ঢাকা ০৯:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ সংবাদ
Logo রাজউকের প্লট বরাদ্দে অনিয়ম ও মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য খতিয়ে দেখার সুপারিশ Logo বর্ণাঢ্য আয়োজনে গোবিপ্রবিতে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত Logo রাবিতে উপকূলীয় দুর্যোগের তথ্য সংগ্রহ নিয়ে পাঁচ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ Logo জাবি উপাচার্যের সঙ্গে সৌজন্যে সাক্ষাৎ যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস প্রতিনিধিদলের Logo চুরি যাওয়া ল্যাপটপ-ক্যামেরার খোঁজে রাজশাহীতে জার্মান পর্যটক Logo নোবিপ্রবিতে ৩য় আন্তর্জাতিক সম্মেলন ‘মেশিন ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ইমার্জিং টেকনোলজিস’ শুরু Logo পাবিপ্রবিতে ‘স্টেজ ক্রাফট’ প্রতিযোগিতার ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত Logo বিশ্বসেরা ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় রাবির ১৬ গবেষক Logo সাবুদানার লাড্ডু বানিয়েছেন কখনো? রেসিপি দেখুন Logo পাবিপ্রবির সনাতন বিদ্যার্থী সংসদের আয়োজনে ঋত সমাগম বিদ্যার্থীবরণ

লংমার্চ কেবল কর্মসূচি নয়, আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক হুংকার: মিয়া গোলাম পরওয়ার

রাজনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন যে, নির্ধারিত লংমার্চ নিছক কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, বরং এটি আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে এবং মজলুম মানবতার পক্ষে একটি জোরালো ও ঐতিহাসিক হুংকার। সম্প্রতি খুলনা নগরীর সোনাডাঙ্গার আল ফারুক সোসাইটি মিলনায়তনে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত এক বিশেষ প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, দেশের সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিন ধরে তাদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত রয়েছে এবং একটি ইনসাফপূর্ণ সমাজ গঠনে জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই।

দেশের স্বাধীনতা রক্ষা এবং বৈষম্যহীন মানবিক বাংলাদেশ গড়ার এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন জামায়াতে ইসলামীর এই শীর্ষ নেতা। খুলনার গৌরবোজ্জ্বল আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাস স্মরণ করে তিনি বলেন যে, বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত প্রতিটি গণতান্ত্রিক লড়াইয়ে এ অঞ্চলের মানুষ সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। সেই ঐতিহাসিক ঐতিহ্যকে ধারণ করেই এবারও খুলনার রাজপথে সর্বস্তরের জনসাধারণকে ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আসন্ন ৩১ অক্টোবর নির্ধারিত এই লংমার্চকে সর্বাত্মক ও ইতিহাসের সেরা করে তুলতে দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করা হয়। নির্দিষ্ট কর্মসূচি সফল করতে খুলনাঞ্চলের ছাত্র-জনতা, শ্রমিক এবং নারী সমাজকে দলে দলে রাজপথে নেমে আসার ডাক দেওয়া হয়, যাতে নির্ধারিত সড়কগুলো জনস্রোতে পরিণত হতে পারে। সভায় জানানো হয় যে, আগামী ৩১ অক্টোবর ঢাকার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেট থেকে উদ্বোধনী সমাবেშের মাধ্যমে এই লংমার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে এবং কুষ্টিয়ায় গিয়ে তা সমাপ্ত হবে।

এই লংমার্চের পেছনে রয়েছে সুনির্দিষ্ট কিছু দাবি, যার মধ্যে রয়েছে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করা, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধ এবং বিদ্যুৎ, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি বন্ধ এবং প্রশাসনের সর্বস্তরে দলীয়করণ রোধ করার দাবিও এই কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত। কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই প্রস্তুতি সভায় ১১ দলীয় ঐক্যের বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয়

রাজউকের প্লট বরাদ্দে অনিয়ম ও মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য খতিয়ে দেখার সুপারিশ

লংমার্চ কেবল কর্মসূচি নয়, আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক হুংকার: মিয়া গোলাম পরওয়ার

প্রকাশিত ০৭:১৫:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

রাজনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন যে, নির্ধারিত লংমার্চ নিছক কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, বরং এটি আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে এবং মজলুম মানবতার পক্ষে একটি জোরালো ও ঐতিহাসিক হুংকার। সম্প্রতি খুলনা নগরীর সোনাডাঙ্গার আল ফারুক সোসাইটি মিলনায়তনে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত এক বিশেষ প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, দেশের সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিন ধরে তাদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত রয়েছে এবং একটি ইনসাফপূর্ণ সমাজ গঠনে জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই।

দেশের স্বাধীনতা রক্ষা এবং বৈষম্যহীন মানবিক বাংলাদেশ গড়ার এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন জামায়াতে ইসলামীর এই শীর্ষ নেতা। খুলনার গৌরবোজ্জ্বল আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাস স্মরণ করে তিনি বলেন যে, বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত প্রতিটি গণতান্ত্রিক লড়াইয়ে এ অঞ্চলের মানুষ সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। সেই ঐতিহাসিক ঐতিহ্যকে ধারণ করেই এবারও খুলনার রাজপথে সর্বস্তরের জনসাধারণকে ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আসন্ন ৩১ অক্টোবর নির্ধারিত এই লংমার্চকে সর্বাত্মক ও ইতিহাসের সেরা করে তুলতে দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করা হয়। নির্দিষ্ট কর্মসূচি সফল করতে খুলনাঞ্চলের ছাত্র-জনতা, শ্রমিক এবং নারী সমাজকে দলে দলে রাজপথে নেমে আসার ডাক দেওয়া হয়, যাতে নির্ধারিত সড়কগুলো জনস্রোতে পরিণত হতে পারে। সভায় জানানো হয় যে, আগামী ৩১ অক্টোবর ঢাকার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেট থেকে উদ্বোধনী সমাবেშের মাধ্যমে এই লংমার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে এবং কুষ্টিয়ায় গিয়ে তা সমাপ্ত হবে।

এই লংমার্চের পেছনে রয়েছে সুনির্দিষ্ট কিছু দাবি, যার মধ্যে রয়েছে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করা, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধ এবং বিদ্যুৎ, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি বন্ধ এবং প্রশাসনের সর্বস্তরে দলীয়করণ রোধ করার দাবিও এই কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত। কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই প্রস্তুতি সভায় ১১ দলীয় ঐক্যের বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।