লাহর রহমত এবং শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় মাত্র ৮ বছর বয়সে ১১ মাসে সে হাফেজ হতে পেরেছে। এজন্য মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি।

তিনি আরও বলেন, আমার ছেলের স্বপ্ন বড় হয়ে হাফেজ ডাক্তার হওয়া এবং হাফেজদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দেওয়া। মহান আল্লাহ যেন তাকে কবুল করেন এবং তার স্বপ্ন পূরণ করেন এ জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।

জনপ্রিয়

বিশ্বসেরা ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় রাবির ১৬ গবেষক

ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন দেখছে ১১ মাসে হাফেজ হওয়া মুগ্ধ

প্রকাশিত ০৬:৫৪:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে মাত্র ১১ মাসে পবিত্র কোরআন মাজিদ হিফজ সম্পন্ন করেছে ৮ বছর ৩ মাস বয়সী রামিন নাওয়াফ মুগ্ধ।

মুগ্ধের গ্রামের বাড়ি ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার উত্তর কুহমা গ্রামে। সে উপজেলার দারুল কুরআন মাদরাসা ও এতিমখানার হিফজুল কোরআন বিভাগের শিক্ষার্থী। তার বাবা মাসুদুল ইসলাম একজন ব্যবসায়ী। মা মোসাম্মাৎ রাবেয়া আক্তার মিরসরাই সরকারি কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রভাষক।

মাদরাসা সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত অধ্যবসায়, শিক্ষকদের নিবিড় তত্ত্বাবধান এবং পরিবারের সহযোগিতায় মাত্র ১১ মাসে পবিত্র কোরআন মাজিদ হিফজ সম্পন্ন করে মুগ্ধ। অল্প বয়সে তার এ সাফল্যে শিক্ষক, পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।

মুগ্ধ বলেন, আমার পরিবার ও হুজুরদের কঠোর পরিশ্রমের ফলেই আজ আমি হাফেজ হতে পেরেছি। এজন্য আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। ভবিষ্যতে আমার হাফেজ ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন রয়েছে। বড় হয়ে হাফেজদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দিতে চাই। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।

মাদরাসার মোহতামিম আবু নাছির মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, মুগ্ধ পরিবার সাথে থেকে নিয়মিত মাদরাসায় এসে হিফজ সম্পন্ন করেছে। তার বাবা প্রতিদিন রাত ৩টার দিকে তাকে মাদরাসায় পৌঁছে দিতেন। মুগ্ধের এই সাফল্যের পেছনে তার বাবা-মায়ের ত্যাগ ও শিক্ষকদের কঠোর পরিশ্রম রয়েছে। সে অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র। মাত্র ১১ মাসে সে কোরআন হিফজ সম্পন্ন করেছে। আমরা তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি।

মুগ্ধের বাবা মাসুদুল ইসলাম বলেন, ছোটবেলা থেকেই আমার ছেলে ইসলামের প্রতি আগ্রহী ছিল। কোথাও মসজিদ হয়েছে শুনলে সে আমাকে সেখানে নিয়ে যেতে চাইত এবং নামাজ আদায় করতে চাইত। পরে তাকে হাফেজ করার জন্য মাদরাসায় ভর্তি করাই। আল্লাহর রহমত এবং শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় মাত্র ৮ বছর বয়সে ১১ মাসে সে হাফেজ হতে পেরেছে। এজন্য মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি।

তিনি আরও বলেন, আমার ছেলের স্বপ্ন বড় হয়ে হাফেজ ডাক্তার হওয়া এবং হাফেজদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দেওয়া। মহান আল্লাহ যেন তাকে কবুল করেন এবং তার স্বপ্ন পূরণ করেন এ জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।